সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

minimalism লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কিভাবে লিমিটলেস হওয়া যায় ? লিমিটলেস আসলে কিভাবে কাজ করে ?

এনজিটিপিল,  এটা এমন এক পিল যা আপনাকে করবে আল্ট্রা ফোকাসড. দেবে দুর্দান্ত মোটিভেশন. বের করে আনবে আপনার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা. আপনি হয়ে উঠবেন আনস্টপল. বাস্তবতা পাবে প্রতিটি স্বপ্ন. কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এমন কোন পিলের অস্তিত্ব নেই. ফলাফল আপনি আটকে আছেন একটি খাদে. সারাক্ষণ ক্লান্তি নিয়ে হয়ে উঠছেন আনপ্রোডাক্টিভ. নষ্ট হচ্ছে ক্রিয়েটিভিটি. সময় গড়িয়ে যায়. ঋতুর পরিবর্তন ঘটে. কিন্তু আপনি ডুবে থাকেন এক হতাশায় যাতে আপনি দিন দিন পিছিয়ে পরছেন. আপনি যা যা এতদিন অর্জন করবেন ভেবেছিলেন তা কিছুই আপনি অর্জন করতে পারেননি । নিজেকে সান্তনা দিচ্ছেন আগামীকাল হবে ভিন্ন। কিন্তু তা কখনোই হয়ে ওঠে না এখন যদি আপনাকে বলি কোনো জাদুকরী পিলের সাহায্যে নয় বাস্তবিক লিমিটলেস হয়ে ওঠা সম্ভব।  একদম প্রমাণিত পদ্ধতিতে যা একেবারে ফ্রিতে ব্যবহার করা সম্ভব.  তো আছেন তো শেষ পর্যন্ত ?  Limit less হওয়ার যাত্রায় ।  স্টেপ ওয়ান : এনার্জি--  মাত্র কয়েক মাস আগে আমি নিজেও আপনার মতো কর্মশক্তিহীন অনুভব করতাম. সামান্য কাজেই আসতো অবসন্নতা, গেয়ে ধরতো ক্লান্তি একদিন হঠাৎ টের পেলাম আমি নিজেই নিজের energy নি...

শ্রীলংকা কিভাবে অর্থনৈতিক ভাবে দেউলিয়া হল ?

   দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপ রাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা চরম এক অর্থনৈতিক সংকটের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে. উনিশশো আটচল্লিশ সালে স্বাধীনতা লাভের পর থেকে শ্রীলঙ্কা কখনো এত দূরবস্থায় পড়েনি. এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো দেশটি বৈদেশিক ঋণের ভারে জর্জরিত.  পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করার মতো বৈদেশিক মুদ্রাও নেই শ্রীলঙ্কার কাছে. সেকারণে দেশটিতে জিনিসপত্রের দাম আকাশ ছোঁয়া.  জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের কারণে হাজার হাজার মানুষ তেল সংগ্রহের জন্য লাইনে ভিড় করছে. পরিস্থিতি সামাল দিতে শ্রীলংকার পেট্রোল পাম্প গুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে. কাগজ আমদানি করার মতো টাকাও নেই. তাই স্কুলের পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে.   শ্রীলংকা গত পনেরো বছরে বেশ কিছু মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে. এর মধ্যে সমুদ্র বন্দর, বিমানবন্দর, রাস্তা নির্মাণ এবং আরও নানা ধরনের প্রকল্প রয়েছে. দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা বলছেন এইসব প্রকল্পের বেশিরভাগই অপ্রয়োজনীয়. এইসব প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন উৎস থেকে শ্রীলংকা বিপুল অর্থ ঋণ নিয়েছে. ঋণ নিয়ে দেদারসে অর্থ খরচ করা হলেও অনেক প্রকল্প অর্থনৈতি...

কিভাবে মার্কিন ডলার বিশ্ব জুড়ে আধিপত্য কায়েম করল??

   বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর মুদ্রা হলো মার্কিন ডলার. সারা বিশ্বের প্রধান রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে মার্কিন ডলার ব্যবহার করা হয়. বিশ্বের মোট অর্থনৈতিক লেনদেনের প্রায় নব্বই শতাংশ হয়ে থাকে মার্কিন ডলারের মাধ্যমে. আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য মার্কিন ডলার প্রায় অপরিহার্য. আমেরিকান ডলারের বিকল্প বা সমকক্ষ আর কোনো মুদ্রা নেই বললেই চলে. বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় মার্কিন ডলারের এতো দাপট কিভাবে তৈরি হলো সে সম্পর্কে আলোচনা করা হবে ?    কারেন্সি বা মুদ্রাকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়. কমোডিটি কারেন্সি , রিপ্রেজেন্টেটিভ কারেন্সি এবং ফিয়াট কারেন্সি. কমোডিটি কারেন্সি হল সেই ধরনের অর্থ যার কোন অন্তর্নিহিত মূল্য আছে. যেমন স্বর্ণ বা রৌপ্যের নিজস্ব মূল্য আছে. প্রাচীনকাল থেকে স্বর্ণ ও রৌপ্যকে সরাসরি বিনিময়ের মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করা হতো. স্বর্ণমুদ্রা বা রৌপ্যমুদ্রাকে গলিয়ে ফেললেও এর মূল্য হ্রাস পায় না. এজন্য স্বর্ণমুদ্রা বা রৌপ্যমুদ্রা এগুলো হলো কমোডিটি মানি. মানব ইতিহাসের বড় একটি সময় জুড়ে অর্থনৈতিক লেনদেনের জন্য সোনা রুপা, তামা বা তামাক পাতা, কমোডিটি কারে...

শেয়ার মার্কেট কি ?

   শেয়রবাজার হলো এমন একটি বাজার ব্যবস্থা যেখানে বিভিন্ন পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি তাদের প্রতিষ্ঠানের মালিকানা বিক্রি করে বিনিয়োগ বা পুঁজি সংগ্রহ করে. তাই একে পুঁজি বাজারও বলা হয়. কোনো দেশের শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেট যখন চাঙ্গা থাকে তখন মনে করা হয় সেই দেশের অর্থনীতিও খুব ভালো অবস্থানে আছে. বর্তমান বিশ্বের বহু বিখ্যাত কোম্পানি তাদের শেয়ার জনসম্মুখে বেচাকেনা করে. কিন্তু অতীতে বিষয়গুলো এমন ছিল না. আগে সাধারণত একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান একজন ব্যক্তির মালিকানায় থাকতো. কিন্তু এককভাবে কোনো ব্যবসা দাঁড় করাতে প্রচুর সময় ও শ্রমের প্রয়োজন হয়. সে কারণে বিংশ শতাব্দীর শুরুতে পুরোনো ধারা পাল্টাতে থাকে. কোম্পানির মালিকেরা লক্ষ্য করেন যে তারা যদি জনসাধারণকে তাদের ব্যবসায় অংশীদার করতে পারেন. তাহলে বেশ অল্প সময়ে ব্যবসায় উন্নতি করা যাবে.  আর সেখান থেকেই শেয়রবাজার ধারণা জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে. শেয়ার বাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানি বিনিয়োগ সংগ্রহের জন্য তাদের প্রাথমিক মূলধনকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে. এবং এসব এক একটি ভাগ জনগণের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়. এই প্রত্যেকটি অংশকে বলা হয় এ...

বিটকয়েন কি ? বিটকয়েন কিভাবে কাজ করে ?

   বেশ কিছুদিন হলো বাংলাদেশ সরকার থেকে ধরপাকড় চলছে বিটকয়েন মাইনারদের ওপর । আসলে সেখানে কি চলছে?  যত গভীরে পড়ালেখা করলাম বিটকয়েন নিয়ে তত বেশি আগ্রহ জন্মাতে থাকলো. যেমন ধরুন বিটকয়েনের সৃষ্টি এক ছদ্মবেশী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীদ্বারা যাদের মূল পরিচয় এখনো অজ্ঞাতই রয়ে গেছে. নিজেদের পরিচয় দেয় তাঁরা সাতোশি ন্যাকামোতো নামে. সাতোশি ন্যাকামোতো কে আড়ালে রেখেই পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে বিটকয়ন. কিন্তু সাতোশি ন্যাকামোতো মাত্র একটা অংশ এই অবিশ্বাস্য খেলার মাঠে. সত্যি বলতে এটা একটা হোয়াইট ওয়ার্ল্ড. কি চলছে সেখানে? তা আমাদের মাথায় ঢোকানো বেশ কষ্ট. আর এই জন্যই মনে হলো এটাই সঠিক সময়ে  দর্শকদের কাছে কিছুটা সহজ ভাষায় ক্রিপ্টোকারেন্সি ও বিটকয়েন কি কিভাবে কাজ করে বা ভবিষ্যতে কি হবে তা তুলে ধরার।    বিটকয়েন একটা গল্প. আমাদের প্রভাবিত করার গল্প. ইতিহাস ঘাতলে দেখা যায় আমরা মুদ্রা এবং অর্থ ব্যবস্থার যে রূপ আজকে দেখি. তা কিন্তু এমনটা ছিল না. একটা সময় ছিল. যখন মুদ্রার বদলে চালু ছিল বিনিময় প্রথা। অর্থাৎ কোন বস্তুর বদলে অন্য বস্তু বিনিময...

রেট রেস কি ?

      আপনি ঠিক কখন ইঁদুর দৌড়ে যোগ দিয়েছেন এটা হিসাব করা কঠিন. কিন্তু নিশ্চিত থাকুন আপনি এই দৌড়ে আছেন. ক্লাস eight এ পড়ার সময়ের কথা মনে আছে? সামনে বৃত্তি পরীক্ষা পাটিগণিত বীজগণিতের অংক প্যাঁচ লাগাচ্ছে বিজ্ঞানের জটিল সব সূত্র ভোরে ওঠে প্রাইভেট টিউটরের বাসায় ছোটা রাত জেগে পড়াশোনা. বয়সের তুলনায় অনেক বেশি কর্ম ব্যস্ত একটা সময় নিশ্চয়ই কাটিয়েছেন তখন? আমরা সবাই কাটিয়েছি. সেই সময় নিশ্চয়ই অভিভাবক বলেছে এই তো আর কটা দিন. বৃত্তি পরীক্ষা শেষ হলেই জীবন শান্তি আর শান্তি. জীবনের নানা এপিসোডে আপনি এই কথাগুলো শুনেছেন অনেকবার অনেকের মুখে. এসএসসি পরীক্ষাটা দাও, কলেজে উঠলেই তো স্বাধীনতা. একবার ভার্সেটিতে উঠতে পারলেই জীবন হবে আনন্দে ভরপুর. একবার জব লাইফে ঢোকো. নিজের টাকায় আয়েশ করার মজাই অন্যরকম. শুনেছেন না এসব?  বয়স ঘড়ির ত্রিশের প্রান্তে দাঁড়িয়ে হিসেবগুলো মেলাতে পারেন কি? কি মনে হয়? এই এপিসোডগুলোর কোনোটা পার হবার সময় জীবন খানিকটা হলেও সহজ হয়েছে? সুন্দর হয়েছে? হয়নি, হবেও না, মিথ্যা একটা মরীচিকার আশায় আমরা ছুটেছি ঠিকই আমাদের ছোটানো হয়েছে, কিন্তু হিসাব মেলেনি ছুটত...

পঞ্জি স্কিম কি ? কিভাবে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং কোম্পানি এত বেশি মুনাফা দিতে পারে ?

Destiny two thousand limited. আমরা কম বেশি সবাই পরিচিত এই নামের সাথে. দু হাজার সালে যাত্রা শুরু হয় ডেসটিনি বাংলাদেশে. মাল্টি লেভেল মার্কেটিং এবং পিরামিড স্কিম এই দুটো ব্যাপারকে প্রায় শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে যায় এই প্রতিষ্ঠান. সাধারণ মানুষকে লোভের ফাঁদে ফেলে বিনিয়োগের তুমুল আগ্রহী করে তোলে ডেসটিনি।  নতুন গ্রাহক আনার উপর দিতে থাকে কমিশন. ব্যাংক বা যে কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ে অনেক বেশি লাভের সম্ভাবনা দেখে লক্ষ লক্ষ মানুষ জড়িত হয় এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে. নিজেরা বিনিয়োগ  করেই থেমে থাকেনি মানুষ. কমিশনের লোভে পরিচিত বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন এক কথায় ঘাড়ে ধরে নিয়ে আসে ডেসটিনি লগিন করার জন্য. সিলভার, গোল্ড প্লাটিনাম সহ নানা রকমের বাহারি নামে ভূষিত করা হয় এইসব ইউজারকে.  পরের গল্প সবার জানা টানা বারো বছর এই দেশে ব্যবসা করে প্রতিষ্ঠানটি ।  শুরুর দিকে অনেকে ভালো অঙ্কের মুনাফাও পেয়েছিলেন ডেস্টিনি থেকে । ওয়ার্ড অফ মাউসের মাধ্যমে সেসব ছড়াতে থাকে।  দেশজুড়ে ডেসটিনি তখন সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠানের এমডি রফিকুল আমিনের জনপ্রিয়তা ও সুপারস্টারের চেয়েও একদম কম ...

মানি ট্রেপ ডিপ্লোম্যাসি কি ? চীন কিভাবে অন্নুনত দেশের সারবভৌমত্ব কিনে নিচ্ছে ?

 এই তো কদিন আগেকার কথা. আমেরিকাকে পেছনে ফেলে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে চীন. বিশ্বজুড়ে করোনার আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকেই গত দুই বছরে চীনের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা. ঈর্ষণীয়. অন্যান্য দেশের জিডিপির প্রবৃত্তি যেখানে মুখ থুবড়ে পড়েছে সেখানে চীনের জিডিপির গ্রোথ যেন আকাশে উড়ছে. কিন্তু এই উত্থানের পেছনে চীনের ব্যবসার পরিধি যতটা ভূমিকা রেখেছে প্রায় সমান ভূমিকা আছে সরকারের death trap diplomacy. গত দুই দশক ধরে শুধু অর্থনৈতিক পরশক্তিই নয় রাজনৈতিকভাবেও বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাবান রাষ্ট্র হওয়ার পথটা চীন যেভাবে কৌশলে তৈরি করে নিয়েছে সেটাকেই বলা হচ্ছে death trap diplomacy. আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তারে চীনের স্বপ্নের প্রকল্প বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ এখন জলজ্যান্ত বাস্তব. আর সেই বি আর আই কে বাস্তবায়ন করতে গিয়েই চীন হেঁটেছে ঋণ দিয়ে বিভিন্ন দেশকে নিজেদের কব্জায় আনার পথে. সোজা আঙ্গুলে ঘি না উঠলে আঙুল বাঁকা করতে হয়. সেটাই করছে চীন. যাদের কাছে টার্ম গুলো একটু খটমটে মনে হচ্ছে তাদের জন্য একদম সাধারণ একটা অজুহাত দিয়ে চীনের এই ঋণ ফাঁদের ব্যবসাটা খুঁজে পাওয়া । শ্রীলঙ্কার বন্...

রাশিয়ান হ্যাকাররা এত ভয়ঙ্কর কেন ?

  হ্যাকিং !  খুব ছোট্ট একটা শব্দ কিন্তু এই তাৎপর্য এবং গুরুত্ব দুটোই অপরিসীম. একজন মানুষের জীবন ধ্বংস করার ক্ষমতা তো হ্যাকারদের আছেই. গোটা একটা জাতির অপরিসীম ক্ষতি সাধনা করা সম্ভব. শুধুমাত্র এই হ্যাকিংএর মাধ্যমে. বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা চুরির ঘটনাটা কি উদাহরণ ধরতে পারেন. স্প্যাম মেল পাঠিয়ে সার্ভারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সরকারি ছুটির সময়টাকে কাজে লাগানোর মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশের কিছু ব্যাংক একাউন্টে ট্রান্সফার করে নিয়েছিল এই হ্যাকাররা. এর মধ্যে কিছু টাকা ফিরিয়ে আনা গেছে সত্যি কিন্তু বেশিরভাগেরই কোন হদিস পাওয়া যায় নি.  সাউথ ইন্ডিয়ান সিনেমায় হ্যাকিং এর দৃশ্য দেখে আপনি যদি ভেবে থাকেন যে ভার্সিটি থেকে ড্রপ আউট হওয়া ক্র্যাক হেডেট কিছুর দরুন দিনরাত কম্পিউটারের সামনে বসে এসব করে ফেলছে তাহলে আপনি বোকার স্বর্গে বাস করছেন । হ্যাঁ এরকম হ্যাকার যে নেই তা নয় । ইন্ডিপেন্ডেন্ট হ্যাকার সংখ্যাও পৃথিবীতে কম নয় । কিন্তু দুনিয়া জুড়ে হ্যাকিংকে যারা শিল্পে পরিণত করেছে যারা হ্যাকার হিসেবে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে হয়ে উঠেছে মূর্তিমান আতঙ্কের নাম ...

পোষ্ট ট্রমাটিক ডিসঅর্ডার কি ?

 কোন এক শহরের এক কর্মজীবী তরুণী ক্যাথরিন. চাকরিস্থল থেকে বাসা বেশ কিছুটা দূরে হয়. পাবলিক ট্রান্সপোর্টে যাতায়াত করতে হয় তাকে. একদিন কাজের চাপে অফিস থেকে বেরোতে বেশ দেরি হয়ে গেল. তিনি বাসায় যাওয়ার জন্য একটা বাসে চড়েন. আর তার বাসায় শেষ স্টপেজের ঠিক আগে. বেশ অনেকটা পথ. তাই সিটে গায়ে এলিয়ে দিলেন তিনি. চোখটাও হয়তো লেগে এসেছিল ক্লান্তিতে. যখন চোখ খুললেন দেখলেন বাসে তিনি একাই যাত্রী আর একটা ছেলে ড্রাইভারের পাশে দাঁড়ানো । তিনি ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করলেন বাস কি আর সামনে যাবে না?  ড্রাইভার জানালেন যাবে । তাকে নিশ্চিন্তে বসতে বললেন সেই অল্পবয়স্ক ড্রাইভার কিন্তু সেই তরুণীর মনে হচ্ছিল কিছু একটা অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে. অনেকটা ষষ্ঠ ইন্দ্রের মতো তাকে কেউ জানান দিল সামথিং ইজ ভেরি রড. তাই তিনি বাস থেকে নেমে যেতে চাইলেন. তখনই ড্রাইভার বাসের গতি বাড়িয়ে দিলেন. তরুণীর. আর বুঝতে বাকি রইল না কিছু. তার অল্প সময়ের মধ্যেই হয়তো নরক নেমে আসবে বাসের ভেতরে। তার সঙ্গে এমন কিছু ঘটবে যেটা তেমনি ভয়ঙ্করতম দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারেন না। খবরের কাগজে পড়া চলন্ত বাসে অঘটনের ঘটনাগুলোর কথা তার মাথায় ...

পুতিনের উত্থান পতনের গল্প । কেজিবির এজেন্ট থেকে রাশিয়ার প্রেসিডেণ্ট হয়ে যাওয়ার গল্প ।

স্কুলে পড়ার সময় সহপাঠীর সাথে একবার তার ঝগড়া হয়েছিল. ছেলেটা তক্কে তক্কে ছিল. পরদিন স্কুল ছুটির পরেই বাঘে বেয়ে শায়েস্তা করবে প্রতিপক্ষকে. কিন্তু যার সাথে তার ঝগড়া সে আরো বড় মাস্টার প্ল্যান করে রেখেছিল. নিজের কয়েক বন্ধুকে ডেকে এনে বেদম পিটিয়েছিলো ছেলেটাকে. এই ছেলেটা যার গল্প আমরা আজ বলবো সেই ছোট্ট বয়সেই দারুণ দুটো শিক্ষা পেয়েছিলো. এক হচ্ছে প্রতিপক্ষকে কখনো বোকা ভাবতে নেই. তারা সবসময় তোমার চেয়ে এক কদম এগিয়ে থাকার চেষ্টা করবে. কাজেই তুমি চেষ্টা করো দুই কদম সামনে থাকার. আর দ্বিতীয় শিক্ষাটা হচ্ছে--  এই লড়াই যদি অনিবার্য হয় তাহলে অবশ্যই প্রথম আঘাতটা তোমাকেই করতে হবে । নইলে খাইল হয়ে যেতে হবে কোন এক দুর্বল মুহূর্তে । সেই ছেলেটার নাম ছিল ব্লাদিমির পুতিন।  হ্যাঁ রাশিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে যাকে অভিহিত করলে খুব বেশি মানুষ দ্বিমত পোষণ করবে না বলে মনে হয়. নিম্ন মধ্যবিত্ত এক পরিবার থেকে উঠে এসে আজকের এই অবস্থানে এসেছেন ব্লাদিমির পুতিন। পুরো জার্নিতে তার মাথার উপর মেন্টর বা রাজনৈতিক গুরু টাইপের কেউই ছিল না. তিনি লড়েছেন. লড়তে লড়তে ...