সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

disorder লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পেগাসাস স্পাইওয়ার কি ?

গত কিছুদিন ধরেই বিশ্ব রাজনীতি এবং প্রযুক্তি জগৎ এই দুই জায়গাতেই আলোচনার বিষয়বস্তু একটাই। সেটা হচ্ছে পেগাসাস স্পাইওয়ার. বিশ্বজুড়ে নানান দেশের মানবাধিকার কর্মী সাংবাদিক আইনজীবী ও রাজনীতিকদের ফোনের নজরদারি চালানোর ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর ইজরায়েলের বেসরকারি কোম্পানি nso গ্রুপের তৈরি করা এই সফটওয়্যার নিয়ে এখন তুমুল তরজা চলছে দুনিয়া জুড়ে । চলুন কথা বলি দুনিয়া ওলট পালট করে দেওয়া স্পাইওয়ার সম্পর্কে । পেগাসাস মূলত একটি নজরদারি বিষয়ক সফটওয়্যার । ইজরাইলের সংস্থা এনএসও ই সফটওয়্যার তৈরি করেছে। যা দিয়ে যে কারো মোবাইলে আড়ি পাতা যায়. এটা কিন্তু সাধারণ কোন নজরদারি নয়. আগে ফোনে আড়ি পেতে শুধু দুই প্রান্তের কথাবার্তা শোনা যেত. আর সফটওয়্যারের মাধ্যমে গোটা ফোনটারই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় হ্যাকাররা. ফোনের কথাবার্তা WhatsApp এর চ্যাট, ছবি, ফোনে কি কি তথ্য আছে সবই জানা যায়. আরো ভয়ানক ব্যবহার হচ্ছে মোবাইল যিনি ব্যবহার করছেন তিনি জানতেই পারেন না যে তার ফোন হ্যাক করা হয়েছে. সমস্ত তথ্য পাচার হয়ে যাচ্ছে নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীর কাছে. কিন্তু কারো ফোনে পেগাসাস software install করতে হলে তো সেই ফোনটাকে...

কিভাবে লিমিটলেস হওয়া যায় ? লিমিটলেস আসলে কিভাবে কাজ করে ?

এনজিটিপিল,  এটা এমন এক পিল যা আপনাকে করবে আল্ট্রা ফোকাসড. দেবে দুর্দান্ত মোটিভেশন. বের করে আনবে আপনার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা. আপনি হয়ে উঠবেন আনস্টপল. বাস্তবতা পাবে প্রতিটি স্বপ্ন. কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এমন কোন পিলের অস্তিত্ব নেই. ফলাফল আপনি আটকে আছেন একটি খাদে. সারাক্ষণ ক্লান্তি নিয়ে হয়ে উঠছেন আনপ্রোডাক্টিভ. নষ্ট হচ্ছে ক্রিয়েটিভিটি. সময় গড়িয়ে যায়. ঋতুর পরিবর্তন ঘটে. কিন্তু আপনি ডুবে থাকেন এক হতাশায় যাতে আপনি দিন দিন পিছিয়ে পরছেন. আপনি যা যা এতদিন অর্জন করবেন ভেবেছিলেন তা কিছুই আপনি অর্জন করতে পারেননি । নিজেকে সান্তনা দিচ্ছেন আগামীকাল হবে ভিন্ন। কিন্তু তা কখনোই হয়ে ওঠে না এখন যদি আপনাকে বলি কোনো জাদুকরী পিলের সাহায্যে নয় বাস্তবিক লিমিটলেস হয়ে ওঠা সম্ভব।  একদম প্রমাণিত পদ্ধতিতে যা একেবারে ফ্রিতে ব্যবহার করা সম্ভব.  তো আছেন তো শেষ পর্যন্ত ?  Limit less হওয়ার যাত্রায় ।  স্টেপ ওয়ান : এনার্জি--  মাত্র কয়েক মাস আগে আমি নিজেও আপনার মতো কর্মশক্তিহীন অনুভব করতাম. সামান্য কাজেই আসতো অবসন্নতা, গেয়ে ধরতো ক্লান্তি একদিন হঠাৎ টের পেলাম আমি নিজেই নিজের energy নি...

ডিপ্রেশন কি ? এটা কত প্রকার ? বাইপোলার ডিসঅর্ডার কি ?

আজকাল খুব কমন একটা শব্দ ডিপ্রেশন. যার বাংলা অবসাদ । ডিপ্রেশনের সাথে সাথে পরিচিত হয়ে উঠছি আমরা মুড সুইং শব্দটার সাথেও । এই জেনারেশনের কারো সোশ্যাল মিডিয়ায় ডিপ্রেশনে না ভোগাটাই যেন বিরাট অপমানজনক। সবাই কেন যেন অস্থির হয়ে আছে বোঝাতে যে সে ডিপ্রেশনে ভুগছে । কখনো গানের লিরিক্স আবার কখনো বিখ্যাত লেখকের কোটেশন সবকিছুতেই ডিপ্রেশন । সাইকিয়াট্রিতে এই ডিপ্রেশন হল এক ধরনের মুড ডিসঅর্ডার । যেটা একমুখী অবসর বা ইউনিফুলার ডিপ্রেশন । কিন্তু সম্প্রতি আর এক ধরণের অবসাদ বিজ্ঞানীদের মাথা খারাপ করে দিচ্ছে। যেটাকে বলা হচ্ছে বাই পোলার ডিপ্রেশন । বাই পোলার অর্থাৎ দ্বিমুখী । একে ম্যানিক ডিপ্রেশনে বলা হয়। এখনো পর্যন্ত মনোবিজ্ঞানীরা বাই পোলার ডিসঅর্ডারের কারণ সম্পর্কে সঠিকভাবে জানতে পারেন নি। এর ওপর প্রচুর গবেষণা চলছে। জানলে অবাক হবেন যে শুধুমাত্র আমেরিকাতেই সাত মিলিয়নেরও বেশি মানুষ বাইপোলার ডিসঅর্ডারে ভুগছে । কিন্তু আসলে কি ঘটে? বাইপোলার ডিসঅর্ডারে? চলুন কথা বলি বাই পোলার ডিসঅর্ডার নিয়ে আজ কথা বলা যাক।   বাইপোলার ডিসঅর্ডার কাকে বলে? খুব সংক্ষেপে বলা যায় বাইপোলার ডিসঅর্ডার একটি মানসিক অবস্থা। যে...