সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

চীন কে ঠেকাতে আমেরিকার মহা পরিকল্পনা ? ইন্দো প্যাসিফিক ইকোনমিক ফেমোওয়ার্ক কি ?

  ইন্দো প্যাসিফিক ইকোনমিক ফেমোওয়ার্ক ফর পোস্ট প্রায়োরিটি বা সংক্ষেপে আইপিডিএফ অনেক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে এটিই হতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বহুপাক্ষিক অর্থনৈতিক উদ্যোগ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পলিটিক্যাল ইকোনমিক বাজারে এই ধারণাটা খুব জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে ।


 জাপানে ইন্দো প্যাসিফিক ইকোনমিক ফ্রেম ওয়ার্ক নামে নতুন এই অর্থনৈতিক উয্যোগের ঘোষণার সময় জো বাইডেন খুব জোরে স্বরেই বললেন আমরা এর মাধ্যমে একুশ শতকের অর্থনীতির নতুন ধারা রচনা করতে যাচ্ছি ।  প্রশ্ন হচ্ছে ইন্দো প্যাসিফিক ইকোনমিক ফ্রেম ওয়ার্ক  বিষয়টা কি?  আগে কিছু বিষয় সম্পর্কে একটু ধারণা নেওয়া প্রয়োজন এটা খুব নিশ্চিত ভাবেই বলা যায় এই অর্থনৈতিক উদ্যোগের কর্ণধার হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র । তাই পুরো বিষয়টি বুঝতে হলে আমাদের ইন্ডো প্যাসিফিক অঞ্চল এবং এই অঞ্চলকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের মনোভাব বুঝতে হবে. 



প্রথমত বোঝা দরকার বৈশিক রাজনীতির প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মনোভাবটা কি? যুক্তরাষ্ট্র, বিশ্ব রাজনীতিতে নিজেকে সুপার পাওয়ার হিসেবে দেখতে চায়.  মার্কিনীরা সবসময় চেষ্টা করে তার চেয়ে শক্তিশালী দেশের উত্থান যেন না হয়. তাই যুক্তরাষ্ট্র নিজে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র হয়ে ওঠার পাশাপাশি সারা বিশ্বে তার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং ভৌগোলিক আধিপত্য বজায় রাখতে চায়। 




 দ্বিতীয়ত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবেশাধিকার । তারা সবসময় বৈশ্বিক সম্পদ এবং বিশ্ববাজারে তাদের সর্বোচ্চ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে চায়. ফলে সেই লক্ষ্যে মিত্র শক্তি দেশগুলোকে নিয়ে বিভিন্ন অর্থনৈতিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে. আর এই অর্থনৈতিক পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রতিযোগী দেশগুলোর জন্য বাণিজ্য বাধার সৃষ্টি করে. প্রয়োজন হলে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিতেও পিছপা হয় না. যা শেষ পর্যন্ত সামরিক হস্তক্ষেপ পর্যন্ত গড়াতে পারে. 


তৃতীয়ত যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তার মিত্রদের পারস্পরিক বোঝাপড়া. যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের মাধ্যমে সারা বিশ্বে তার আধিপত্য বজায় রাখার চেষ্টা চালায়. আবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে মিত্ররাষ্ট্রগুলো তাদের স্বার্থ হাসিল করে.


 চতুর্থত আন্তর্জাতিক রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র যেখানেই হস্তক্ষেপ করেছে সেই অঞ্চলটি হয়ে উঠেছে ভুয়ো রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু. বার্লিন অবরোধ, ইজরাইলের উত্থান, কোরিয়া যুদ্ধ, কিউবার মিসাইল সংকট, ভিয়েতনাম যুদ্ধ, আফগানিস্তান যুদ্ধ. গত দুই দশকে আরব বসন্ত ও মধ্যপ্রাচ্য কেন্দ্রিক রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার দিকে তাকালে সেটাই বোঝা যায়. অর্থাৎ আন্তর্জাতিক রাজনীতির মোড় কোন দিকে যাবে সেটা মূলত নির্ভর করেছে এতদিন যুক্তরাষ্ট্রের উপরে. গত দুই দশকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে আমরা একটি এক মেরু বিশ্ব বা ইউনিপোলার ওয়ার্ল্ড অর্ডার দেখতে পেয়েছি । যেখানে যুক্তরাষ্ট্রই ছিল একক পরা শক্তি. একুশ শতকের তৃতীয় দশকে এসে পৃথিবীর আর এক ধরণের বিশ্ব ব্যবস্থার সামনে দাঁড়িয়ে আছে. যেখানে শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, বরং চীন, রাশিয়া, ফ্রান্স, উত্তর কোরিয়া ইত্যাদি রাষ্ট্র পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে.


 এতো কিছুদিন আগে রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ার্ল্ড অর্ডারকে কোনো তোয়াক্কা না করেই ইউক্রেন আক্রমণ করে বসে. যাই হোক এই অনেকগুলো রাষ্ট্র যখন বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালায় তখন তাকে বলে বহুমেরু বিশ্ব ব্যবস্থা. একুশ শতকে চীনের বিকাশমান সামরিক অর্থনৈতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, আকাশ, স্থল, সমুদ্রসীমার আধিপত্য ইত্যাদি তাদের যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রতিযোগী হিসেবে উপস্থাপন করেছে. ইতিমধ্যেই চীনের অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। তাই এই অঞ্চলের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ইন্দো প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিক ভিশন, ওয়ার্ড , বিল প্যাক ওয়ার্কস এর মতো প্রকল্প হাতে নিয়েছে । এইবার আসি ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চল বলতে কি বোঝায় ? সাথে ইন্দো প্যাসিফিক ইকোনমিক ফ্রেম ওয়ার্কটাই বা কি ?  এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় এই অঞ্চলকে যুক্তরাষ্ট্র মূলত ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চল বলে ডেকে থাকে. যা মূলত দূর প্রাচ্য, দক্ষিন ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া ও অশুনিয়া মহাদেশ নিয়ে গঠিত বিস্তৃত অঞ্চলকে পৌঁছায়. জিব্রালটার প্রণালী হয়ে ভূমধ্যসাগর সুয়েজ খাল পাড়ি দিয়ে লোহিত সাগর তারপর বঙ্গোপসাগর ও মালাক্কা প্রণালী হয়ে দক্ষিণ চীন সাগর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য রোড এই অঞ্চল জুড়েই বিস্তৃত ।বিশ্ব অর্থনীতির এক তৃতীয়াংশ বাণিজ্য হয় এই রুটটি দিয়ে । কয়েক বছর পর সারা পৃথিবীর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দুই তৃতীয়াংশই হবে এই অঞ্চলে।


 এখন এক কথায় এই ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলের দেশগুলোর সাথে শক্তিশালী এবং নিরবিচ্ছিন্ন অর্থনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র করতে গৃহীত একটি অর্থনৈতিক উদ্যোগকেই বলা ইন্দো প্যাসিফিক ইকোনমিক ফ্রেম ওয়ার্ক । ইন্দো প্যাসিফিক ইকোনমিক ফ্রেম ওয়ার্ক  হচ্ছে এই অঞ্চলে চায়নার পরিকল্পনার বিকল্প পন্থা । যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জ্যাকসুলিভান মনে করেন এটি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তার মিত্রদের সম্পর্ককে আরো জোরালো করে তুলবে যা তাদের সমন্বিত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে । যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও প্রাথমিকভাবে বারোটি রাষ্ট্র এর অন্তর্ভুক্ত যার মধ্যে আছে কোওয়ার্ড ভুক্ত রাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ভারত এবং জাপান. তাছাড়া আশিয়ান ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বুনাই, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপিন, সিঙ্গাপুর,  থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম. সাথে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া এবং নিউজিল্যান্ড. ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের আধিপত্য নিয়ন্ত্রণ করা ছাড়াও করোনা মহামারী এবং রাশিয়ার ইউক্রেনে   সেনা হস্তক্ষেপ এই অর্থনৈতিক উদ্যোগ ত্বরান্বিত করাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে. করোনার সময় দেখা গিয়েছে কিভাবে মহামারী সারা বিশ্বের সরবরাহ ব্যবস্থা বা সাপ্লাই চেইনকে ভেঙে দিয়েছে. ফ্যাক্টরিগুলো বন্ধ হয়ে গিয়েছিল. পণ্যবাহী জাহাজ তাদের পণ্য সরবরাহে দেরি করছিল. সারা বিশ্বে মুদ্রার স্মৃতি বেড়ে গিয়েছে. এই সাথে রাশিয়ার ইউক্রেনে হস্তক্ষেপ তখন দেখা যায়  বিশ্ববাজারে খাদ্য এবং জ্বালানির দাম কি নাটকীয় হারে বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে চলমান অর্থনৈতিক সংকট এবং করোনা পরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে ওঠার প্রয়াস হিসাবে ইন্দো প্যাসিফিক ইকোনমিক ফ্রেম ওয়ার্ক কে গুরুত্বের সাথে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্ররা।  এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের এমন কর্মযজ্ঞ নতুন কিছু নয় কিন্তু দুহাজার ষোলো সালে ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে নিজেদের আধিপত্যকে বহাল রাখার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও তেরোটি রাষ্ট্র নিয়ে ট্রান্সপেসিফিক পার্টনারশিপ টিপিপি নামে একটি বহুজাতিক বাণিজ্য চুক্তি করেছিল ওবামা প্রশাসন. কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়. 



 এই চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্যই ছিল বাণিজ্যের ক্ষেত্রে টেরিফ এবং নন টেরিফ ব্যারিয়ার গুলোকে প্রশমিত করা যার ফলে স্বাক্ষরকৃত রাষ্ট্রগুলো খুব সহজে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ঢুকতে পারতো।  বিষয়টি খুব অদ্ভুত হলেও সত্যি ট্রান্সপেসিফিক পার্টনারশিপ থেকে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের প্রত্যাহার করার পর চায়না এই বাণিজ্যচুক্তিতে  স্বাক্ষর করতে চেয়েছিল. যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের প্রত্যাহার করার পর এই অঞ্চলে অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় তেমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেনি. যার ফলশ্রুতিতে যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগ. যেহেতু  যুক্তরাষ্ট্র, বাণিজ্য যুদ্ধে টিকে থাকার লক্ষ্যে যতটা সম্ভব চীন নির্ভরতা কমাতে চায় তাই যুক্তরাষ্ট্র চেষ্টা করবে ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলগুলোতে তাদের বিকল্প বাজার তৈরি করতে. ভারতের সাথে চীনের তিব্বত ও লাদাখ দ্বন্দ্বে নিজেকে শক্ত অবস্থানে রাখতে হলে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা ভারতেরও দরকার.



 চারটি লক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে ইন্দো প্যাসিফিক ইকোনমিক ফ্রেম ওয়ার্কের পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে.  


 যেখানে অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে স্বাধীন এবং অনুকূল অর্থনৈতিক সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে. যা তাদের জাতীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং স্থিতিশীল উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে ।



 তা ছাড়া ডিজিটাল ইকোনমিক সেক্টরে ই কমার্স প্লাটফর্মকে কাজে লাগিয়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ধরনের ব্যবসায়ীরা কিভাবে লাভবান হতে পারে সেদিকেও রাখা হয়েছে বিশেষ নজর । করোনা মহামারী এবং ইউক্রেন সংকটের প্রেক্ষাপটে আমরা দেখেছি কিভাবে সারা পৃথিবীর সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল । যার ফলে দেখা দেয় মুদ্রার স্ফীতি ও জ্বালানি সংকট. তাই সমুদ্র বন্দরগুলোর কার্যকারিতা বৃদ্ধি, মুক্ত শক্তিশালী বাণিজ্য রুট গড়ে তোলা এই ইনিশিয়েটিভের প্রধান লক্ষ্য. নবায়ন যোগ্য শক্তির ব্যবহার, কার্বন নিরসন , কলকারখানার কার্বন ডাই অক্সাইডের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধি ইত্যাদি বিষয়েও ইন্দো প্যাসিফিক ইকোনমিক ফ্রেম ওয়ার্কে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।  এই অঞ্চলে সুস্থ অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা নিশ্চিত অর্থনৈতিক সুশাসন বিনষ্টকারী যেকোনো শক্তির বিপক্ষে সব সময় সোচ্চার থাকবে এই ফ্রেম ওয়ার্ক। সেক্ষেত্রে মানি লন্ডারিং ট্যাক্স বা কি অর্থনৈতিক তথ্যের অবৈধ হস্তান্তর তারা শক্ত হাতে দমন করবে. ইন্দো প্যাসিফিক ইকোনমিক ফ্রেম ওয়ার্ক  সম্পর্কে কিছু ইতিবাচক দিক থাকলেও এর সমালোচনাও কিন্তু হচ্ছে প্রচুর. যেমন একটি দেশ যখন কোন ইকোনমিক ব্লকে যোগ দেয় তখন সে শুল্ক মুক্ত বাণিজ্য প্রবেশাধিকার অথবা কোন ট্যারিফ প্রতিবন্ধকতা ছাড়া ব্যবসা করতে চায়. ইন্দো প্যাসিফিকে এমন বাজার সুবিধা বা টেরিফ মুক্ত বাণিজ্য করার কোনো সুযোগই নেই দেশগুলোর জন্য. তাই বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়া জাপান বাদে এই অর্থনৈতিক উদ্যোগ বাকি দেশগুলোর জন্য কোন ধরনের উইন উইন সিচুয়েশন নয়। এই ধরনের অর্থনৈতিক উদ্যোগকে বাস্তবায়ন করার জন্য একটি দেশের আভ্যন্তরীণ বিভিন্ন আইন এবং নীতিমালাকে পরিবর্তন করতে হয়।  বিভিন্ন আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় এই ইনিশিয়েটিভ সফল হওয়ার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ। এই ইকোনমিক ফ্রেম ওয়ার্ককে যুক্তরাষ্ট্রে প্রযুক্তি দুনিয়া নানা ধরনের বাধ্যবাধকতা ও বিধিনিষেধ আরোপের মাধ্যমে এক ধরনের আধিপত্য বিস্তার করতে চাইবে। এই ফ্রেম ওয়ার্ক  ডিজিটাল ইকোনমিক স্বচ্ছতা, পরিবেশগত সুরক্ষা, দুর্নীতি, প্রতিরোধের যে স্ট্যান্ডার্ড বা মান যুক্তরাষ্ট্র নির্ধারণ করেছে তা অন্তর্ভুক্ত অনেক ছোট দেশের জন্য পূরণ করা প্রায় অসম্ভব. তাছাড়া বাইডেন প্রশাসন কেমন অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক সহায়তা প্রদান করবে সহযোগী দেশগুলোর জন্য এখনো কিন্তু তা পরিষ্কার নয়. এমনকি ইউএস কংগ্রেস আইপিএফ এর দায়িত্ব নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছে. বাইরের প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় না থাকলে এই ইনিশিয়েটিভ কতদূর এগিয়ে যাবে সেটাও ভাবার বিষয়. আমরা দেখেছি ডোনাল্ড ট্রাম্প কিভাবে টিপিপি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করেছিল এর আগে. Indopesific economic framework চিনের বাণিজ্যিক আধিপত্য মোকাবিলার কতটুকু ভূমিকা পালন করতে পারে সেটা সময়ই বলে দেবে. তবে দক্ষিন এশিয়া এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় এই বাণিজ্য যুদ্ধ বাংলাদেশের মতো ক্ষুদ্র দেশগুলোর উপর কেমন প্রভাব ফেলবে সেটা বাংলাদেশের নীতি নির্ধারকদের অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে. এটা নিয়ে কথা হবে অন্য একদিন.



 

মন্তব্যসমূহ

Blog Posts

লুসিড ড্রিম কাকে বলে ? লুসিড ড্রিম কিভাবে দেখতে হয় ?

 স্বপ্ন নিয়ন্ত্রণ করার কথা ভেবেছেন কখনো? নিশ্চয়ই ভাবছেন জেগে জেগে দিবাস্বপ্ন দেখার কথা বলছি না তো? কিন্তু না, রীতিমতো ঘুমিয়ে দেখা স্বপ্নও নিয়ন্ত্রণের কথাই বলছি, আপনার ইচ্ছামত স্বপ্ন দেখবেন। ইচ্ছা মতো নিয়ন্ত্রণ করবেন। আর পছন্দ না হলে অর্থাৎ দুঃস্বপ্ন দেখা শুরু করলে সেটার গতিপথ পাল্টে দেবেন একেবারে নিমেষে। আধুনিক বিজ্ঞানের ভাষায় এটা খুবই সম্ভব একে বলা হয় লুসিভ ড্রিম। লুসিড ড্রিমিং এর সাথে আপনারা অনেকেই হয়তো পরিচিত আছেন। অনেকে পরিচিত থাকলেও হয়তো এটা কেন হচ্ছে বা কিভাবে হচ্ছে তা নিয়ে বেশ দ্বিধা দ্বন্দ্বে আছে এসবেরই উত্তর মিলবে আজকের এই লিখাতে।   লুসিড ড্রিম অর্থ কি? সহজ বাংলায় অনুবাদ করতে গেলে বলা যায় লুসিড অর্থ পরিষ্কার. অর্থাৎ স্পষ্ট আর dream মানে তো আমরা সবাই জানি যে স্বপ্ন। লুসিড ডিম হলো সেই স্বপ্ন যে আমাদের স্পষ্ট ভাবে মনে থাকে এবং স্বপ্ন চলাকালীন সময়েও আমরা এ উপলব্ধি করতে পারি যে এটি বাস্তব নয় বরং এটি স্বপ্ন কিন্তু শুধুমাত্র আক্ষরিক অর্থ দিয়ে লুসিড ড্রিম ব্যাখ্যা করলে ভুল হবে একটু অন্যভাবে বলা যাক ।  মনে করুন স্বপ্নে আপনি কি পাহাড়ের উপর থেকে দ্রুত গ...

সারোগেসি কি ?

সারোগেসির মাধ্যমে সন্তান ধারণ করা নিয়ে এখনো বহু বিতর্ক আছে. শুধু আমাদের দেশে নয়, সারা বিশ্বেই এই পদ্ধতি নিয়ে তর্ক বিতর্কের শেষ নেই.  এটার আইনি প্রক্রিয়াও জটিল। কারণ এটি একেক রাষ্ট্রে. শারোগেসি আইন একেক রকম. নারী মা হবেন প্রাকৃতিক নিয়ম সমাজ এমনটাই দেখতে অভ্যস্ত. কিন্তু কোন কারণে মা হবার ক্ষমতা না থাকলে তাকে পরিবার ও আশপাশ থেকে যে পরিমাণ কটু কথা শুনতে হয় তা সাধারণ মানুষের ধারণারও বাইরে.   সরোগেসি বিষয়টি কি? চিকিৎসা শাস্ত্রের অগ্রগতি এমন মায়েদের সামনে এনেছে যারা গর্ভ ভাড়া দিয়ে নিজে বাঁচেন অন্যদের মাতৃ সুখ দেন । একজন নারীর গর্ভে অন্য দম্পতির সন্তান ধারণের পদ্ধতিকে সারোগেসি বলা হয়.সারোগেসির এই  পদ্ধতি বেশ দীর্ঘকালীন. আইভিএফ পদ্ধতিতে স্ত্রী ও পুরুষের ডিম্বাণু শুক্রাণু দেহের বাইরে নিষিক্ত করে তা নারীর গর্ভাশয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়. কিন্তু এখানেও জটিলতা. কেন? সে বিষয়ে পরে আসছি. বাংলাদেশ সহ বহু দেশই এই সারোগেসি একরকম ভাবে নিষিদ্ধ. সুতরাং বিষয় টি  সংবেদনশীল. এমনকি বেশিরভাগ ধর্মেও রয়েছে নিষেধাজ্ঞা. চলুন কথা বলি সারোগেসি মাদার সম্পর্কে। আইভিএফ বা টেস্ট টি...

ন্যানো টেকনোলজি কিভাবে কাজ করে ?

  যদি বলি আপনার চোখ দেখতে পারে না এমন গভীর ও প্রায় অনাবিষ্কৃত একটা পৃথিবী আছে. হয়তো বলতে পারেন যে মহাবিশ্বে কত গ্রহই তো আছে? সব খোঁজ কি আমরা পেয়েছি? কিন্তু যদি বলি আমাদের এই পৃথিবীর ভেতরে আরো একটি জগত আছে এবং যে জগৎ ছড়িয়ে আছে আমাদের গোটা বিশ্ব জুড়ে. এইবার হয়তো নড়েচড়ে বসবেন. হ্যাঁ আমাদের চোখের সামনেই রয়েছে এমন এক রাজ্য যে আমরা খালি চোখে দেখতে পাই না. এটাকে বলা হয় অণুবীক্ষণিক বিশ্ব. এই অণুবীক্ষণই বিশ্ব প্রচন্ড আকর্ষণীয় ও চমকে দেওয়ার মতো. কি কি ঘটছে এখানে তা আমার আপনার কল্পনারও বাইরে. এটা যেন কোনো ভিন গ্রহ বাসীদের রাজ্য. সম্ভাবনার দুয়ার খুলে রাখা আছে এই অণুবীক্ষণিক বা nano বিশ্বে.  ন্যানো কি ন্যানো হলো পরিমাপের একক। এক মিটারের একশো কোটি ভাগের এক ভাগ হচ্ছে এক ন্যানো। আর ন্যানো টেকনোলজি হলো বিজ্ঞানের এই অতি ক্ষুদ্র স্তরে একটা কিছু তৈরী করা আসলে শুধু তৈরি করা না. ন্যানোমিটার স্কেলে পরিবর্তন, পরিবর্তন, ধ্বংস বা সৃষ্টি সম্পর্কিত টেকনোলজিকেই ন্যানো টেকনোলজি বলে. অর্থাৎ ন্যানোমিটার স্কেলে পরিমিত যেকোনো বিষয়ে বহুমাত্রিক টেকনোলজিকে ন্যানো প্রযুক্তি বা ন্যানো টেকনোলজি বলা যে...

পেগাসাস স্পাইওয়ার কি ?

গত কিছুদিন ধরেই বিশ্ব রাজনীতি এবং প্রযুক্তি জগৎ এই দুই জায়গাতেই আলোচনার বিষয়বস্তু একটাই। সেটা হচ্ছে পেগাসাস স্পাইওয়ার. বিশ্বজুড়ে নানান দেশের মানবাধিকার কর্মী সাংবাদিক আইনজীবী ও রাজনীতিকদের ফোনের নজরদারি চালানোর ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর ইজরায়েলের বেসরকারি কোম্পানি nso গ্রুপের তৈরি করা এই সফটওয়্যার নিয়ে এখন তুমুল তরজা চলছে দুনিয়া জুড়ে । চলুন কথা বলি দুনিয়া ওলট পালট করে দেওয়া স্পাইওয়ার সম্পর্কে । পেগাসাস মূলত একটি নজরদারি বিষয়ক সফটওয়্যার । ইজরাইলের সংস্থা এনএসও ই সফটওয়্যার তৈরি করেছে। যা দিয়ে যে কারো মোবাইলে আড়ি পাতা যায়. এটা কিন্তু সাধারণ কোন নজরদারি নয়. আগে ফোনে আড়ি পেতে শুধু দুই প্রান্তের কথাবার্তা শোনা যেত. আর সফটওয়্যারের মাধ্যমে গোটা ফোনটারই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় হ্যাকাররা. ফোনের কথাবার্তা WhatsApp এর চ্যাট, ছবি, ফোনে কি কি তথ্য আছে সবই জানা যায়. আরো ভয়ানক ব্যবহার হচ্ছে মোবাইল যিনি ব্যবহার করছেন তিনি জানতেই পারেন না যে তার ফোন হ্যাক করা হয়েছে. সমস্ত তথ্য পাচার হয়ে যাচ্ছে নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীর কাছে. কিন্তু কারো ফোনে পেগাসাস software install করতে হলে তো সেই ফোনটাকে...

রেট রেস কি ?

      আপনি ঠিক কখন ইঁদুর দৌড়ে যোগ দিয়েছেন এটা হিসাব করা কঠিন. কিন্তু নিশ্চিত থাকুন আপনি এই দৌড়ে আছেন. ক্লাস eight এ পড়ার সময়ের কথা মনে আছে? সামনে বৃত্তি পরীক্ষা পাটিগণিত বীজগণিতের অংক প্যাঁচ লাগাচ্ছে বিজ্ঞানের জটিল সব সূত্র ভোরে ওঠে প্রাইভেট টিউটরের বাসায় ছোটা রাত জেগে পড়াশোনা. বয়সের তুলনায় অনেক বেশি কর্ম ব্যস্ত একটা সময় নিশ্চয়ই কাটিয়েছেন তখন? আমরা সবাই কাটিয়েছি. সেই সময় নিশ্চয়ই অভিভাবক বলেছে এই তো আর কটা দিন. বৃত্তি পরীক্ষা শেষ হলেই জীবন শান্তি আর শান্তি. জীবনের নানা এপিসোডে আপনি এই কথাগুলো শুনেছেন অনেকবার অনেকের মুখে. এসএসসি পরীক্ষাটা দাও, কলেজে উঠলেই তো স্বাধীনতা. একবার ভার্সেটিতে উঠতে পারলেই জীবন হবে আনন্দে ভরপুর. একবার জব লাইফে ঢোকো. নিজের টাকায় আয়েশ করার মজাই অন্যরকম. শুনেছেন না এসব?  বয়স ঘড়ির ত্রিশের প্রান্তে দাঁড়িয়ে হিসেবগুলো মেলাতে পারেন কি? কি মনে হয়? এই এপিসোডগুলোর কোনোটা পার হবার সময় জীবন খানিকটা হলেও সহজ হয়েছে? সুন্দর হয়েছে? হয়নি, হবেও না, মিথ্যা একটা মরীচিকার আশায় আমরা ছুটেছি ঠিকই আমাদের ছোটানো হয়েছে, কিন্তু হিসাব মেলেনি ছুটত...

ম্যান্ডেলা ইফেক্ট কেনো হয়?

   আচ্ছা নিজের স্মৃতি শক্তির উপর কতটা বিশ্বাস আছে আপনার? আচ্ছা বাদ দিয়ে আপনার কথা. গণমানুষের স্মৃতিশক্তির উপর নিশ্চয়ই বিশ্বাস আছে অনেকটা. না না. ধর্মীয় কোন বিশ্বাস না. এই গ্রহে ঘটে যাওয়া এমন সব ঘটনা. যা সবাই জানে. তা কি রকম মিথ্যা? এক দশক আগেও পৃথিবীর প্রায় এক তৃতীয়াংশ মানুষ জানতো যে অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর নাম সিডনি. আসলে কি তাই? গত এক দশকে এই ধারণা মোটামুটি পরিবর্তন হয়ে মানুষ জেনেছে অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর নাম ক্যানভেরা. এখনো এই ভুল হরমামেশাই করে যাচ্ছে মানুষ. বিশ্বাস না হলে আশেপাশের কিছু মানুষকে জিজ্ঞেস করে দেখতে পারে. প্রশ্ন করতে পারেন ম্যান্ডেলার নাম কেন? এই ফ্ললস মেমোরি সিন্ড্রোমকে ম্যান্ডেল এফেক্ট নামকরণ করেছেন প্যারানরমাল কনসালটেন্ট ফীয়না ব্রুম তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে । দু হাজার দশ সালের এক আলোচনা সভায় উঠে আসে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতা উনিশশো আশি সালে কারা জানে মারা যাওয়ার প্রসঙ্গ । অনেকেই সেদিন বলেছিল, টিভিতে এই নেতার শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা দেখার অভিজ্ঞতার কথা. ম্যান্ডেলার স্ত্রীর হৃদয় নিন্দারও ভাষণের কথা উল্লেখ করেছিলেন কেউ কেউ. এমনক...

কিভাবে লিমিটলেস হওয়া যায় ? লিমিটলেস আসলে কিভাবে কাজ করে ?

এনজিটিপিল,  এটা এমন এক পিল যা আপনাকে করবে আল্ট্রা ফোকাসড. দেবে দুর্দান্ত মোটিভেশন. বের করে আনবে আপনার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা. আপনি হয়ে উঠবেন আনস্টপল. বাস্তবতা পাবে প্রতিটি স্বপ্ন. কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এমন কোন পিলের অস্তিত্ব নেই. ফলাফল আপনি আটকে আছেন একটি খাদে. সারাক্ষণ ক্লান্তি নিয়ে হয়ে উঠছেন আনপ্রোডাক্টিভ. নষ্ট হচ্ছে ক্রিয়েটিভিটি. সময় গড়িয়ে যায়. ঋতুর পরিবর্তন ঘটে. কিন্তু আপনি ডুবে থাকেন এক হতাশায় যাতে আপনি দিন দিন পিছিয়ে পরছেন. আপনি যা যা এতদিন অর্জন করবেন ভেবেছিলেন তা কিছুই আপনি অর্জন করতে পারেননি । নিজেকে সান্তনা দিচ্ছেন আগামীকাল হবে ভিন্ন। কিন্তু তা কখনোই হয়ে ওঠে না এখন যদি আপনাকে বলি কোনো জাদুকরী পিলের সাহায্যে নয় বাস্তবিক লিমিটলেস হয়ে ওঠা সম্ভব।  একদম প্রমাণিত পদ্ধতিতে যা একেবারে ফ্রিতে ব্যবহার করা সম্ভব.  তো আছেন তো শেষ পর্যন্ত ?  Limit less হওয়ার যাত্রায় ।  স্টেপ ওয়ান : এনার্জি--  মাত্র কয়েক মাস আগে আমি নিজেও আপনার মতো কর্মশক্তিহীন অনুভব করতাম. সামান্য কাজেই আসতো অবসন্নতা, গেয়ে ধরতো ক্লান্তি একদিন হঠাৎ টের পেলাম আমি নিজেই নিজের energy নি...

প্রযুক্তি দুনিয়াতে পর্দার আড়ালে থেকে যাওয়া এক প্রতিভাবান এর গল্প ।

পর্দার আড়ালে একা খেলে যাচ্ছেন একজন. কামাচ্ছেন বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার. অথচ তাকে চেনে খুব কম সংখ্যক মানুষ. আইটি জগতে ইলন মাস্ক, জেফ বোজোস বা বিট গ্রেটসের সাথে তার নামও সমান তালে চলার কথা ছিল. কিন্তু বিহাইন্ড দা সিনে একা গোল করে যাচ্ছেন তিনি. নাম ড্রোন ইয়াং পিং ড্রোন ইয়াং পিং নামটি মোবাইল ফোনের জগতে খুবই কম মানুষের শোনা. তবে তার নাম অজানা থাকলেও তার কোম্পানি বিবিকে ফোন গিগদের মধ্যে বেশ পরিচিত. ওয়ান প্লাস, রিয়েলমি, অপো, ভিভো এবং আইকিউ. এই পাঁচটি জনপ্রিয় মোবাইল ব্র্যান্ডের একক মালিক ডোন ইয়াং পিন.  এই ব্র্যান্ড গুলো তার কোম্পানিতে পরিণত করেছে বর্তমানের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী কোম্পানিতে. অ্যাপেল , শাওমি বা স্যামসাং যারা মোবাইল ফোনের জগতে বর্তমানে সবচেয়ে বড় ব্র্যান্ড তাদেরকেও পেছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে বিবিকে কোম্পানি। কিন্তু এত সফলতার সত্ত্বেও বেশিরভাগ মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী এমনকি ফোন গিগরাও তার সম্পর্কে বলতে গেলে তেমন কিছুই জানে না. এলেন মাস্ক, স্টিভ জবস বা জ্যাকমা, যারা কিনা টেকনোলজির জগতে খুবই পরিচিত তাদের সম্পর্কে অনলাইনে  অগণিত তথ্য রয়েছে। কিন্তু ডন ইয়ং পিং এর...

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি ? আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কতটা ভযঙ্কর হতে পারে আগামী দিনের জন্য ?

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বহুল চর্চিত এবং ব্যবহৃত একটি শব্দ. মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তা শক্তিকে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে স্থাপন করা টেকনোলজিটাই হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স । এর মাধ্যমে কোন যন্ত্র নির্দিষ্ট প্রোগ্রামের আওতাধীন কিছু কাজ নিজে থেকেই করতে পারে নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।  টার্মিনেচার টাইপের কোনো সাইফাই সিনেমার গুরু বন্ধুর সংলাপ নয়।  A.I নিয়ে ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন পৃথিবীর সেরা বিজ্ঞানীদের একজন স্টিফেন হকিং আমার ভয় হয় তারা সত্যিই হয়তো একদিন মানুষকে হটিয়ে নিয়ন্ত্রকের আসনে বসে যাবে। বেঁচে থাকতেই BBC কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স তথা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে এভাবেই সবাইকে সতর্ক করেছিলেন তিনি। হকিংসের এই ভয় এখনো ভবিষ্যতের বিষয় হলেও অমূলক নয় মোটেও যন্ত্রকে বুদ্ধিমান করে তার আশীর্বাদ অনেক আছে। কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে সেই যন্ত্রই পৃথিবীর দখল নিতে চলেছে কিনা স্বয়ং সম্পূর্ণ হয়ে মানুষকেই বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একদিন অপদার্থ তে পরিণত করবে কিনা সেই প্রশ্নটা উঠছে বারবার।  যুক্তরাষ্ট্রে...

মিনিমালিজম কি ? কিভাবে মিনিমালিস্ট হওয়া যায় ?

মিনিমামলিজম এই ধারণাটি বিগত কয়েক বছরে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এবং এর যথেষ্ট কারণও আছে. এই পুরো ব্যাপারটা কি? সেটাকে সঙ্গায়িত করা যায় এভাবে যে,  মিনিমালিজম হচ্ছে যা আমাদের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সেগুলোকে ধারণ করা এবং বাকি সব কিছু যা আমাদের দৃষ্টিকে অন্যদিকে সরিয়ে নেয় সেগুলোকে ইচ্ছাকৃতভাবে ত্যাগ করা।   অর্থাৎ কোন কোন বিষয়ে জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং কোন জিনিসগুলোকে আমাদের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান সেই সম্পর্কে একটা পরিষ্কার ধারণা থাকা এবং বাকি সব ত্যাগ  করে দেয়. সেগুলো নিয়েই জীবন ধারণ করা. কিন্তু এমন সংজ্ঞায়ন সত্ত্বেও minimalism কোন ধরাবাধা জীবন ব্যবস্থা নয় বা মিনিমালিস্ট হতে হলে কোন নির্দিষ্ট মানদণ্ড মেনে চলতে হবে এরকমটিও কিন্তু নয়. মিনিমালিস্ট লাইফ স্টাইল এমন একটি বিষয় যা প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য স্বতন্ত্র। এক্ষেত্রে মূল বিষয়টি হচ্ছে সত্যিকার অর্থে কোন কোন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় সেই সম্পর্কে একটা পরিষ্কার ধারণা নিয়ে সেই অনুযায়ী জীবন ধারণ করা. প্রিয় দর্শক চলুন দেখি মিনিমালিজম কিভাবে আপনার জীবনধারা বদলে দিতে পারে।  মিনিমালিস্ট জীবন অবশ...