সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আমরা কি তাহলে ক্যাশলেস সমাজে ডুকে পড়তেছি?

    লক্ষ্য করেছেন যে cash টাকার ব্যবহার কমতে শুরু করেছে. বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানেই সরাসরি ব্যাঙ্ক থেকে আপনার একাউন্টে টাকা ঢুকছে বেতন হিসেবে. মুদিখানা বা চায়ের টন দোকান বাদে।  সম্প্রতি  যা কিছু কেনাকাটা করেছেন একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন তার বেশিরভাগ লেনদেনই আপনাকে ডিজিটাল পেমেন্টে করতে হয়েছে. আর সেটা অনলাইন কেনাকাটা হলে তো কথাই নেই. বিশ্বের অনেক দেশের মতো আমাদের দেশেও এখন মোবাইল পেমেন্ট ই ওয়ালে, ট্যাপ টু পে, ডেবিট এবং ক্রেডিট কার্ড বহুল ব্যবহৃত payment পদ্ধতি।



 তার মানেটা কি দাঁড়াচ্ছে? আমরাও কি ধীরে ধীরে ক্যাশলেস সোসাইটির ধারণার সাথে অভ্যস্ত হতে শুরু করেছি? ক্যাশলেস সোসাইটি হলো এমন একটা সুব্যবস্থা যে সমাজে ক্যাশ টাকা বা মুদ্রার ব্যবহার একেবারেই থাকবে না. এখন অনেকের কাছে এটা কল্প কাহিনীর মত শোনাবে কিন্তু আসল সত্য হচ্ছে আমরা একটু একটু করে সেদিকেই এগোচ্ছি । বর্তমান সময়ে অনেক আর্থিক কর্মকান্ড এবং লেনদেন ক্যাশ টাকা ছাড়াই সম্পন্ন হচ্ছে এবং সেক্ষেত্রে অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান পরিষেবা সংস্থা এমনকি সরকারও এই পরিবর্তনকে প্রমোট করছে. যদিও ক্যাশলেস সোসাইটির ধারণাটি এখনো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রক্রিয়াধীন. তবে একটি ক্যাশলেস সমাজ কিভাবে বিকশিত হবে সেই সম্পর্কিত কিছু বৈশিষ্ট্য কিন্তু এখনই দেখা যাচ্ছে.



 মূলত চার ভাগে একটা সমাজ ক্যাশলেস হতে পারে. ক্রেডিট এবং ডেবিট কার্ড. কার্ডগুলো বর্তমানে ব্যবহৃত সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্যাশ বিকল্প গুলোর মধ্যে একটি. কিন্তু শুধুমাত্র কার্ড একশো পার্সেন্ট ক্যাশহীন সমাজ গঠন করার জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে. মোবাইল ডিভাইসগুলো এর পরিবর্তে অর্থ প্রদানের জন্য হতে পারে একটা প্রাথমিক হাতিয়ার. ইলেকট্রনিক পেমেন্ট অ্যাপস. জেল, পেপার এবং ভেনমোর মতো অ্যাপ গুলো ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি অর্থ প্রদানের জন্য যথেষ্ট সহায়ক. যাকে বলা হয় পিটুপি পেমেন্ট.



 মোবাইল পেমেন্ট সার্ভিস অ্যাপেল পে, গুগোল পে, উই চ্যাট পে বা হোয়াটসঅ্যাপ পে এর মত মোবাইল ওয়ালেট সহ এই পরিষেবাগুলো নিরাপদ এবং ক্যাশ মুক্ত অর্থ প্রদান করে। অনেক দেশে তারা এরই মধ্যে অর্থ প্রদানের জন্য জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

 ক্রিপ্টো কারেন্সি। ক্রিপ্টো কারেন্সি ইতিমধ্যে বিশ্বের আলোচনার শীর্ষে এটা অর্থ জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে অলরেডি এবং এটা প্রতিযোগিতার মুখে ফেলে দিয়েছে অন্য সকল সিস্টেমকে. যাইহোক এতে ঝুঁকি এবং কিছু নিয়ন্ত্রক বা বাধা রয়েছে যা বেশিরভাগ গ্রাহকের জন্য এখনো ঠিক অতটা সুবিধাজনক নয়. ক্রেডিট এবং ডেবিট কার্ড, পেপাল কিংবা অ্যাপেল পে এর মত পেমেন্ট পরিষেবা সারা বিশ্বেই এখন জনপ্রিয়. কার্ড পরিষেবা বর্তমানে ব্যবহৃত সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যমগুলোর মধ্যে একটি. একটু খেয়াল করলেই দেখবেন ক্রেডিট এবং ডেবিট কার্ড পরিষেবাকে আরো বিস্তৃত করতে কেনাকাটায় নানা ধরনের লোভনীয় অফার দেওয়া হচ্ছে. রেস্তোরাঁ থেকে শপিং মল. সবখানেই মেলে ব্যাপক ডিসকাউন্ট. এইসবই কিন্তু ক্যাশলেস সোসাইটিতে মানুষকে অভ্যস্ত বা উৎসাহিত করার একটা সরল উদ্যোগ.





 কিন্তু শুধুমাত্র এই কার্ড দিয়েই সমাজকে শতভাগ ক্যাশলেস করা যাবে না. প্রান্তিক মানুষদেরকে কিংবা ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষদেরকে এই সেবার সাথে খুব সহজেই সম্পৃক্ত করা যাবে না. সেক্ষেত্রে মোবাইল ডিভাইসগুলি অর্থ আদান প্রদানের জন্য একটা মোক্ষম প্রক্রিয়া হয়ে উঠতে যাচ্ছে. যেখানে শুধু ক্যাশলেস নয় বরং কার্ডলেস সোসাইটির ধারণাটাও কিন্তু চলে  আসছে. হচ্ছেও কিন্তু তাই. মোবাইল ফাইনাল সার্ভিস খুব দ্রুত আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে হয়ে উঠেছে খুব গুরুত্বপূর্ণ. বৈশিকভাবে বেশ কিছু দেশ এরই মধ্যে ক্যাশলেস সমাজ গঠনে খুব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে.



 সুইডেনের কথায় ধরা যাক. ব্যাংক নোট জারি করা প্রথম ইউরোপীয় এই দেশটি ক্যাশলেস প্রথম দেশগুলোর মধ্যে হতে যাচ্ছে অন্যতম. সুইডেনের প্রতি এক লক্ষ মানুষের জন্য এখন গড়ে গুনে গুনে মাত্র বত্রিশটি এটিএম বুথ চালু আছে. অপরদিকে শতকরা আটানব্বই ভাগ নাগরিকের কাছেই আছে ডেভিড অথবা ক্রেডিট কার্ড। কিন্তু তারপরেও সুইডেন মোবাইল পেমেন্টের পদ্ধতি ব্যবহার করা শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর মধ্যে একটি. ইউরোপীয় পেমেন্ট কাউন্সিলের মতে দু হাজার উনিশ সালে ক্যাশ অর্থ লেনদেনের পরিমাণ সুইডেনের জিডিপির মাত্র এক পার্সেন্ট ছিল এবং আগামী দু হাজার চব্বিশ সালের মধ্যেই সুইডেন শতভাগ ডিজিটাল অর্থনীতির পাশাপাশি বিশ্বের প্রথম cashless দেশ হওয়ারও প্রস্তুতি নিচ্ছে. অনেকেই ভাবছেন এতে লাভ কি? পকেট ভর্তি টাকা থাকলে সমস্যা কোথায়? 




প্রথমত cash টাকা বহন করতে গেলে আপনার কি ধরনের পরিস্থিতিতে করতে হয় সেই কথা না হয় কোলসাগরে আর নাই বললাম অপরাধীদের জন্য আপনার পকেট থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া যতটা সহজ ডিজিটাল ওয়ালেট থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া কিন্তু ততটাই কঠিন। এছাড়া জাল টাকা বলে কিন্তু তখন আর কিছুই থাকবে। আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে এ ধরনের প্রেমের পদ্ধতিতে প্রত্যেকটি লেনদেনের স্টেটমেন্ট থাকায় অপরাধমূলক কাজ করা খুব কঠিন কঠোর মতো মনে হচ্ছে তাই না আমেরিকা এবং জার্মানির গবেষকদের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে আমেরিকার মিসৌরিতে ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতি চালু করার পর থেকে এই অঞ্চলে অপরাধ কমেছে প্রায় নয় দশমিক আট শতাংশ।



 শুধু তাই নয় দু হাজার একুশ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত Master card economic আউট look রিপোর্ট বলছে বিশ্ব জুড়ে কোভিড মহামারী চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন দেশ বড় অঙ্কের রাজস্ব আদায় করতে পেরেছে আর এর পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেছে ডিজিটাল ফাইনান্সিয়াল অ্যাক্টিভিটিজ।


 এবার ফিরে আসা যাক বাংলাদেশের দিকে বড় অর্থনীতির দেশ চীন, ভারত কিংবা অন্যান্য ইউরোপীয় দেশে সম্ভব হলেও বাংলাদেশিকে ক্যাশলেস সোসাইটির সম্ভাবনা আছে খুব স্পষ্ট করে বললে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে ক্যাশলেস সোসাইটির ধারণা একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার ।কোভিড নাইনটিন মহামারীর কারণে লকডাউন এবং বিভিন্ন বিধি নিষেধের ফলে সমগ্র বিশ্বই যখন থেমে গিয়েছিল মানুষকে যখন ঘরের মধ্যেই আবদ্ধ থাকতে হয়েছিল দিনের পর দিন সেই সময়টাতে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ডিজিটাল পেমেন্টের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। উদ্যোক্তা বেড়েছে প্রচুর যার বেশিরভাগটাই অনলাইন বেজড।। বিকাশ, নগদ, রকেটে, উপায় বা সিটিটা , সেলফিন ইত্যাদি ডিজিটাল পেমেন্ট উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। তবে একটি কথা, ডিজিটাল পেমেন্টের অনেক সুবিধা থাকলেও নিরাপত্তার ঝুঁকিও আছে কিছু কিছু ক্ষেত্রে. বিশেষ করে বাংলাদেশে যেহেতু মোবাইল ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা জনপ্রিয় তাই এই বিশেষভাবে টার্গেট করেছে প্রতারক চক্র. মাঝে মাঝেই শোনা যায় গ্রাহককে ফাঁদে ফেলে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কথা. এছাড়াও বিভিন্নভাবে গ্রাহককে হয়রানির মুখেও ফেলে প্রতারকরা. কোম্পানিগুলো চেষ্টা করছে আরো বেশি নিরাপত্তা প্রদানের.



 যেমন উপায় সম্প্রতি এসে বেশ সাড়া ফেলে দিয়েছে. উপায় অ্যাপ যেমন নিরাপদ তেমনই উপায় অ্যাপ ব্যবহার করা সহজ এবং সুবিধাজনক এ ছাড়াও অ্যাপটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যা আপনাকে দেবে দুর্দান্ত এক অভিজ্ঞতা ব্যক্তিগত ওয়ালেটের মতোই ব্যবহার করা যাবে উপায়ে কারণ ক্যাশিং, ক্যাশ আউট, সেন মানি, মোবাইল রিচার্জ বিল পেমেন্ট সহ অন্যান্য সবকিছুই এখন করা যাচ্ছে উপায় অ্যাপ থেকে কোনো চার্জ ছাড়াই। আর সারা দেশে ফ্রি তে টাকা পাঠানোর সুবিধা তো আছেই অ্যাপ কিংবা ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও কোন অসুবিধা নেই মোবাইলে স্টার টু সিক্স এইট হ্যাশ ডায়াল করলেও উপায় ব্যবহার করা যাবে স্বাচ্ছন্দে । সবকিছুই এত সহজেই যখন উপায় করা যায় তখন অন্য কোথাও কেন?  জীবন হবে আরো ফার্স্ট আরো স্মার্ট. আর উপায় অ্যাকাউন্ট খুললেই পাচ্ছেন সর্বোচ্চ পঞ্চান্ন টাকা পর্যন্ত ক্যাশ রিওয়ার্ড. একাউন্ট খুলে ফেলুন নিজে নিজেই. থাকুন. অন্যদের থেকে এক কদম এগিয়ে।  




 


 বাংলাদেশে কোভিড পরবর্তী সময়ের পরিসংখ্যানেও কিন্তু সেই চিত্র ফুটে উঠেছে. ডিজিটাল লেনদেন দু হাজার বিশ সালের মার্চ মাসে যেখানে পনেরো শতাংশ ছিল সেখানে দু হাজার একুশের জুনে দ্বিগুণেরও বেশি. তিরিশ থেকে পঁয়ত্রিশ শতাংশে উন্নত হয়েছে. যেখানে কার্ডের ব্যবহার এক সময় দুশো পঁচিশ কোটি টাকা থেকে বারোশো পঞ্চাশ কোটি টাকা অর্থাৎ পাঁচ গুণ বেড়েছে.




 শুধু তাই নয় বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের মোবাইল আর্থিক সেবার পরিসংখ্যান বলছে. দুহাজার-বাইশ সালের এপ্রিলে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহকের তিরানব্বই-হাজার-বত্রিশ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে. যা গত মার্চ মাসের তুলনায় বেড়েছে পনেরো হাজার সাতশো তিরিশ কোটি টাকা. বিশেষ করে মোবাইল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিস বা এমএফএস দেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে. শহর কিংবা গ্রাম. মুহূর্তের মধ্যেই দেশের যেকোনো স্থানে টাকা পাঠানো যাচ্ছে এই পদ্ধতিতে. শুধু একটা বিষয় মোবাইল ফিনান্সিয়াল কোম্পানিগুলোকে চার্জ কমাতে হবে আরো বেশি. তাহলেই এই পরিসংখ্যান অনেক গুণ বেড়ে যাবে.



 কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে দেশে বর্তমানে বিকাশ রকেট উপায়ে মাইকেশ, সিওর ক্যাশ বিভিন্ন নামে তেরোটি ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে. দু হাজার বাইশ সালের মার্চ শেষে মোবাইল ব্যাংকিংএ নিবন্ধিত গ্রাহক সংখ্যা এগারো কোটি উননব্বই লাখেরও বেশি.


 এরমধ্যে শহরে গ্রাহক আছে পাঁচ কোটি পঁয়ত্রিশ লাখ এবং গ্রামে রয়েছে পাঁচ কোটি তিয়াত্তর লাখ এছাড়া নিবন্ধিতদের মধ্যে পুরুষ ছয় কোটি একচল্লিশ লাখ এবং নারী গ্রাহক আছে চার কোটি তেষট্টি লাখ । বোঝাই যাচ্ছে মোবাইল ফাইনান্সিয়াল সার্ভিসের আওতায় শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ জনপদের প্রান্তিক নারী পুরুষ সবাই সমানভাবে সুবিধা আদায় করতে পারছে. একথা বলতেই হবে যে বাংলাদেশ সরকারও এই অগ্রযাত্রাকে নানাভাবে বিকশিত করতে সাহায্য করছে. সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে বিশেষ করে সরকারি সব ধরনের ভাতা উপবৃত্তি ও প্রণোদনা মোবাইল আর্থিক সেবা খাতকে ব্যবহার করছে । অতএব বলাই যায় মোবাইল ব্যাংকিং এর ব্যবহার তাই ধীরে ধীরে আরো বিস্তৃত হচ্ছে এবং আরো হবে শুধু ব্যক্তিগত আদান প্রদানই নয় গত এপ্রিল মাসেই মোবাইল ফাইনাল সার্ভিসের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বেতন ভাতা বিতরণ করা হয়েছে দুই হাজার আটশো আটাত্তর কোটি । বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল সহ বিভিন্ন সেবার বিল পরিশোধ করা হয়েছে দু হাজার ছয়শো আটষট্টি কোটি টাকা. শেষ করতে চলেছি আজকে বাংলাদেশের জন্য ক্যাশলেস ইকোনমি এখন কিন্তু একটা সময়ের ব্যাপার মাত্র. এখনই মানুষ ফোন থেকে ফোনে টাকা পাঠাচ্ছে খুব সহজেই. একজন সাধারণ কৃষক তার ফসল বিক্রি করে মোবাইলে টাকা জমা রাখবে. আর যেই টাকাটা সে একটা দোকানে গিয়ে খরচ করবে সেটাও মোবাইলের মাধ্যমেই পেমেন্ট করবে. তখন হাতে আর আর ক্যাশ রাখার প্রয়োজনই হবে না. কষ্ট করে আয় করার টাকাটা তখন চুরি কিংবা দুর্ঘটনাবশত নষ্ট হবে না. ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপায়ণে যা এক বিরাট ভূমিকা রাখবে. 



মন্তব্যসমূহ

Blog Posts

ন্যানো টেকনোলজি কিভাবে কাজ করে ?

  যদি বলি আপনার চোখ দেখতে পারে না এমন গভীর ও প্রায় অনাবিষ্কৃত একটা পৃথিবী আছে. হয়তো বলতে পারেন যে মহাবিশ্বে কত গ্রহই তো আছে? সব খোঁজ কি আমরা পেয়েছি? কিন্তু যদি বলি আমাদের এই পৃথিবীর ভেতরে আরো একটি জগত আছে এবং যে জগৎ ছড়িয়ে আছে আমাদের গোটা বিশ্ব জুড়ে. এইবার হয়তো নড়েচড়ে বসবেন. হ্যাঁ আমাদের চোখের সামনেই রয়েছে এমন এক রাজ্য যে আমরা খালি চোখে দেখতে পাই না. এটাকে বলা হয় অণুবীক্ষণিক বিশ্ব. এই অণুবীক্ষণই বিশ্ব প্রচন্ড আকর্ষণীয় ও চমকে দেওয়ার মতো. কি কি ঘটছে এখানে তা আমার আপনার কল্পনারও বাইরে. এটা যেন কোনো ভিন গ্রহ বাসীদের রাজ্য. সম্ভাবনার দুয়ার খুলে রাখা আছে এই অণুবীক্ষণিক বা nano বিশ্বে.  ন্যানো কি ন্যানো হলো পরিমাপের একক। এক মিটারের একশো কোটি ভাগের এক ভাগ হচ্ছে এক ন্যানো। আর ন্যানো টেকনোলজি হলো বিজ্ঞানের এই অতি ক্ষুদ্র স্তরে একটা কিছু তৈরী করা আসলে শুধু তৈরি করা না. ন্যানোমিটার স্কেলে পরিবর্তন, পরিবর্তন, ধ্বংস বা সৃষ্টি সম্পর্কিত টেকনোলজিকেই ন্যানো টেকনোলজি বলে. অর্থাৎ ন্যানোমিটার স্কেলে পরিমিত যেকোনো বিষয়ে বহুমাত্রিক টেকনোলজিকে ন্যানো প্রযুক্তি বা ন্যানো টেকনোলজি বলা যে...

লুসিড ড্রিম কাকে বলে ? লুসিড ড্রিম কিভাবে দেখতে হয় ?

 স্বপ্ন নিয়ন্ত্রণ করার কথা ভেবেছেন কখনো? নিশ্চয়ই ভাবছেন জেগে জেগে দিবাস্বপ্ন দেখার কথা বলছি না তো? কিন্তু না, রীতিমতো ঘুমিয়ে দেখা স্বপ্নও নিয়ন্ত্রণের কথাই বলছি, আপনার ইচ্ছামত স্বপ্ন দেখবেন। ইচ্ছা মতো নিয়ন্ত্রণ করবেন। আর পছন্দ না হলে অর্থাৎ দুঃস্বপ্ন দেখা শুরু করলে সেটার গতিপথ পাল্টে দেবেন একেবারে নিমেষে। আধুনিক বিজ্ঞানের ভাষায় এটা খুবই সম্ভব একে বলা হয় লুসিভ ড্রিম। লুসিড ড্রিমিং এর সাথে আপনারা অনেকেই হয়তো পরিচিত আছেন। অনেকে পরিচিত থাকলেও হয়তো এটা কেন হচ্ছে বা কিভাবে হচ্ছে তা নিয়ে বেশ দ্বিধা দ্বন্দ্বে আছে এসবেরই উত্তর মিলবে আজকের এই লিখাতে।   লুসিড ড্রিম অর্থ কি? সহজ বাংলায় অনুবাদ করতে গেলে বলা যায় লুসিড অর্থ পরিষ্কার. অর্থাৎ স্পষ্ট আর dream মানে তো আমরা সবাই জানি যে স্বপ্ন। লুসিড ডিম হলো সেই স্বপ্ন যে আমাদের স্পষ্ট ভাবে মনে থাকে এবং স্বপ্ন চলাকালীন সময়েও আমরা এ উপলব্ধি করতে পারি যে এটি বাস্তব নয় বরং এটি স্বপ্ন কিন্তু শুধুমাত্র আক্ষরিক অর্থ দিয়ে লুসিড ড্রিম ব্যাখ্যা করলে ভুল হবে একটু অন্যভাবে বলা যাক ।  মনে করুন স্বপ্নে আপনি কি পাহাড়ের উপর থেকে দ্রুত গ...

প্রযুক্তি দুনিয়াতে পর্দার আড়ালে থেকে যাওয়া এক প্রতিভাবান এর গল্প ।

পর্দার আড়ালে একা খেলে যাচ্ছেন একজন. কামাচ্ছেন বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার. অথচ তাকে চেনে খুব কম সংখ্যক মানুষ. আইটি জগতে ইলন মাস্ক, জেফ বোজোস বা বিট গ্রেটসের সাথে তার নামও সমান তালে চলার কথা ছিল. কিন্তু বিহাইন্ড দা সিনে একা গোল করে যাচ্ছেন তিনি. নাম ড্রোন ইয়াং পিং ড্রোন ইয়াং পিং নামটি মোবাইল ফোনের জগতে খুবই কম মানুষের শোনা. তবে তার নাম অজানা থাকলেও তার কোম্পানি বিবিকে ফোন গিগদের মধ্যে বেশ পরিচিত. ওয়ান প্লাস, রিয়েলমি, অপো, ভিভো এবং আইকিউ. এই পাঁচটি জনপ্রিয় মোবাইল ব্র্যান্ডের একক মালিক ডোন ইয়াং পিন.  এই ব্র্যান্ড গুলো তার কোম্পানিতে পরিণত করেছে বর্তমানের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী কোম্পানিতে. অ্যাপেল , শাওমি বা স্যামসাং যারা মোবাইল ফোনের জগতে বর্তমানে সবচেয়ে বড় ব্র্যান্ড তাদেরকেও পেছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে বিবিকে কোম্পানি। কিন্তু এত সফলতার সত্ত্বেও বেশিরভাগ মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী এমনকি ফোন গিগরাও তার সম্পর্কে বলতে গেলে তেমন কিছুই জানে না. এলেন মাস্ক, স্টিভ জবস বা জ্যাকমা, যারা কিনা টেকনোলজির জগতে খুবই পরিচিত তাদের সম্পর্কে অনলাইনে  অগণিত তথ্য রয়েছে। কিন্তু ডন ইয়ং পিং এর...

সারোগেসি কি ?

সারোগেসির মাধ্যমে সন্তান ধারণ করা নিয়ে এখনো বহু বিতর্ক আছে. শুধু আমাদের দেশে নয়, সারা বিশ্বেই এই পদ্ধতি নিয়ে তর্ক বিতর্কের শেষ নেই.  এটার আইনি প্রক্রিয়াও জটিল। কারণ এটি একেক রাষ্ট্রে. শারোগেসি আইন একেক রকম. নারী মা হবেন প্রাকৃতিক নিয়ম সমাজ এমনটাই দেখতে অভ্যস্ত. কিন্তু কোন কারণে মা হবার ক্ষমতা না থাকলে তাকে পরিবার ও আশপাশ থেকে যে পরিমাণ কটু কথা শুনতে হয় তা সাধারণ মানুষের ধারণারও বাইরে.   সরোগেসি বিষয়টি কি? চিকিৎসা শাস্ত্রের অগ্রগতি এমন মায়েদের সামনে এনেছে যারা গর্ভ ভাড়া দিয়ে নিজে বাঁচেন অন্যদের মাতৃ সুখ দেন । একজন নারীর গর্ভে অন্য দম্পতির সন্তান ধারণের পদ্ধতিকে সারোগেসি বলা হয়.সারোগেসির এই  পদ্ধতি বেশ দীর্ঘকালীন. আইভিএফ পদ্ধতিতে স্ত্রী ও পুরুষের ডিম্বাণু শুক্রাণু দেহের বাইরে নিষিক্ত করে তা নারীর গর্ভাশয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়. কিন্তু এখানেও জটিলতা. কেন? সে বিষয়ে পরে আসছি. বাংলাদেশ সহ বহু দেশই এই সারোগেসি একরকম ভাবে নিষিদ্ধ. সুতরাং বিষয় টি  সংবেদনশীল. এমনকি বেশিরভাগ ধর্মেও রয়েছে নিষেধাজ্ঞা. চলুন কথা বলি সারোগেসি মাদার সম্পর্কে। আইভিএফ বা টেস্ট টি...

পেগাসাস স্পাইওয়ার কি ?

গত কিছুদিন ধরেই বিশ্ব রাজনীতি এবং প্রযুক্তি জগৎ এই দুই জায়গাতেই আলোচনার বিষয়বস্তু একটাই। সেটা হচ্ছে পেগাসাস স্পাইওয়ার. বিশ্বজুড়ে নানান দেশের মানবাধিকার কর্মী সাংবাদিক আইনজীবী ও রাজনীতিকদের ফোনের নজরদারি চালানোর ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর ইজরায়েলের বেসরকারি কোম্পানি nso গ্রুপের তৈরি করা এই সফটওয়্যার নিয়ে এখন তুমুল তরজা চলছে দুনিয়া জুড়ে । চলুন কথা বলি দুনিয়া ওলট পালট করে দেওয়া স্পাইওয়ার সম্পর্কে । পেগাসাস মূলত একটি নজরদারি বিষয়ক সফটওয়্যার । ইজরাইলের সংস্থা এনএসও ই সফটওয়্যার তৈরি করেছে। যা দিয়ে যে কারো মোবাইলে আড়ি পাতা যায়. এটা কিন্তু সাধারণ কোন নজরদারি নয়. আগে ফোনে আড়ি পেতে শুধু দুই প্রান্তের কথাবার্তা শোনা যেত. আর সফটওয়্যারের মাধ্যমে গোটা ফোনটারই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় হ্যাকাররা. ফোনের কথাবার্তা WhatsApp এর চ্যাট, ছবি, ফোনে কি কি তথ্য আছে সবই জানা যায়. আরো ভয়ানক ব্যবহার হচ্ছে মোবাইল যিনি ব্যবহার করছেন তিনি জানতেই পারেন না যে তার ফোন হ্যাক করা হয়েছে. সমস্ত তথ্য পাচার হয়ে যাচ্ছে নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীর কাছে. কিন্তু কারো ফোনে পেগাসাস software install করতে হলে তো সেই ফোনটাকে...

রেট রেস কি ?

      আপনি ঠিক কখন ইঁদুর দৌড়ে যোগ দিয়েছেন এটা হিসাব করা কঠিন. কিন্তু নিশ্চিত থাকুন আপনি এই দৌড়ে আছেন. ক্লাস eight এ পড়ার সময়ের কথা মনে আছে? সামনে বৃত্তি পরীক্ষা পাটিগণিত বীজগণিতের অংক প্যাঁচ লাগাচ্ছে বিজ্ঞানের জটিল সব সূত্র ভোরে ওঠে প্রাইভেট টিউটরের বাসায় ছোটা রাত জেগে পড়াশোনা. বয়সের তুলনায় অনেক বেশি কর্ম ব্যস্ত একটা সময় নিশ্চয়ই কাটিয়েছেন তখন? আমরা সবাই কাটিয়েছি. সেই সময় নিশ্চয়ই অভিভাবক বলেছে এই তো আর কটা দিন. বৃত্তি পরীক্ষা শেষ হলেই জীবন শান্তি আর শান্তি. জীবনের নানা এপিসোডে আপনি এই কথাগুলো শুনেছেন অনেকবার অনেকের মুখে. এসএসসি পরীক্ষাটা দাও, কলেজে উঠলেই তো স্বাধীনতা. একবার ভার্সেটিতে উঠতে পারলেই জীবন হবে আনন্দে ভরপুর. একবার জব লাইফে ঢোকো. নিজের টাকায় আয়েশ করার মজাই অন্যরকম. শুনেছেন না এসব?  বয়স ঘড়ির ত্রিশের প্রান্তে দাঁড়িয়ে হিসেবগুলো মেলাতে পারেন কি? কি মনে হয়? এই এপিসোডগুলোর কোনোটা পার হবার সময় জীবন খানিকটা হলেও সহজ হয়েছে? সুন্দর হয়েছে? হয়নি, হবেও না, মিথ্যা একটা মরীচিকার আশায় আমরা ছুটেছি ঠিকই আমাদের ছোটানো হয়েছে, কিন্তু হিসাব মেলেনি ছুটত...

ম্যান্ডেলা ইফেক্ট কেনো হয়?

   আচ্ছা নিজের স্মৃতি শক্তির উপর কতটা বিশ্বাস আছে আপনার? আচ্ছা বাদ দিয়ে আপনার কথা. গণমানুষের স্মৃতিশক্তির উপর নিশ্চয়ই বিশ্বাস আছে অনেকটা. না না. ধর্মীয় কোন বিশ্বাস না. এই গ্রহে ঘটে যাওয়া এমন সব ঘটনা. যা সবাই জানে. তা কি রকম মিথ্যা? এক দশক আগেও পৃথিবীর প্রায় এক তৃতীয়াংশ মানুষ জানতো যে অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর নাম সিডনি. আসলে কি তাই? গত এক দশকে এই ধারণা মোটামুটি পরিবর্তন হয়ে মানুষ জেনেছে অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর নাম ক্যানভেরা. এখনো এই ভুল হরমামেশাই করে যাচ্ছে মানুষ. বিশ্বাস না হলে আশেপাশের কিছু মানুষকে জিজ্ঞেস করে দেখতে পারে. প্রশ্ন করতে পারেন ম্যান্ডেলার নাম কেন? এই ফ্ললস মেমোরি সিন্ড্রোমকে ম্যান্ডেল এফেক্ট নামকরণ করেছেন প্যারানরমাল কনসালটেন্ট ফীয়না ব্রুম তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে । দু হাজার দশ সালের এক আলোচনা সভায় উঠে আসে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতা উনিশশো আশি সালে কারা জানে মারা যাওয়ার প্রসঙ্গ । অনেকেই সেদিন বলেছিল, টিভিতে এই নেতার শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা দেখার অভিজ্ঞতার কথা. ম্যান্ডেলার স্ত্রীর হৃদয় নিন্দারও ভাষণের কথা উল্লেখ করেছিলেন কেউ কেউ. এমনক...

কিভাবে লিমিটলেস হওয়া যায় ? লিমিটলেস আসলে কিভাবে কাজ করে ?

এনজিটিপিল,  এটা এমন এক পিল যা আপনাকে করবে আল্ট্রা ফোকাসড. দেবে দুর্দান্ত মোটিভেশন. বের করে আনবে আপনার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা. আপনি হয়ে উঠবেন আনস্টপল. বাস্তবতা পাবে প্রতিটি স্বপ্ন. কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এমন কোন পিলের অস্তিত্ব নেই. ফলাফল আপনি আটকে আছেন একটি খাদে. সারাক্ষণ ক্লান্তি নিয়ে হয়ে উঠছেন আনপ্রোডাক্টিভ. নষ্ট হচ্ছে ক্রিয়েটিভিটি. সময় গড়িয়ে যায়. ঋতুর পরিবর্তন ঘটে. কিন্তু আপনি ডুবে থাকেন এক হতাশায় যাতে আপনি দিন দিন পিছিয়ে পরছেন. আপনি যা যা এতদিন অর্জন করবেন ভেবেছিলেন তা কিছুই আপনি অর্জন করতে পারেননি । নিজেকে সান্তনা দিচ্ছেন আগামীকাল হবে ভিন্ন। কিন্তু তা কখনোই হয়ে ওঠে না এখন যদি আপনাকে বলি কোনো জাদুকরী পিলের সাহায্যে নয় বাস্তবিক লিমিটলেস হয়ে ওঠা সম্ভব।  একদম প্রমাণিত পদ্ধতিতে যা একেবারে ফ্রিতে ব্যবহার করা সম্ভব.  তো আছেন তো শেষ পর্যন্ত ?  Limit less হওয়ার যাত্রায় ।  স্টেপ ওয়ান : এনার্জি--  মাত্র কয়েক মাস আগে আমি নিজেও আপনার মতো কর্মশক্তিহীন অনুভব করতাম. সামান্য কাজেই আসতো অবসন্নতা, গেয়ে ধরতো ক্লান্তি একদিন হঠাৎ টের পেলাম আমি নিজেই নিজের energy নি...

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি ? আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কতটা ভযঙ্কর হতে পারে আগামী দিনের জন্য ?

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বহুল চর্চিত এবং ব্যবহৃত একটি শব্দ. মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তা শক্তিকে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে স্থাপন করা টেকনোলজিটাই হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স । এর মাধ্যমে কোন যন্ত্র নির্দিষ্ট প্রোগ্রামের আওতাধীন কিছু কাজ নিজে থেকেই করতে পারে নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।  টার্মিনেচার টাইপের কোনো সাইফাই সিনেমার গুরু বন্ধুর সংলাপ নয়।  A.I নিয়ে ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন পৃথিবীর সেরা বিজ্ঞানীদের একজন স্টিফেন হকিং আমার ভয় হয় তারা সত্যিই হয়তো একদিন মানুষকে হটিয়ে নিয়ন্ত্রকের আসনে বসে যাবে। বেঁচে থাকতেই BBC কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স তথা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে এভাবেই সবাইকে সতর্ক করেছিলেন তিনি। হকিংসের এই ভয় এখনো ভবিষ্যতের বিষয় হলেও অমূলক নয় মোটেও যন্ত্রকে বুদ্ধিমান করে তার আশীর্বাদ অনেক আছে। কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে সেই যন্ত্রই পৃথিবীর দখল নিতে চলেছে কিনা স্বয়ং সম্পূর্ণ হয়ে মানুষকেই বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একদিন অপদার্থ তে পরিণত করবে কিনা সেই প্রশ্নটা উঠছে বারবার।  যুক্তরাষ্ট্রে...

মিনিমালিজম কি ? কিভাবে মিনিমালিস্ট হওয়া যায় ?

মিনিমামলিজম এই ধারণাটি বিগত কয়েক বছরে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এবং এর যথেষ্ট কারণও আছে. এই পুরো ব্যাপারটা কি? সেটাকে সঙ্গায়িত করা যায় এভাবে যে,  মিনিমালিজম হচ্ছে যা আমাদের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সেগুলোকে ধারণ করা এবং বাকি সব কিছু যা আমাদের দৃষ্টিকে অন্যদিকে সরিয়ে নেয় সেগুলোকে ইচ্ছাকৃতভাবে ত্যাগ করা।   অর্থাৎ কোন কোন বিষয়ে জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং কোন জিনিসগুলোকে আমাদের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান সেই সম্পর্কে একটা পরিষ্কার ধারণা থাকা এবং বাকি সব ত্যাগ  করে দেয়. সেগুলো নিয়েই জীবন ধারণ করা. কিন্তু এমন সংজ্ঞায়ন সত্ত্বেও minimalism কোন ধরাবাধা জীবন ব্যবস্থা নয় বা মিনিমালিস্ট হতে হলে কোন নির্দিষ্ট মানদণ্ড মেনে চলতে হবে এরকমটিও কিন্তু নয়. মিনিমালিস্ট লাইফ স্টাইল এমন একটি বিষয় যা প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য স্বতন্ত্র। এক্ষেত্রে মূল বিষয়টি হচ্ছে সত্যিকার অর্থে কোন কোন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় সেই সম্পর্কে একটা পরিষ্কার ধারণা নিয়ে সেই অনুযায়ী জীবন ধারণ করা. প্রিয় দর্শক চলুন দেখি মিনিমালিজম কিভাবে আপনার জীবনধারা বদলে দিতে পারে।  মিনিমালিস্ট জীবন অবশ...