সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

area-51 লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পেগাসাস স্পাইওয়ার কি ?

গত কিছুদিন ধরেই বিশ্ব রাজনীতি এবং প্রযুক্তি জগৎ এই দুই জায়গাতেই আলোচনার বিষয়বস্তু একটাই। সেটা হচ্ছে পেগাসাস স্পাইওয়ার. বিশ্বজুড়ে নানান দেশের মানবাধিকার কর্মী সাংবাদিক আইনজীবী ও রাজনীতিকদের ফোনের নজরদারি চালানোর ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর ইজরায়েলের বেসরকারি কোম্পানি nso গ্রুপের তৈরি করা এই সফটওয়্যার নিয়ে এখন তুমুল তরজা চলছে দুনিয়া জুড়ে । চলুন কথা বলি দুনিয়া ওলট পালট করে দেওয়া স্পাইওয়ার সম্পর্কে । পেগাসাস মূলত একটি নজরদারি বিষয়ক সফটওয়্যার । ইজরাইলের সংস্থা এনএসও ই সফটওয়্যার তৈরি করেছে। যা দিয়ে যে কারো মোবাইলে আড়ি পাতা যায়. এটা কিন্তু সাধারণ কোন নজরদারি নয়. আগে ফোনে আড়ি পেতে শুধু দুই প্রান্তের কথাবার্তা শোনা যেত. আর সফটওয়্যারের মাধ্যমে গোটা ফোনটারই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় হ্যাকাররা. ফোনের কথাবার্তা WhatsApp এর চ্যাট, ছবি, ফোনে কি কি তথ্য আছে সবই জানা যায়. আরো ভয়ানক ব্যবহার হচ্ছে মোবাইল যিনি ব্যবহার করছেন তিনি জানতেই পারেন না যে তার ফোন হ্যাক করা হয়েছে. সমস্ত তথ্য পাচার হয়ে যাচ্ছে নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীর কাছে. কিন্তু কারো ফোনে পেগাসাস software install করতে হলে তো সেই ফোনটাকে...

কিভাবে লিমিটলেস হওয়া যায় ? লিমিটলেস আসলে কিভাবে কাজ করে ?

এনজিটিপিল,  এটা এমন এক পিল যা আপনাকে করবে আল্ট্রা ফোকাসড. দেবে দুর্দান্ত মোটিভেশন. বের করে আনবে আপনার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা. আপনি হয়ে উঠবেন আনস্টপল. বাস্তবতা পাবে প্রতিটি স্বপ্ন. কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এমন কোন পিলের অস্তিত্ব নেই. ফলাফল আপনি আটকে আছেন একটি খাদে. সারাক্ষণ ক্লান্তি নিয়ে হয়ে উঠছেন আনপ্রোডাক্টিভ. নষ্ট হচ্ছে ক্রিয়েটিভিটি. সময় গড়িয়ে যায়. ঋতুর পরিবর্তন ঘটে. কিন্তু আপনি ডুবে থাকেন এক হতাশায় যাতে আপনি দিন দিন পিছিয়ে পরছেন. আপনি যা যা এতদিন অর্জন করবেন ভেবেছিলেন তা কিছুই আপনি অর্জন করতে পারেননি । নিজেকে সান্তনা দিচ্ছেন আগামীকাল হবে ভিন্ন। কিন্তু তা কখনোই হয়ে ওঠে না এখন যদি আপনাকে বলি কোনো জাদুকরী পিলের সাহায্যে নয় বাস্তবিক লিমিটলেস হয়ে ওঠা সম্ভব।  একদম প্রমাণিত পদ্ধতিতে যা একেবারে ফ্রিতে ব্যবহার করা সম্ভব.  তো আছেন তো শেষ পর্যন্ত ?  Limit less হওয়ার যাত্রায় ।  স্টেপ ওয়ান : এনার্জি--  মাত্র কয়েক মাস আগে আমি নিজেও আপনার মতো কর্মশক্তিহীন অনুভব করতাম. সামান্য কাজেই আসতো অবসন্নতা, গেয়ে ধরতো ক্লান্তি একদিন হঠাৎ টের পেলাম আমি নিজেই নিজের energy নি...

শিক্ষা শ্রম কি ? কিভাবে বের হতে পারা যায় এই অসুস্থ জগৎ থেকে ?

     এইতো কয়েকদিন আগের কথা. বিশ্বসেরা all rounder সাকিব আল হাসান সাংবাদিক উৎপল সুটের কাছে একটা ইন্টারভিউ দিয়েছিলেন. পঞ্চপাণ্ডব  সহ আরো কিছু বিষয় সোজাসাপ্টা মন্তব্যের কারণে সেই সাক্ষাৎকার নিয়ে বেশ বিতর্ক হলো কিন্তু ক্রিকেট ও আলোচনা বা বিতর্কিত আলাপের বাইরেও সাকিব সেই সাক্ষাৎকারে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা কথা বলেছিলেন যেটা নিয়ে বিন্দুমাত্র আলোচনা হয়নি । পরিবার আমেরিকাতেই স্থায়ী হবে এমন আভাস দিয়ে সাকিব বলেছিলেন বাংলাদেশে থাকার সময় স্কুলে যাওয়ার আগে আমার বড় মেয়ে অ্যালাইনা ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিন কাঁদতো. অথচ আমেরিকায় এক ডাক দেওয়ার আগেই নিজে উঠে চোখ বন্ধ করে নিজে ব্রাশ করে স্কুলের জন্য রেডি হয়ে যায়. এর থেকে ভালো আমার জন্য আর কি হতে পারে?  সাকিব কেন নিজেকে একমাত্র পাণ্ডব বলে দাবি করেছেন সাকিবের বক্তব্যে অন্যান্য সিনিয়র প্লেয়ারদের অসম্মান করা হয়েছে কিনা এসবের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু কিন্তু এই কয়েকটা লাইনে লুকিয়ে আছে । স্কুল জায়গাটা কেন পাঁচ থেকে ছয় বছর বয়সের একটা বাচ্চা মেয়ের কাছে বিভীষিকার নাম হয়ে উঠবে.  এই গল্পটা শুধু এলাইনার নয়. এ...

মানসিকতার কয় টা দিক ? Personalities theory কী ?

     আপনি মানুষের সামনে খুব হাসিখুশি থাকেন বলেই মানুষ আপনাকে ভেবে নিল. আহ মানুষটা কি ভিল দরিয়া? মানুষটা খুব মিশুক. এক্সট্রোভার্ট।   কিন্তু আপনি আসলে ভেতরে ভেতরে উপলব্ধি করেন মানুষ আপনাকে যা ভাবে তা আপনি নন মানুষের সামনে হয়তো কোনোরকমে মানিয়ে নেন।  কিন্তু এত হাঙ্গামা আসলে আপনার পছন্দ নয় । আপনি আসলে নিজের ভুবনে থাকতেই বেশি পছন্দ করেন নিজস্ব সার্কেলে । কিন্তু এমন কিন্তু এমনটা কেন? কিছু মানুষের ভেতরে দৈত সত্তা খুব বেশি কাজ করে. মনের ভেতর আর বাইরের উপস্থাপনার একটা দ্বন্দ্ব চলতেই থাকে. মানুষ আপনাকে যতটা introvert ভাবে মনে করে. কি ভাব? আপনি তেমন নাও হতে পারেন । আপনিও জোৎস্ই জায়গা পেলে নিজেকে উজাড় করে দিয়ে এক্সপ্রেস করতে পারেন । এই যে দইতো একটা বৈচিত্র নিয়ে মানুষ বেঁচে আছে এটাকে তাহলে কি বলা যাবে? এই ধরণের মানুষগুলো আসলে এক্সট্রোভার্ট  আবার পুরোপুরি ইন্ট্রোভার্ট ও না ।  তারা মাঝামাঝি একটা অবস্থানে থাকে. এই মানুষগুলোকে বলা হয় হ্যান্ডবিভার. মজার ব্যাপার হল প্রচলিত একটা ধারণা আছে যে এক্সট্রোভার্টরা সেলস কমিউনিকেশানে খুব ভালো হয়. কিন্তু গবেষণায়...

বিটকয়েন কি ? বিটকয়েন কিভাবে কাজ করে ?

   বেশ কিছুদিন হলো বাংলাদেশ সরকার থেকে ধরপাকড় চলছে বিটকয়েন মাইনারদের ওপর । আসলে সেখানে কি চলছে?  যত গভীরে পড়ালেখা করলাম বিটকয়েন নিয়ে তত বেশি আগ্রহ জন্মাতে থাকলো. যেমন ধরুন বিটকয়েনের সৃষ্টি এক ছদ্মবেশী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীদ্বারা যাদের মূল পরিচয় এখনো অজ্ঞাতই রয়ে গেছে. নিজেদের পরিচয় দেয় তাঁরা সাতোশি ন্যাকামোতো নামে. সাতোশি ন্যাকামোতো কে আড়ালে রেখেই পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে বিটকয়ন. কিন্তু সাতোশি ন্যাকামোতো মাত্র একটা অংশ এই অবিশ্বাস্য খেলার মাঠে. সত্যি বলতে এটা একটা হোয়াইট ওয়ার্ল্ড. কি চলছে সেখানে? তা আমাদের মাথায় ঢোকানো বেশ কষ্ট. আর এই জন্যই মনে হলো এটাই সঠিক সময়ে  দর্শকদের কাছে কিছুটা সহজ ভাষায় ক্রিপ্টোকারেন্সি ও বিটকয়েন কি কিভাবে কাজ করে বা ভবিষ্যতে কি হবে তা তুলে ধরার।    বিটকয়েন একটা গল্প. আমাদের প্রভাবিত করার গল্প. ইতিহাস ঘাতলে দেখা যায় আমরা মুদ্রা এবং অর্থ ব্যবস্থার যে রূপ আজকে দেখি. তা কিন্তু এমনটা ছিল না. একটা সময় ছিল. যখন মুদ্রার বদলে চালু ছিল বিনিময় প্রথা। অর্থাৎ কোন বস্তুর বদলে অন্য বস্তু বিনিময...

চীন কিভাবে সুপার পাওয়ার হয়ে উঠল ? চীন কিভাবে বিশ্ব অর্থনীতির জায়ান্ট হল ?

   সালটা উনিশশো আটানব্বই. বিশ্ব বানিজ্য সংস্থার সদস্য পদের জন্য আবেদন করে চীন।  তাদের জন্য বিষয়টা ঠিক এতটা সহজ ছিল না।  কারণ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ তখন চীনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়. এর অবশ্য কারণও ছিল. চীনা কোম্পানিগুলো বিখ্যাত ব্র্যান্ডের রিপ্লিকা ছাড়া আর কিছুই নয় বা নকলপূর্ণ বানায় এই বদনামে ছেয়ে গেছে তখন চারিদিক. চীন সরকার এসব কোম্পানির বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা নেয় না.  সেই সময় চীনের পক্ষে দাঁড়িয়ে সেই দেশগুলোর রাগ ভাঙিয়েছিলেন তৎকালীন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিটন কিন্তু ক্লিটন যদি জানতেন বছর বিশেকের মধ্যেই বৈশিক অর্থনীতিতে তার দেশকে পেছনে ফেলে সুপার জায়ান্ট হবার দূরে এগিয়ে যাবে চীন। এই কাজটা হয়তো তিনি করতেন না কখনো. সেই সময় আমেরিকার অর্থনীতি ছিল নয় ট্রিলিয়ন ডলারের. আর চীনের অর্থনীতির মূল্যবান ছিল মাত্র এক ট্রিলিয়ন ডলার. নয় গুণ পিছিয়ে থাকা একটা দেশের সঙ্গে কোন প্রতিযোগিতাই নেই. এমনটাই হয়তো ভেবেছিলেন ক্লিটন। কিন্তু সেটা যে কত বড় ভুল ধারণা ছিল. সেটা এখন আমেরিকানরা জানে হাড়ে হাড়ে. ছোট্ট একটা ডেটা দিয়ে শুরু করা যাক. দু হাজার বিশ সা...

রেট রেস কি ?

      আপনি ঠিক কখন ইঁদুর দৌড়ে যোগ দিয়েছেন এটা হিসাব করা কঠিন. কিন্তু নিশ্চিত থাকুন আপনি এই দৌড়ে আছেন. ক্লাস eight এ পড়ার সময়ের কথা মনে আছে? সামনে বৃত্তি পরীক্ষা পাটিগণিত বীজগণিতের অংক প্যাঁচ লাগাচ্ছে বিজ্ঞানের জটিল সব সূত্র ভোরে ওঠে প্রাইভেট টিউটরের বাসায় ছোটা রাত জেগে পড়াশোনা. বয়সের তুলনায় অনেক বেশি কর্ম ব্যস্ত একটা সময় নিশ্চয়ই কাটিয়েছেন তখন? আমরা সবাই কাটিয়েছি. সেই সময় নিশ্চয়ই অভিভাবক বলেছে এই তো আর কটা দিন. বৃত্তি পরীক্ষা শেষ হলেই জীবন শান্তি আর শান্তি. জীবনের নানা এপিসোডে আপনি এই কথাগুলো শুনেছেন অনেকবার অনেকের মুখে. এসএসসি পরীক্ষাটা দাও, কলেজে উঠলেই তো স্বাধীনতা. একবার ভার্সেটিতে উঠতে পারলেই জীবন হবে আনন্দে ভরপুর. একবার জব লাইফে ঢোকো. নিজের টাকায় আয়েশ করার মজাই অন্যরকম. শুনেছেন না এসব?  বয়স ঘড়ির ত্রিশের প্রান্তে দাঁড়িয়ে হিসেবগুলো মেলাতে পারেন কি? কি মনে হয়? এই এপিসোডগুলোর কোনোটা পার হবার সময় জীবন খানিকটা হলেও সহজ হয়েছে? সুন্দর হয়েছে? হয়নি, হবেও না, মিথ্যা একটা মরীচিকার আশায় আমরা ছুটেছি ঠিকই আমাদের ছোটানো হয়েছে, কিন্তু হিসাব মেলেনি ছুটত...

পঞ্জি স্কিম কি ? কিভাবে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং কোম্পানি এত বেশি মুনাফা দিতে পারে ?

Destiny two thousand limited. আমরা কম বেশি সবাই পরিচিত এই নামের সাথে. দু হাজার সালে যাত্রা শুরু হয় ডেসটিনি বাংলাদেশে. মাল্টি লেভেল মার্কেটিং এবং পিরামিড স্কিম এই দুটো ব্যাপারকে প্রায় শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যায় এই প্রতিষ্ঠান. সাধারণ মানুষকে লোভের ফাঁদে ফেলে বিনিয়োগের তুমুল আগ্রহী করে তোলে ডেসটিনি।  নতুন গ্রাহক আনার উপর দিতে থাকে কমিশন. ব্যাংক বা যে কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ে অনেক বেশি লাভের সম্ভাবনা দেখে লক্ষ লক্ষ মানুষ জড়িত হয় এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে. নিজেরা বিনিয়োগ  করেই থেমে থাকেনি মানুষ. কমিশনের লোভে পরিচিত বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন এক কথায় ঘাড়ে ধরে নিয়ে আসে ডেসটিনি লগিন করার জন্য. সিলভার, গোল্ড প্লাটিনাম সহ নানা রকমের বাহারি নামে ভূষিত করা হয় এইসব ইউজারকে.  পরের গল্প সবার জানা টানা বারো বছর এই দেশে ব্যবসা করে প্রতিষ্ঠানটি ।  শুরুর দিকে অনেকে ভালো অঙ্কের মুনাফাও পেয়েছিলেন ডেস্টিনি থেকে । ওয়ার্ড অফ মাউসের মাধ্যমে সেসব ছড়াতে থাকে।  দেশজুড়ে ডেসটিনি তখন সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠানের এমডি রফিকুল আমিনের জনপ্রিয়তা ও সুপারস্টারের চেয়েও একদম কম ...

সৌন্দর্যের অন্ধকার দিকটা ? মাইকা উৎপাদনের সাথে জড়িত যত কলঙ্ক।

দূর থেকে দেখলে বড়সড় ইঁদুরের গর্ত বলে মনে হবে। কাছে গেলেই বোঝা যাবে এইখান দিয়ে কোনোভাবে মাঝেরই আকারের একজন মানুষকে ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া সম্ভব ।মাটির বেশ খানিকটা নিচে নেমে গেছে এই গর্ত, ভেতরে ঘুটঘুটে অন্ধকার, ঠিক যতটা অন্ধকার এখানকার বাসিন্দাদের জীবন । যে অন্ধকার বর্ণবাদে ঠাসা এক পৃথিবীকে উজ্জ্বল করার কাজে নিয়োজিত. যে অন্ধকার আমাদের মুখে হাজারো ওয়াটের ঝলমলে আলো ছড়ায়. যে অন্ধকার আমাদের শারীরিক সৌন্দর্য বাড়ায় আর মনের কুৎসিত রূপটা তুলে আনে প্রকাশে ।  মাইকা স্বচ্ছ এক ধরনের ধাতব পদার্থ. বাংলায় একে ডাকা হয় অভ্র নামে । নানা রকমের কাজে এর ব্যবহার. টুথপেস্ট তৈরিতে এই জিনিসের প্রয়োজন হয় উজ্জ্বল রং বানাতেও লাগে মাইকা. তবে সবচেয়ে বেশি কোথায় ব্যবহার হয় জানেন? মেকআপ তৈরী. হ্যা. যে মেকআপ বা প্রসাধনী সামগ্রী ছাড়া আমাদের দিন চলে না. সেই কসমেটিকস ইন্ডাস্ট্রিতে সবচেয়ে বড় কাঁচামালের নাম হচ্ছে মাইকা।  আর এই মাইকা সংগ্রহের আড়ালেই লুকিয়ে আছে কসমেটিকস ইন্ডাস্ট্রি সবচেয়ে বীভৎস সত্যিটা । যে সত্যিটা বিলিয়ন ডলারের এই ইন্ডাস্ট্রি চেপে রাখতে চায় সবসময় ।চায় অস্বীকার করতে। আপনি বা আপন...

মানি ট্রেপ ডিপ্লোম্যাসি কি ? চীন কিভাবে অন্নুনত দেশের সারবভৌমত্ব কিনে নিচ্ছে ?

 এই তো কদিন আগেকার কথা. আমেরিকাকে পেছনে ফেলে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে চীন. বিশ্বজুড়ে করোনার আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকেই গত দুই বছরে চীনের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা. ঈর্ষণীয়. অন্যান্য দেশের জিডিপির প্রবৃত্তি যেখানে মুখ থুবড়ে পড়েছে সেখানে চীনের জিডিপির গ্রোথ যেন আকাশে উড়ছে. কিন্তু এই উত্থানের পেছনে চীনের ব্যবসার পরিধি যতটা ভূমিকা রেখেছে প্রায় সমান ভূমিকা আছে সরকারের death trap diplomacy. গত দুই দশক ধরে শুধু অর্থনৈতিক পরশক্তিই নয় রাজনৈতিকভাবেও বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাবান রাষ্ট্র হওয়ার পথটা চীন যেভাবে কৌশলে তৈরি করে নিয়েছে সেটাকেই বলা হচ্ছে death trap diplomacy. আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তারে চীনের স্বপ্নের প্রকল্প বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ এখন জলজ্যান্ত বাস্তব. আর সেই বি আর আই কে বাস্তবায়ন করতে গিয়েই চীন হেঁটেছে ঋণ দিয়ে বিভিন্ন দেশকে নিজেদের কব্জায় আনার পথে. সোজা আঙ্গুলে ঘি না উঠলে আঙুল বাঁকা করতে হয়. সেটাই করছে চীন. যাদের কাছে টার্ম গুলো একটু খটমটে মনে হচ্ছে তাদের জন্য একদম সাধারণ একটা অজুহাত দিয়ে চীনের এই ঋণ ফাঁদের ব্যবসাটা খুঁজে পাওয়া । শ্রীলঙ্কার বন্...