সো হোয়াট দ্য হেল দিস ডাচ ডিজিজ? ডাচ ডিজিজ শব্দটা শুনলে আপনার স্বাভাবিক ভাবেই মনে হবে এটা কোন রোগের নাম । হ্যাঁ এটা একটা রোগ. তবে মানুষের নয়. কোন প্রাণীরও নয়. তাহলে? এটা মূলত অর্থনীতির একটা সিন্ড্রোম. কিন্তু অর্থনীতির টার্মের সঙ্গে ডিজিজ কথাটা যুক্ত হল কেন? ডাচ বা নেদারল্যান্ড দেশটারই বা কি ভূমিকা এতে? না এটা বুঝতে আপনাকে অর্থনীতির ছাত্র হতে হবে না ।কিন্তু বিষয়টা বেশ মজার দু হাজার সতেরো সালে বুকিং ইনস্টিটিউট কর্তৃক প্রকাশিত ডাচ ডিজিজ এন্ড ইকোনমিক ইলনেস ইজি টু ক্যাচ ডিফিকাল্ট টু কিওর শিরোনামের আর্টিকেলের শুরুতেই বলা হয়ে ছিল- what a persistantly low oil price, dose to oil richan prises like what a long cold winter dust to people একথার তাৎপর্য কি?
সহজ বাংলায় বুঝিয়ে বলা যায় যদি বিশ্ববাজারে ক্রমাগতভাবে তেলের দাম কমতে থাকে তখন তেল সমৃদ্ধ তেলের ওপর ভাবে নির্ভরশীল দেশগুলোর অর্থনীতি নানান সমস্যায় ভুগতে পারে. এখানে তেল একটা রূপক মাত্র. তেলের জায়গায় চাল, ডাল, লবণ, চিনি যেকোনো কিছুই হতে পারে. হতে পারে কোন শিল্প যেমন টেক্সটাইল গার্মেন্টস বা ইনফরমেশন টেকনোলজিও. মূল বিষয়টা হচ্ছে নির্দিষ্ট কোন পণ্য বা জিনিসের ওপর মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরতা. যে নির্ভরতা গোটা দেশের অর্থনীতিকে টালমাটাল করে তুলতে পারে. অর্থনীতি নিয়ে যারা একটু ঘাটাঘাটি করেন তাদের কাছে ডাচ ডিজিজ বেশ পরিচিত একটা কনসেপ্ট. তেলের চাহিদা তো বাংলাদেশেও আছে. তাহলে কি বাংলাদেশ ডাচ ডিজিজ দ্বারা আক্রান্ত হবে কোন একদিন? এর প্রতিরোধই বা কি? ডাচ disease অর্থনীতির এমন একটা অবস্থান যখন কোনো দেশের অর্থনীতির একটা বিশেষ সেক্টরের খুব দ্রুত উন্নতি হয় সাথে অন্য সেক্টরের পতন শুরু হয়. ফলে ওই দেশের মুদ্রার মান স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেড়ে যায়. আরেকটু যদি সহজভাবে বলি ডাচ ডিজিজ হলো এমন একটি অর্থনৈতিক ঘটনা যা একটি দেশের জন্য একদিকে ইতিবাচক খবর নিয়ে আসে. সাথে সাথে অর্থনীতির অন্য কোন সেক্টরের উপর নীতিবাচক প্রভাব বয়ে আনে. ধরুন কোন দেশ হঠাৎ একটা প্রাকৃতিক সম্পদের সন্ধান পেল. এর ফলে দেশটির অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার কথা. ইতিবাচক প্রভাবের পরিবর্তে যদি অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বা ইতিবাচক প্রভাবের চেয়েও যদি সেই সম্পদের নেতিবাচক প্রভাব বেড়ে যায় তখন তাকে বলা হয় ডাচ disease.
আপনার মনে প্রশ্ন আসতেই পারে একটা দেশের কোনো একটি সেক্টরের উন্নতি হলে অন্য সেক্টরে কেন নেগেটিভ প্রভাব পড়বে? বিষয়টি উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়. আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি জনপ্রিয় থিওরি হল তুলনামূলক সুবিধাতত্ত্ব বা কম্পিটিটিভ অ্যাডভান্টেজ থিওরি.
এই থিওরির মূল বক্তব্য হল একটা দেশ যে পণ্য উৎপাদনে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে সেই পণ্যটি উৎপাদনে বিশেষত্ব বা পারদর্শিতা অর্জন করে সেটি রপ্তানি করা উচিত. এতে করে অন্যান্য দেশের তুলনায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাড়তি সুবিধা পাওয় যাবে. ধরুন বাংলাদেশ হঠাৎ করে একটা প্রাকৃতিক সম্পদ আবিষ্কার করল. আমরা জানি যে এই ধরনের sector labor intensive না. অর্থাৎ এই প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণের উদ্যোগ নিলে খুব বেশি কর্মসংস্থান তৈরি হবে না. অন্যদিকে প্রাকৃতিক সম্পদ খনি থেকে উঠিয়ে যথাযথভাবে প্রক্রিয়াজিত করার পরেই ব্যবহার উপযোগী করতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন. এখন ধরা যাক প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলনের জন্য বাংলাদেশের পর্যাপ্ত অর্থ নেই. একটি বিদেশি কোম্পানি এদের বিনিয়োগ করলো. ফলে বাংলাদেশে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আসবে. এর ফলে বাংলাদেশের টাকার মান অন্য দেশের তুলনায় বেড়ে যাবে. যাকে অর্থনীতির ভাষায় বলা হয় কারেন্সি অ্যাপ্রিসিয়েশন.
এর ফলে বাংলাদেশ অন্য কোন দেশ থেকে কম দামে পণ্য আমদানি করতে পারবে. আবার কেউ বাংলাদেশ থেকে আমদানি করতে চাইলে তার খরচ পড়বে অনেক বেশি. অন্য দেশ থেকে যেহেতু কম দামে পণ্য আসছে বাংলাদেশে দেশি পণ্যের চেয়ে বিদেশি পণ্যের দাম কম হবে. ফলে দেশে অনেক শিল্প কারখানা বিদেশি প্রতিযোগিতার মুখে টিকতে না পেরে ধ্বংস হয়ে যাবে. আর এভাবেই নতুন আবিষ্কৃত প্রাকৃতিক সম্পদ অর্থনীতির অন্যান্য সেক্টরকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়ে সমগ্র অর্থনীতিকে সংকটে ফেলতে পারে. ডাচ ডিজিজ শব্দটা কিভাবে এলো? উনিশশো সাতানব্বই সালে দ্য ইকোনমিক্স ম্যাগাজিন সর্ব প্রথম ডাচ ডিজিজ শব্দটি ব্যবহার করে. প্রাকৃতিক গ্যাস আবিষ্কারের পর নেদারল্যান্ডের অর্থনীতিতে সৃষ্ট জটিল অবস্থা ব্যাখ্যা করতে ডাচ ডিজিজ শব্দটি ব্যবহার করা হয়.
উনিশশো ঊনষাট সাল। সে বছর নেদারল্যান্ড বিপুল পরিমান প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পায়। এরপর দেশটি অতিরিক্ত পরিমানে প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি শুরু করে। এসময় তাদের রপ্তানি আয় বেড়ে যায় অনেকটা। মূল সমস্যা ঠিক তখনই শুরু হয় যখন অধিক রপ্তানি আয়ের ফলে ডাচমুদ্রার মূল্য বেড়ে যায় এবং নেদারল্যান্ড তার মুদ্রার মান স্থিতিশীল রাখতে ব্যর্থ হয়। এই যে নেদারল্যান্ডে রপ্তানি আয় বাড়লো তার সুবিধা মূলত গ্যাসের সাথে জড়িত সকলেই পেলো। অন্যদিকে যেসব দ্রব্য প্রাকৃতিক গ্যাসের সাথে সংযুক্ত নয় সেগুলো বিশ্ববাজারে কম প্রতিযোগিতামূলক হয়ে গেলো। এ কারণে ডলারের বিপরীতে ডাচ মুদ্রার মান বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদনের ব্যয় বেড়ে গিয়েছিল। ফলে দেখা গেল প্রাকৃতিক গ্যাস ছাড়া অর্থনীতির বাকি ক্ষেত্রগুলো থেকে রপ্তানি আয় কমে গিয়েছিল। অর্থাৎ সামগ্রিক রপ্তানি আয় কমে গিয়েছিল। এখান থেকে পরবর্তীতে ডাচ ডিজিজ কনসেপ্ট নিয়ে আসে । বাংলাদেশ কি ডার্চ ডিজিজের সিন্ড্রোমে ভুগবে?
নেদারল্যান্ড যখন সিন্ড্রমে ভুগছিল তখন তাদের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় চুরাশি ভাগ আসতো গ্যাস থেকে. আমরা জানি যে বর্তমানে বাংলাদেশেরও রপ্তানি আয়ের আশি ভাগের বেশি আসছে তৈরি পোশাক শিল্প থেকে. তাহলে কি অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ Dutch disease syndrome এ ভুগতে যাচ্ছে. বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পূরণের জন্য অনেকাংশে কৃতিত্ব গার্মেন্ট শিল্প পাবে. কিন্তু সেই সেক্টরটাই কি আবার অভিশাপ হয়ে দাঁড়াবে বাংলাদেশের জন্য? সেই সম্ভাবনা. কতটুকু? আমরা শুরুতেই বলেছি যে প্রাকৃতিক সম্পদ কোন শ্রমবান্ধব শিল্প নয়. কিন্তু বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত একটি শ্রমবান্ধব শিল্প. এই সেক্টরে কাজের জন্য প্রচুর পরিমাণ শ্রমিকের প্রয়োজন হয়. দেশের প্রায় তিরিশ লাখ মানুষ সরাসরি পোশাক শিল্পের সাথে জড়িত. পাশাপাশি এই শিল্পের সঙ্গে অন্য অনেক শিল্পও ওতপ্রোতভাবে জড়িত. ব্যাংক. বীমা, পরিবহন, সমুদ্র বন্দর, হোটেল. নির্মাণ সহ অনেক খাত পোশাক শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট. পোশাক শিল্প, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এইসব শিল্পের উন্নয়নে অবদান রাখছে. অনেকে আবার তেল নির্ভর ভেনিস জুয়েলার অর্থনৈতিক সংকটের দিকে নির্দেশ করে বলেন যে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ওপর মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরতা বাংলাদেশকে ডাচ disease এর দিকে নিয়ে যাবে. কিন্তু বাস্তবতা হলো ভেনিজুয়েলা আর বাংলাদেশের অর্থনীতি সম্পূর্ণ বিপরীত।
ভেনিজুয়েলা সমাজতান্ত্রিক দেশ. ওই দেশের অর্থনীতি, সরকারের হস্তক্ষেপে নিয়ন্ত্রিত হয়. অন্যদিকে বাংলাদেশ পুঁজিবাদী ধারা অনুসরণ করে। বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ বেসরকারি খাতের হাতে। বাংলাদেশের পোশাক শিল্প সরকারিভাবে নিয়ন্ত্রিত কোনো শিল্প না যে সরকার চাইলেই ইচ্ছেমতো বিভিন্ন গার্মেন্টসে নিয়োগ দেবে। দুহাজার-ষোলো সালে জাপানের সাইদামা ইউনিভার্সিটি থেকে বাংলাদেশ ও নেপালের রেমিটেন্স ও ডাচ ডিজিজ নিয়ে গবেষণা করা হয়। গবেষণাটিতে দেখা যায় রেমিটেন্স সইয়ের কারণে নেপালে ডাজ ডিজিজ হলেও বাংলাদেশি ডাচ ডিজিজের কোন প্রভাব পড়েনি. এর ব্যাখ্যা হিসেবে তাঁরা দুটো কারণ উল্লেখ করেছেন.
প্রথমত নেপাল তাঁর রেমিটেন্সের সিংহভাগই ভোগের জন্য ব্যয় করে. কিন্তু বাংলাদেশের অর্থ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করে মূলধন বাড়িয়েছে. দ্বিতীয়ত বাংলাদেশ বৈদেশিক আয়ের অর্থ উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ করেছে. এছাড়া ইকোনমির বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশ উনিশশো-নব্বই সাল থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে যেমন ইকোনমিক জোন তৈরি , এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন তৈরি, যুগোপযোগী শিল্পনীতি গ্রহণ ও অবকাঠামো তৈরি ইত্যাদি. কিন্তু নেপাল ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের পুনর্গঠনের লক্ষ্যে এমন কোন পলিসি কখনোই গ্রহণ করেনি. তাহলে কি বাংলাদেশের কোন চ্যালেঞ্জ নেই? বিষয়টি এমন না যে ডাচ ডিজিজের দুশ্চিন্তা ভুলে বাংলাদেশ নিশ্চিন্তে নাকে তেল দিয়ে ঘুমাবে। বাংলাদেশের সামনে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে. বাংলাদেশ দু হাজার ছাব্বিশ সালের মধ্যে এলডিসি গ্রাজুয়েশন করে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উপনীত হবে. স্বল্পনত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ইউরোপ আমেরিকার বাজার থেকে এখন যে সুবিধাগুলো পাচ্ছে তখন আর এসব সুবিধা পাবে না। আর এজন্য বাংলাদেশকে এখন থেকে বিভিন্ন দেশের সাথে ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট সাক্ষর করার উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক বিভিন্ন অর্থনৈতিক ফোরাম যেমন আসিয়ান, রিসেপ্ট ইত্যাদিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত । এখনো বাংলাদেশের অর্থনীতি বহুলাংশে পোশাক শিল্পের উপর একক ভাবে নির্ভরশীল, বিশ্ববাজারে ভিয়েতনাম, চায়না সহ অন্যান্য দেশের সাথে এখন বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে রীতিমতো প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে. তাই এই খাতের উপর মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরতা আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আসতে পারে। তাহলে বাংলাদেশের করনীয় কি? বাংলাদেশ আপাতত দুটি বিষয়ের উপর নজর দিতে পারে। প্রথমত প্রোডাক্ট ডাইবার সিফিকেশন বা রপ্তানি পণ্য বহুমুখী করণ। শুধুমাত্র আর এম জি এর উপর নির্ভর না করে অন্যান্য পণ্য রপ্তানি বাড়াতে হবে. বাংলাদেশ পাট ও পাটজাত পণ্য চামড়া চামড়া জাত পন্য প্লাস্টিক জাতীয় পণ্য রপ্তানিতে নজর দিতে পারে.
দ্বিতীয়ত মার্কেট ডাইভার সিফিকেশন বা বাজার বহুমুখীকরণ. বাংলাদেশ এখন মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিংবা কতিপয় ইউরোপের দেশেই সিংহভাগ রপ্তানি করে. বাংলাদেশের উচিত নতুন নতুন বাজার খুঁজে বের করা. এই ভার্সিটাইলিটি আনতে না পারলে বাংলাদেশের সামনে ঝুঁকি আছে Dutch disease এ আক্রান্ত হবার. নতুন মার্কেট হিসেবে আমরা চায়নার কথা উল্লেখ করতে পারি. দুহাজার-উনিশ, বিশ সালে চায়না দুই দশমিক চার ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য আমদানি করে. যেখানে বাংলাদেশের অংশ ছিল মাত্র শূন্য দশমিক শূন্য পাঁচ শতাংশ. ডক্টর রাজ্জাক নামের একজন বাংলাদেশী গবেষণা করে দেখিয়েছেন. যদি বাংলাদেশ চায়নার মার্কেটের মাত্র এক শতাংশ ধরতে পারে. তাতে বাংলাদেশ বছরে পঁচিশ বিলিয়ন ডলার আয় করতে পারবে. খুব সম্প্রতি নিজেদের বাজারে বাংলাদেশের আটানব্বই পার্সেন্ট পণ্যকে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা দেয়ার ঘোষণা দেয় চায়না. এতে চীনের বাজারে বাংলাদেশের আট হাজার নয়শো ত্রিশটি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্ক মুক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে। বাংলাদেশের উচিত চায়না সহ অন্যান্য নতুন মার্কেটে যেমন দক্ষিণ আমেরিকা, আসিয়ান ভুক্ত দেশ, মধ্যপ্রাচ্য এসব দেশে রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা করা। তাহলেই নেদারল্যান্ড বা ভিয়েতনামের মতো করুন পরিণতি থেকে দূরে থাকাটা সম্ভব হবে খুব সহজেই । আজ এই পর্যন্তই. ধন্যবাদ ।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন