সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

universe লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মানসিকতার কয় টা দিক ? Personalities theory কী ?

     আপনি মানুষের সামনে খুব হাসিখুশি থাকেন বলেই মানুষ আপনাকে ভেবে নিল. আহ মানুষটা কি ভিল দরিয়া? মানুষটা খুব মিশুক. এক্সট্রোভার্ট।   কিন্তু আপনি আসলে ভেতরে ভেতরে উপলব্ধি করেন মানুষ আপনাকে যা ভাবে তা আপনি নন মানুষের সামনে হয়তো কোনোরকমে মানিয়ে নেন।  কিন্তু এত হাঙ্গামা আসলে আপনার পছন্দ নয় । আপনি আসলে নিজের ভুবনে থাকতেই বেশি পছন্দ করেন নিজস্ব সার্কেলে । কিন্তু এমন কিন্তু এমনটা কেন? কিছু মানুষের ভেতরে দৈত সত্তা খুব বেশি কাজ করে. মনের ভেতর আর বাইরের উপস্থাপনার একটা দ্বন্দ্ব চলতেই থাকে. মানুষ আপনাকে যতটা introvert ভাবে মনে করে. কি ভাব? আপনি তেমন নাও হতে পারেন । আপনিও জোৎস্ই জায়গা পেলে নিজেকে উজাড় করে দিয়ে এক্সপ্রেস করতে পারেন । এই যে দইতো একটা বৈচিত্র নিয়ে মানুষ বেঁচে আছে এটাকে তাহলে কি বলা যাবে? এই ধরণের মানুষগুলো আসলে এক্সট্রোভার্ট  আবার পুরোপুরি ইন্ট্রোভার্ট ও না ।  তারা মাঝামাঝি একটা অবস্থানে থাকে. এই মানুষগুলোকে বলা হয় হ্যান্ডবিভার. মজার ব্যাপার হল প্রচলিত একটা ধারণা আছে যে এক্সট্রোভার্টরা সেলস কমিউনিকেশানে খুব ভালো হয়. কিন্তু গবেষণায়...

সৌন্দর্যের অন্ধকার দিকটা ? মাইকা উৎপাদনের সাথে জড়িত যত কলঙ্ক।

দূর থেকে দেখলে বড়সড় ইঁদুরের গর্ত বলে মনে হবে। কাছে গেলেই বোঝা যাবে এইখান দিয়ে কোনোভাবে মাঝেরই আকারের একজন মানুষকে ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া সম্ভব ।মাটির বেশ খানিকটা নিচে নেমে গেছে এই গর্ত, ভেতরে ঘুটঘুটে অন্ধকার, ঠিক যতটা অন্ধকার এখানকার বাসিন্দাদের জীবন । যে অন্ধকার বর্ণবাদে ঠাসা এক পৃথিবীকে উজ্জ্বল করার কাজে নিয়োজিত. যে অন্ধকার আমাদের মুখে হাজারো ওয়াটের ঝলমলে আলো ছড়ায়. যে অন্ধকার আমাদের শারীরিক সৌন্দর্য বাড়ায় আর মনের কুৎসিত রূপটা তুলে আনে প্রকাশে ।  মাইকা স্বচ্ছ এক ধরনের ধাতব পদার্থ. বাংলায় একে ডাকা হয় অভ্র নামে । নানা রকমের কাজে এর ব্যবহার. টুথপেস্ট তৈরিতে এই জিনিসের প্রয়োজন হয় উজ্জ্বল রং বানাতেও লাগে মাইকা. তবে সবচেয়ে বেশি কোথায় ব্যবহার হয় জানেন? মেকআপ তৈরী. হ্যা. যে মেকআপ বা প্রসাধনী সামগ্রী ছাড়া আমাদের দিন চলে না. সেই কসমেটিকস ইন্ডাস্ট্রিতে সবচেয়ে বড় কাঁচামালের নাম হচ্ছে মাইকা।  আর এই মাইকা সংগ্রহের আড়ালেই লুকিয়ে আছে কসমেটিকস ইন্ডাস্ট্রি সবচেয়ে বীভৎস সত্যিটা । যে সত্যিটা বিলিয়ন ডলারের এই ইন্ডাস্ট্রি চেপে রাখতে চায় সবসময় ।চায় অস্বীকার করতে। আপনি বা আপন...

স্টকহোম সিন্ড্রম কি ? স্টকহোম সিন্ড্রম কেন হয় ?

ধরুন আপনাকে কেউ অপহরণ করল. আটকে রাখল অজানা কোন জায়গায়. কিংবা জিম্মি করল কোন বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য. হয়তো আপনাকে মেরে ফেলাটাই অপহরণকারীদের লক্ষ্য. পুলিশ আপনার খোঁজ পাচ্ছে না. এদিকে উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় অস্থির হয়ে আছে আপনার স্বজনরা. এক পা দুই সপ্তাহ পার হয়ে হয়তো আপনাকে উদ্ধার করা হল. এই কয়েকটা দিন আপনি সূর্যের আলো দেখেননি. বন্দি অবস্থায় এক একটা ঘন্টাকেই আপনার কাছে মনে হয়েছে এক একটা মাসের মতো লম্বা. মুক্তির পর অপহরণকারীদের প্রতি কেমন অনুভূতি কাজ করবে আপনার? হাতের কাছে পেলেই তাদেরকে চিবিয়ে খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে করবে তাই না? কিন্তু সেটা না করে বাড়ি ফেরার পর আপনি যদি সেই অপহরণকারীদের প্রশংসা শুরু করেন? তাহলে লোকজন আপনার দিকে কুঁচকে তাকাবে বৈকি? আপনি যদি অপরাধের তদন্তে পুলিশকে ঠিকমতো সাহায্য না করেন, আপনাকে নিয়ে প্রশ্ন ওঠাটাই কিন্তু স্বাভাবিক. তার চেয়েও অবাক করার মতো ব্যাপার. কখন ঘটবে জানেন? যখন আদালতে গিয়ে আপনি বলবেন. আপনাকে যারা অপহরণ করেছিল তাদের প্রতি আসলে আপনার কোন অভিযোগ নেই. আপনি তাদের বিরুদ্ধে মামলাও করতে চান. কি ভাবছেন? এমন পাগলামি আপনি কেন করবেন? পাগলামি বলুন আর যাই বলুন. ...

মানি ট্রেপ ডিপ্লোম্যাসি কি ? চীন কিভাবে অন্নুনত দেশের সারবভৌমত্ব কিনে নিচ্ছে ?

 এই তো কদিন আগেকার কথা. আমেরিকাকে পেছনে ফেলে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে চীন. বিশ্বজুড়ে করোনার আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকেই গত দুই বছরে চীনের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা. ঈর্ষণীয়. অন্যান্য দেশের জিডিপির প্রবৃত্তি যেখানে মুখ থুবড়ে পড়েছে সেখানে চীনের জিডিপির গ্রোথ যেন আকাশে উড়ছে. কিন্তু এই উত্থানের পেছনে চীনের ব্যবসার পরিধি যতটা ভূমিকা রেখেছে প্রায় সমান ভূমিকা আছে সরকারের death trap diplomacy. গত দুই দশক ধরে শুধু অর্থনৈতিক পরশক্তিই নয় রাজনৈতিকভাবেও বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাবান রাষ্ট্র হওয়ার পথটা চীন যেভাবে কৌশলে তৈরি করে নিয়েছে সেটাকেই বলা হচ্ছে death trap diplomacy. আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তারে চীনের স্বপ্নের প্রকল্প বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ এখন জলজ্যান্ত বাস্তব. আর সেই বি আর আই কে বাস্তবায়ন করতে গিয়েই চীন হেঁটেছে ঋণ দিয়ে বিভিন্ন দেশকে নিজেদের কব্জায় আনার পথে. সোজা আঙ্গুলে ঘি না উঠলে আঙুল বাঁকা করতে হয়. সেটাই করছে চীন. যাদের কাছে টার্ম গুলো একটু খটমটে মনে হচ্ছে তাদের জন্য একদম সাধারণ একটা অজুহাত দিয়ে চীনের এই ঋণ ফাঁদের ব্যবসাটা খুঁজে পাওয়া । শ্রীলঙ্কার বন্...

বাংলাদেশের মোবাইল ইন্টারনেট কেন আফ্রিকার দেশগুলোর থেকেও খারাপ ?

প্রযুক্তির দীর্ঘ পথ চলায় উন্নত বিশ্ব এখন ফাইভ জির পথে. প্রযুক্তি বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশও সে পথে হাঁটছে. স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পূর্তিতে ফাইভ জি যে চালু করতে চায় সরকার. স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পূর্তি উপলক্ষে দু হাজার একুশ সালের প্রথম প্রান্তিকে ।  কেউ বলছেন four G কেউ বলছেন four point five G. কেউ বা আবার আগ বাড়িয়ে four point nine G বানিয়ে দিচ্ছেন. অর্থাৎ প্রায় five G. অথচ internet speed এর বেলায় লবডঙ্কা. নামে four G কাজের three GO নয়. এমন দশা বাংলাদেশের মোবাইল অপারেটরগুলোর ইন্টারনেট সার্ভিসে. ফোর্থ জেনারেশন বা চতুর্থ প্রজন্মের ইন্টারনেট সেবা আমাদের দেশে available থাকলেও গ্রাহক হিসেবে যে স্পিড আমরা পাই সেটা বলতে গেলে লজ্জায় মুখ লুকাতে হবে.  গত জুন মাসে ইন্টারনেটের গতি মাপার আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ওক্লা একটা জরিপ করেছিল. স্পিড টেস্ট গ্লোবাল ইনডেক্স নামের সেই জরিপ অনুযায়ী বিশ্বের একশো সাঁইত্রিশটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান. একশো পঁয়ত্রিশ নম্বরে. বাংলাদেশের পেছনে আছে শুধু যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ আফগানিস্তান এবং বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার কারণে অর্থনৈতিক সংকটে থাকা ভেনিজু...

এরিয়া ফিফটি one কি ?

এরিয়া ফিফটি ওয়ান  এটা এক অচেনা জগৎ. এখানে না আছে কোনো মোবাইল নেটওয়ার্ক, না আছে কোনো সুইট সাইন. নেই পিচ ছাড়া রাস্তা বা প্রাণের খুব একটা স্পন্দন। এমনকি বাইরের বিশ্বের সংস্কৃতি এবং সমাজের সামান্যতম বিস্তরণও নেই এখানে। এই নিরীহ নির্মম গোপন রহস্য আসলে কি তা জানার সুযোগ হয়েছে বলা চলে খুবই কম । কখনো কখনো বলা হয় এটা এলিয়ান গবেষণাগার. ইউএফও বা আন আইডেন্টিফায়েড ফ্লাইং অবজেক্স নিয়েও নাকি প্রচুর গবেষণা করা হয়েছে. অনেকে ধারণা করেন যে একবারই স্থানে ঢুকলে আর বের হওয়া যায় না. বাইরের মানুষের কাছে একটা মিথ হয়ে রয়ে গেছে এই অঞ্চল. অন্তত এখনো পর্যন্ত. বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে গোপন ও সবচেয়ে রহস্যময় এলাকা এটি. নাম এরিয়া ফিফটি ওয়ান. শুরু থেকেই গোপনীয়তার দুর্ভেদ্য চাদরে মোড়ানো বলে এরিয়া ফিফটি ওয়ান নিয়ে রহস্য ঘনীভূত হয়েছে দিনকে দিন । জমাট বাঁধা এই রহস্য থেকেই কালক্রমে জন্ম নিয়েছে বেশ কিছু কন্সপিরেসি থিওরি ।  আমেরিকার নেভা স্টেটের দক্ষিণে লাস ভেগাস থেকে একশো পঞ্চাশ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে পাহাড় গেরা মরুভূমির মধ্যে ঊনত্রিশ লক্ষ একর জায়গা জুড়ে আছে কুখ্যাত এবং বিদ্রুপজনক...

আমরা কি মহাবিশ্বে একা ?

একটা কুকুর ! তারা দেখছে আকাশের নক্ষত্র. যেমন দেখছি আমরা. হয়তো শ্বাস নিচ্ছে অথবা নিচ্ছে না. সৃষ্টি করছে অথবা করছে না. কিন্তু এক টা প্রশ্ন ঠিকই আছে তাদের মাঝে. ঠিক আমাদেরই মতো. আমরা কি মহাবিশ্বে একা? যখন আমস্ট্রংরা চাঁদ থেকে ফিরে এসেছিল তখন তাদের কোয়ারান্টিনে রাখা হয়েছিল বেশ কিছুদিন । কেন ? কারণ যদি কোন ভাইরাস বা অন্য কোন জীবাণু চলে আসে তাদের মাধ্যমে চাঁদ থেকে অর্থাৎ খুব কাছের আমাদের এই উপগ্রহেও প্রাণের সম্ভাবনার কথা ভেবেছিলেন বিজ্ঞানীরা অদ্ভুত তাই না। চলুন যাই প্রাণের খোঁজে মহাবিশ্বে। পৃথিবী কি প্রাণের একমাত্র উৎস? বহু প্রাচীন এই প্রশ্ন. আমাদের এই গ্রহে যত বালুকোনা আছে তার চেয়েও দশ হাজার গুণ বেশি নক্ষত্র আছে শুধুমাত্র আমাদের মিল্কিওয়েতে. আরো স্পষ্ট করে বলা যায় এই সংখ্যা টেন টু দি পাওয়ার টোয়েন্টি টু থেকে টেন টু দি পাওয়ার twenty four বা আরো বেশি. যদি এর পাঁচ শতাংশ নক্ষত্র আমাদের সূর্যের মতো হয় তাহলে সংখ্যা দাঁড়ায় পাঁচশো billion billion নক্ষত্র. খুবই ভালো কথা. প্রতি পাঁচটি সূর্য সাদৃশ্য নক্ষত্রের একটিতেও যদি ধরি যে পানি ও প্রাণ সৃষ্টির রাসায়নিক উপাদান আছে. তাহলে সংখ্যা দাঁড়...