সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

laws লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পঞ্জি স্কিম কি ? কিভাবে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং কোম্পানি এত বেশি মুনাফা দিতে পারে ?

Destiny two thousand limited. আমরা কম বেশি সবাই পরিচিত এই নামের সাথে. দু হাজার সালে যাত্রা শুরু হয় ডেসটিনি বাংলাদেশে. মাল্টি লেভেল মার্কেটিং এবং পিরামিড স্কিম এই দুটো ব্যাপারকে প্রায় শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যায় এই প্রতিষ্ঠান. সাধারণ মানুষকে লোভের ফাঁদে ফেলে বিনিয়োগের তুমুল আগ্রহী করে তোলে ডেসটিনি।  নতুন গ্রাহক আনার উপর দিতে থাকে কমিশন. ব্যাংক বা যে কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ে অনেক বেশি লাভের সম্ভাবনা দেখে লক্ষ লক্ষ মানুষ জড়িত হয় এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে. নিজেরা বিনিয়োগ  করেই থেমে থাকেনি মানুষ. কমিশনের লোভে পরিচিত বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন এক কথায় ঘাড়ে ধরে নিয়ে আসে ডেসটিনি লগিন করার জন্য. সিলভার, গোল্ড প্লাটিনাম সহ নানা রকমের বাহারি নামে ভূষিত করা হয় এইসব ইউজারকে.  পরের গল্প সবার জানা টানা বারো বছর এই দেশে ব্যবসা করে প্রতিষ্ঠানটি ।  শুরুর দিকে অনেকে ভালো অঙ্কের মুনাফাও পেয়েছিলেন ডেস্টিনি থেকে । ওয়ার্ড অফ মাউসের মাধ্যমে সেসব ছড়াতে থাকে।  দেশজুড়ে ডেসটিনি তখন সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠানের এমডি রফিকুল আমিনের জনপ্রিয়তা ও সুপারস্টারের চেয়েও একদম কম ...

ডাটা ব্রকারের আদ্যাপ্রান্ত ? হোয়াটসঅ্যাপ কিভাবে ইনকাম করে ?

পকেট থেকে সো হোয়াট দ্য হেল ইজ দ্যা ডার্ক সাইড অফ সোশ্যাল মিডিয়া। প্রশ্নটা শুরু হয়েছে খুব সহজ ভাবে। কিন্তু উত্তর আপনাকে টেনে নিয়ে যাবে এমন এক অন্ধকার জগতে যা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। এমন কিছু যা আপনাকে আমাকে প্রতিদিন প্রভাবিত  করছে এবং সবকিছু বোঝার জন্য আমাদের প্রয়োজন কিছু ঘটনায় আলোকপাত করা.  গত দেড় বছর প্যানডেমিকের সময় যখন মানুষ খেয়ে পড়ে বাঁচতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছিল তখনও একজন মানুষের অর্থের পরিমাণ দু-হাজার-দুশো কোটি তে গিয়ে ঠেকেছে. বিশ্বে কেবল তিনজনই দশ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের বেশি সম্পদের মালিক. তার মাঝে তিনিও একজন. নাম মার্ক জাকারবার্গ। সিইও অফ ফেসবুক. আর আপনি হয়তো দশটা পাঁচটা office করছেন, বাসে ঝুলে ঝুলে বাড়ি ফিরছেন অথবা কলেজের ডিগ্রি নিতে ব্যস্ত. আপনার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স প্রায় শূন্যের কোঠায়, আপনার খরচ অস্বাভাবিক বেশি. আপনার মনে হচ্ছে অফিস থেকে আপনাকে সঠিক পারিশ্রমিক দেয় না. আপনার ক্রেডিট কার্ডের বিশাল অঙ্কের বিল ডিউ হয়ে আছে. মাথায় দুনিয়ার চিন্তা, ঘর, সংসার, ভবিষ্যৎ, সন্তান. কিন্তু আপনার দুই আঙুল ব্যস্ত মোবাইল স্ক্রিন স্ক্রলিং এ.  ফেসবুক, ফে...

মার্ফির সূত্র কি ? এটি কিভাবে কাজ করে ?

  অফিসে যেতে আপনার যেদিন বেশি দেরি হয়ে যাবে দেখা যাবে সেদিনই দেখবেন আপনি দরজা লক করবার সময় চাবি খুঁজে পাচ্ছেন না । তারপর অনেকটা পথ চলে আসার পরে খেয়াল হবে যে তাড়াহুড়োয় মোবাইল ফোন বা প্রয়োজনীয় ফাইল বাসাতেই ভুলে এসেছেন এবং সচারাচল ফাঁকা থাকে এমন রাস্তাতেও সেদিন রাজ্যের জ্যাম লেগে আছে। অর্থাৎ যেভাবে যেটা হওয়ার কথা কিছুতেই সেভাবে সেটা হচ্ছে না.  কিন্তু এমন ঘটনা তো আমাদের জীবনে হর হামেশাই ঘটে. তবে এরও যে কোন ব্যাখ্যা থাকতে পারে তা কি আপনার কখনো মনে হয়েছে? না হয়ে থাকলে মার্ফির সূত্রে আপনাকে স্বাগত. চলুন কথা বলি মার্ফি সাহেবের সূত্র নিয়ে. মারফি সূত্রে বলে যে ইফ এনিথিং ক্যান গো রং ইট উইল. অর্থাৎ কোন কিছু ভুল হওয়ার থাকলে তা অবশ্যই ভুল হবে। ধরুন আপনি কোন একটি কাজ করতে যাচ্ছেন এবং এতে কোন রকম ভুল হবার সমূহ সম্ভাবনা খুবই কম. কিন্তু কাজটি করার পর দেখা গেল যে আপনি ভুল করে ফেলেছেন. অথবা লেখালেখির খুব ভালো অভ্যাস থাকা সত্ত্বেও দেখা যাবে যে কেবল দরখাস্ত বা চিঠি লিখবার সময় আপনার ঘন ঘন বানান ভুল হচ্ছে. তখন আপনি আপন মনেই বলে উঠলেন শুধু কি আমার সাথেই এমনটা হতে হয়?  অথচ অন্যান্য ...