সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পদ্মা সেতুর টোল নিয়ে এত কানাকানি হানাহানি কেন নেটিজেনদের মাঝে ? পদ্মা সেতু আদ্য কী বদলে দিতে পারে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ জীবন ?

  সম্প্রতি বাংলাদেশের টক অফ দা টাউন পদ্মা সেতুর টোল. ট্রলের জোয়ারে ভাসছে টুল. কিন্তু কেন? 



পদ্মা সেতুর টোলের প্রজ্ঞাপনে দেখানো হয় সর্বনিম্ন টোল একশো টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ছয় হাজার টাকারও বেশি. ঘোষিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয় মোটরবাইকের জন্য টোল গুনতে হবে একশো টাকা. যা আগে ফেলতে পারাপারের ক্ষেত্রে. ছিল সত্তর টাকা. প্রাইভেট কারের জন্য সাতশো পঞ্চাশ টাকা যা ফেরির ক্ষেত্রে ছিল পাঁচশো টাকা. আর মিনিবাসের ক্ষেত্রে চোদ্দোশো টাকা যা ফেরিতে ছিল নশো পঞ্চাশ টাকা. এভাবে সাধারণ বাস, মাইক্রো বাস, বড় বাস, ট্রাক ইত্যাদি যানবাহন ভেদে টোলের হার বেড়েছে ফেরির তুলনায় প্রায় দেড় গুন আর এই নিয়েই দুনিয়ার আলোচনা সমালোচনা । কেউ বলে ঠিকই আছে টুলের হার তো আর কেউ বলছে কি এটা মগের মূলক  নাকি?  পদ্মা সেতুর টোল জনসাধারণের স্বার্থের বাইরে চলে গেল কি? কিংবা পদ্মা সেতু থেকে প্রাপ্ত সেবার বিপরীতে নির্ধারিত টোল ঠিক কতটা যুক্তিসঙ্গত? নির্ধারিত টোল যানবাহনের ভাড়া নির্ধারণে কতটা প্রভাব ফেলবে? বাংলাদেশ তো নিজস্ব অর্থায়নেই অর্থাৎ জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পদ্মা সেতু প্রস্তুত করেছে. তাহলে জনগণের ওপর থেকেই তো আবার এত টোল ধার্য করা হচ্ছে কেন ? এমন নানাবিধ প্রশ্ন চারিদিকে প্রশ্ন ওঠাটাই কিন্তু স্বাভাবিক কারণ পদ্মা সেতুই বাংলাদেশের একমাত্র উন্নয়ন প্রকল্প যেখানে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। পদ্মা সেতুর বিস্তারিত নকশা প্রাক্কদল এ বলা হয়েছে প্রকল্পটির ফলে প্রত্যক্ষভাবে প্রায় চুয়াল্লিশ হাজার বর্গ কিলোমিটার বা বাংলাদেশের মোট আয়তনের ঊনত্রিশ শতাংশ অঞ্চলের তিন কোটিরও অধিক জনগণ প্রত্যক্ষভাবে প্রভাবিত হবে. ফলে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে এই উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন আসবে? এটাই তো স্বাভাবিক. বাংলাদেশের আর্থসামাজিক বাস্তবতায় আপনাকে যদি প্রশ্ন করা হয় নির্ধারিত পদ্মা সেতুর টোল কতটা যুক্তিসঙ্গত? আপনি হয়তো আপনার মতো করে একটা উপসংহারে পৌঁছবেন. হয়তো আপনি একটা একরৈখিক উত্তর দেবেন. যে নির্ধারিত টোল আপনার কাছে যুক্তিসঙ্গত অথবা না. পদ্মা সেতুর নির্ধারিত টোল আসলে কতটা যুক্তিসঙ্গত এবং কতটা জনগণের সাধ্যের মধ্যে সেটা বুঝতে হলে আমাদের কিছু প্রেক্ষাপট পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন. এছাড়া যান চলাচল শুরুর পর এই রুটে অর্থনৈতিক সুশাসন নিশ্চিতে সরকার ব্যবসায়ী, বাস মালিক সমিতি, পরিবহন মালিক, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্নীতির ওপর কতটা নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারবে তার উপরও নির্ভর করবে টোল নির্ধারণের দূরদর্শিতা। ব্রিজ টুল এই ব্যাপারটা আসলেই কি ? 


 কোনো একটি সেতু নির্মাণের বিনিয়োগ পুনরুদ্ধার এবং নতুন বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টির সাথে ঋণ পরিশোধ রক্ষণাবেক্ষণ খরচ নির্বাহের লক্ষ্যে সরকার যখন প্রদত্ত সেবার বিনিময়ে একটা নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ যানবাহনের উপর ধার্য করে. তাকে বলা হয় ব্রিজ টোল. টোল সংগ্রহের ইতিহাস কিন্তু অনেকপুরোনো।  তবে বর্তমানের সাথে টুল সংগ্রহ প্রক্রিয়ার তেমন কোন পার্থক্য নেই বললেই চলে. পৃথিবীর প্রথম টুল ধার্য করা হয় বারোশো নয় সালে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া ওল্ড লন্ডন ব্রিজের উপর যা ঐতিহাসিক টেমস নদীর উপর নির্মিত হয়েছিল. পদ্মাসেতুর টোল সংগ্রহ ও সেতু রক্ষণাবেক্ষণের কাজেও দুইটি কর্পোরেশনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়. একটি হলো কোরিয়ার এক্সপ্রেস কর্পোরেশন কেইসি আর একটি হলো চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি এমবিএসসি. এখন দেখা যাক টোল নির্ধারণের ক্ষেত্রে কি কি মানদণ্ডটাও বিবেচনা করা হয়.



 প্রথমত ফেরতের হার বা রেট অফ রিটার্ন। একটি মেগা প্রজেক্টে বা বড় উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিলে ওই প্রকল্পের প্রাক সম্ভাব্যতা এবং সম্ভাব্যতা অধ্যায়ন করতে হয়. তার ওপর ভিত্তি করে একটি অর্থনৈতিক সমীক্ষা তৈরি করতে হয়. অর্থনৈতিক সমীক্ষায় দেখা হয় রাষ্ট্র নির্দিষ্ট প্রকল্পের পেছনে যে টাকা খরচ করবে তার বিপরীতে ওই নির্দিষ্ট প্রকল্প থেকে জনগণ কি পরিমান সুবিধা পেতে পারে? একটি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত তখনই সঠিক হবে যখন ফেরতের হার কমপক্ষে বারো শতাংশ হবে । অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী পদ্মা সেতুর ফেরতের হার উনিশ শতাংশ অর্থাৎ একজন নাগরিকের পদ্মাসেতুর জন্য একশো টাকা খরচ করলে সে তার বিনিময়ে একশো উনিশ টাকা সুবিধা ফেরত পাবে । দ্বিতীয়ত হচ্ছে শ্রম ঘন্টা 

 একটি মৌলিক প্রশ্ন দিয়ে শুরু করি। এই মানব সভ্যতার প্রতিটি সৃষ্টি বা উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্দেশ্য কি? সহজ কথায় আমাদের জনজীবনের দক্ষতা বৃদ্ধি করা. আমরা কত সময় ব্যয় করে কত বেশি পরিমাণ কাজ করতে পারি দক্ষতা তারই একটি সূচক. পদ্মা সেতুর সকল সুফলকে যদি এক অর্থে ব্যাখ্যা করতে চাই তাহলে বলতে হবে পদ্মা সেতু আমাদের জীবনে দক্ষতা বৃদ্ধি করবে । পদ্মা সেতু না থাকাকালীন একজন ব্যক্তির ঢাকা থেকে খুলনা যেতে হয়তো সাত থেকে দশ ঘন্টা পর্যন্ত সময় দরকার হতো । কিন্তু পদ্মা সেতু চালু হলে হইতো চার থেকে পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই চলে যেতে পারবে. এই যে বেঁচে যাওয়া সময়কে কাজে লাগিয়ে একজনের পক্ষে আরো শ্রম উৎপাদন করা সম্ভব. যার মাধ্যমে হয়তো তার আয় হবে অনেক বেশি. পদ্মা সেতু থেকে সেবা গ্রহণের ফলে আমাদের কি পরিমান শ্রমঘণটা বেঁচে যাবে সেটাও টোল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে কাজ করে।



 তৃতীয়ত প্রাথমিকভাবে দৈনিক যানবাহন চলাচলের সংখ্যা বা ইনিশিয়াল ডেইলি ট্রাফিক এবং যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি ট্রাফিক গ্রোথ। বর্তমানে মাওয়া জাজিরা ফেরিঘাট দিয়ে প্রতিবছর প্রায় দশ লক্ষ যানবাহন এবং দুই কোটি দশ লক্ষ মানুষ চলাচল করে । যেখানে দৈনিক যাত্রী চলাচল করে প্রায় আটান্ন হাজার । জাইকার মতে সেতু চালু হবার পর দশ বছরের যানবাহন চলাচল পূর্বাভাস বা ট্রাফিক ডিমান্ড ফোর ক্যাস্ট বিবেচনা করে বলা হয় পদ্মা  সেতু দিয়ে প্রতিদিন যানবাহন চলাচল করবে একচল্লিশ হাজার পাঁচশো পঞ্চাশটি. অর্থাৎ পদ্মা সেতু শুরু হলে বর্তমানের তুলনায় নয় গুণ বেশি যান চলাচল করবে এই রুটে. তারমানে একটি গাড়ি সর্বোচ্চ আগের চেয়ে আট বার বেশি চলাচল করতে পারবে. তার মানে টোলের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণে সে প্রফিট ম্যাক্সিমাইজেশন করতে পারবে. 



চতুর্থত ঋণের পরিমান. সুদের হার ঋণ পরিশোধের ব্যাপ্তি. বাংলাদেশের অর্থ বিভাগের সাথে সেতু বিভাগের চুক্তি অনুযায়ী সেতু বিভাগকে ত্রিশ হাজার একশো তিরানব্বই দশমিক উনচল্লিশ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে সরকার. যা এক শতাংশ সুদ হারে পঁয়ত্রিশ বছরের মধ্যে পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ. এই লক্ষ্যমাত্রা ঠিক রেখেই সেতু কর্তৃপক্ষ টোল নির্ধারণ করেছে. এবার আসা যাক পদ্মা সেতুর টোল নির্ধারণের সীমাবদ্ধতা নিয়ে ।  নির্ধারিত টোল বর্তমানে চলমান মুদ্রাস্ফীতি এবং জনগণের ক্রয় ক্ষমতার সাথে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ তা নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট বিতর্ক. যেহেতু দিন শেষে এটা ব্যবহার করবে জনগণ. তাই তাদের এই মূল্যে সেবা গ্রহণের অভিপ্রায় বা উইলিং ইনস্টিটিউটিক সার্ভিস কতটা নিরীক্ষণের বিষয়ে গবেষণার দরকার ছিল বলে অনেকেই মনে করেন. একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রথমেই পূর্ণদমে হয় না. একটা প্রকল্প মিনিমাম লেভেলে উৎপাদনশীল হতেও কিছুটা সময় নেয়। 



 অর্থাৎ একটি প্রকল্প থেকে ব্যয়ের চেয়ে বেশি সুবিধা একটি নির্দিষ্ট সময় পরে আসতে থাকে. এই ব্যয় সুবিধা, অনুপাত সমান বা বেশি হওয়ার আগ পর্যন্ত জনগণের জন্য অতিরিক্ত চাপ যে পড়বে এটা কিন্তু বলাই যায়. এটা ঠিক পদ্মা সেতুর ফলে দক্ষিণাঞ্চলের পণ্য ঢাকায় খুব সহজে চলে আসবে এবং ঠিক তেমনি পচনশীল পণ্য পরিবহনের ঝুঁকিও কমবে. কিন্তু এর ফলে আরেকটা সমস্যার সৃষ্টি হবে. সমস্যাটি হল দক্ষিণাঞ্চলের সমজাতীয় পণ্য যখন অন্য জেলা থেকেও আসবে তখন দুই অঞ্চলের পণ্যের দামের  তারতম্য দেখা দেবে. এই দামের তারতম্য সরকার কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করে সেটা কিন্তু একটা দেখার বিষয়. 




ঢাকা থেকে সড়ক পথে খুলনার দূরত্ব প্রায় দুশো পঞ্চান্ন কিলোমিটার. কিন্তু পদ্মাসেতু দিয়ে যাতায়াত করলে দূরত্ব কমে দাঁড়াবে একশো নব্বই কিলোমিটার । পঁয়ষট্টি কিলোমিটার পথ কমে আসবে. এতে জ্বালানি খরচ কমবে. সাধারণত বেশিরভাগ বাস চলে ডিজেলে. এক লিটার ডিজেলের দাম পঁচাশি টাকা।  পঁয়ষট্টি কিলোমিটার পথ কমে যাওয়ায় ঢাকা খুলনা বাসে জ্বালানি খরচ কমবে প্রায় এক হাজার সাতশো পঁচাশি টাকা. ট্রাকে জ্বালানির খরচ কমবে এক হাজার একশো সত্তর টাকা. ট্রলারে দু হাজার সাতশো তেষট্টি টাকা. মাইক্রো বাসও ব্যক্তিগত গাড়িতে পাঁচশো ঊনআশি টাকা এবং মোটরসাইকেলের জ্বালানির খরচ কমবে একশো চৌত্রিশ টাকা। পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা যশোরের দূরত্ব বর্তমানে দুশো বারো কিলোমিটার থেকে প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার কমে যাবে। এতে বাসে জ্বালানি বাঁচবে প্রায় সতেরো লিটার। অর্থাৎ টোল খরচ বাড়লেও যানবাহনগুলোর জ্বালানি খরচ কমে যাচ্ছে। সেকথা বিবেচনায় রেখে কতটা ভারসাম্যপূর্ণ ভাড়া নির্ধারণ হয় সেটাও কিন্তু দেখার বিষয় । ভারসাম্যপূর্ণ ভাড়া যদি নির্ধারিত না হয় তাহলে জনগণকে দুর্ভোগে পড়তে হবে. মানুষের জীবনের সবচেয়ে আনন্দের সময় তখন যখন সে তার স্বপ্নের বাস্তবায়নকে একটু একটু করে দেখতে পাই. আমরা এমনই সময় পার করছি. স্বপ্নের পদ্মা সেতু এখন বাস্তবতার দাঁড় প্রান্তে.  পদ্মা সেতুর ব্যবহারে আমরা কতটুকু স্বচ্ছতা এবং অর্থনৈতিক সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারি. তাই বলে দেবে স্বপ্নের পদ্মা সেতু থেকে আমরা কতটুকু উপকৃত হব? 


 

মন্তব্যসমূহ

Blog Posts

ন্যানো টেকনোলজি কিভাবে কাজ করে ?

  যদি বলি আপনার চোখ দেখতে পারে না এমন গভীর ও প্রায় অনাবিষ্কৃত একটা পৃথিবী আছে. হয়তো বলতে পারেন যে মহাবিশ্বে কত গ্রহই তো আছে? সব খোঁজ কি আমরা পেয়েছি? কিন্তু যদি বলি আমাদের এই পৃথিবীর ভেতরে আরো একটি জগত আছে এবং যে জগৎ ছড়িয়ে আছে আমাদের গোটা বিশ্ব জুড়ে. এইবার হয়তো নড়েচড়ে বসবেন. হ্যাঁ আমাদের চোখের সামনেই রয়েছে এমন এক রাজ্য যে আমরা খালি চোখে দেখতে পাই না. এটাকে বলা হয় অণুবীক্ষণিক বিশ্ব. এই অণুবীক্ষণই বিশ্ব প্রচন্ড আকর্ষণীয় ও চমকে দেওয়ার মতো. কি কি ঘটছে এখানে তা আমার আপনার কল্পনারও বাইরে. এটা যেন কোনো ভিন গ্রহ বাসীদের রাজ্য. সম্ভাবনার দুয়ার খুলে রাখা আছে এই অণুবীক্ষণিক বা nano বিশ্বে.  ন্যানো কি ন্যানো হলো পরিমাপের একক। এক মিটারের একশো কোটি ভাগের এক ভাগ হচ্ছে এক ন্যানো। আর ন্যানো টেকনোলজি হলো বিজ্ঞানের এই অতি ক্ষুদ্র স্তরে একটা কিছু তৈরী করা আসলে শুধু তৈরি করা না. ন্যানোমিটার স্কেলে পরিবর্তন, পরিবর্তন, ধ্বংস বা সৃষ্টি সম্পর্কিত টেকনোলজিকেই ন্যানো টেকনোলজি বলে. অর্থাৎ ন্যানোমিটার স্কেলে পরিমিত যেকোনো বিষয়ে বহুমাত্রিক টেকনোলজিকে ন্যানো প্রযুক্তি বা ন্যানো টেকনোলজি বলা যে...

লুসিড ড্রিম কাকে বলে ? লুসিড ড্রিম কিভাবে দেখতে হয় ?

 স্বপ্ন নিয়ন্ত্রণ করার কথা ভেবেছেন কখনো? নিশ্চয়ই ভাবছেন জেগে জেগে দিবাস্বপ্ন দেখার কথা বলছি না তো? কিন্তু না, রীতিমতো ঘুমিয়ে দেখা স্বপ্নও নিয়ন্ত্রণের কথাই বলছি, আপনার ইচ্ছামত স্বপ্ন দেখবেন। ইচ্ছা মতো নিয়ন্ত্রণ করবেন। আর পছন্দ না হলে অর্থাৎ দুঃস্বপ্ন দেখা শুরু করলে সেটার গতিপথ পাল্টে দেবেন একেবারে নিমেষে। আধুনিক বিজ্ঞানের ভাষায় এটা খুবই সম্ভব একে বলা হয় লুসিভ ড্রিম। লুসিড ড্রিমিং এর সাথে আপনারা অনেকেই হয়তো পরিচিত আছেন। অনেকে পরিচিত থাকলেও হয়তো এটা কেন হচ্ছে বা কিভাবে হচ্ছে তা নিয়ে বেশ দ্বিধা দ্বন্দ্বে আছে এসবেরই উত্তর মিলবে আজকের এই লিখাতে।   লুসিড ড্রিম অর্থ কি? সহজ বাংলায় অনুবাদ করতে গেলে বলা যায় লুসিড অর্থ পরিষ্কার. অর্থাৎ স্পষ্ট আর dream মানে তো আমরা সবাই জানি যে স্বপ্ন। লুসিড ডিম হলো সেই স্বপ্ন যে আমাদের স্পষ্ট ভাবে মনে থাকে এবং স্বপ্ন চলাকালীন সময়েও আমরা এ উপলব্ধি করতে পারি যে এটি বাস্তব নয় বরং এটি স্বপ্ন কিন্তু শুধুমাত্র আক্ষরিক অর্থ দিয়ে লুসিড ড্রিম ব্যাখ্যা করলে ভুল হবে একটু অন্যভাবে বলা যাক ।  মনে করুন স্বপ্নে আপনি কি পাহাড়ের উপর থেকে দ্রুত গ...

প্রযুক্তি দুনিয়াতে পর্দার আড়ালে থেকে যাওয়া এক প্রতিভাবান এর গল্প ।

পর্দার আড়ালে একা খেলে যাচ্ছেন একজন. কামাচ্ছেন বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার. অথচ তাকে চেনে খুব কম সংখ্যক মানুষ. আইটি জগতে ইলন মাস্ক, জেফ বোজোস বা বিট গ্রেটসের সাথে তার নামও সমান তালে চলার কথা ছিল. কিন্তু বিহাইন্ড দা সিনে একা গোল করে যাচ্ছেন তিনি. নাম ড্রোন ইয়াং পিং ড্রোন ইয়াং পিং নামটি মোবাইল ফোনের জগতে খুবই কম মানুষের শোনা. তবে তার নাম অজানা থাকলেও তার কোম্পানি বিবিকে ফোন গিগদের মধ্যে বেশ পরিচিত. ওয়ান প্লাস, রিয়েলমি, অপো, ভিভো এবং আইকিউ. এই পাঁচটি জনপ্রিয় মোবাইল ব্র্যান্ডের একক মালিক ডোন ইয়াং পিন.  এই ব্র্যান্ড গুলো তার কোম্পানিতে পরিণত করেছে বর্তমানের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী কোম্পানিতে. অ্যাপেল , শাওমি বা স্যামসাং যারা মোবাইল ফোনের জগতে বর্তমানে সবচেয়ে বড় ব্র্যান্ড তাদেরকেও পেছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে বিবিকে কোম্পানি। কিন্তু এত সফলতার সত্ত্বেও বেশিরভাগ মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী এমনকি ফোন গিগরাও তার সম্পর্কে বলতে গেলে তেমন কিছুই জানে না. এলেন মাস্ক, স্টিভ জবস বা জ্যাকমা, যারা কিনা টেকনোলজির জগতে খুবই পরিচিত তাদের সম্পর্কে অনলাইনে  অগণিত তথ্য রয়েছে। কিন্তু ডন ইয়ং পিং এর...

সারোগেসি কি ?

সারোগেসির মাধ্যমে সন্তান ধারণ করা নিয়ে এখনো বহু বিতর্ক আছে. শুধু আমাদের দেশে নয়, সারা বিশ্বেই এই পদ্ধতি নিয়ে তর্ক বিতর্কের শেষ নেই.  এটার আইনি প্রক্রিয়াও জটিল। কারণ এটি একেক রাষ্ট্রে. শারোগেসি আইন একেক রকম. নারী মা হবেন প্রাকৃতিক নিয়ম সমাজ এমনটাই দেখতে অভ্যস্ত. কিন্তু কোন কারণে মা হবার ক্ষমতা না থাকলে তাকে পরিবার ও আশপাশ থেকে যে পরিমাণ কটু কথা শুনতে হয় তা সাধারণ মানুষের ধারণারও বাইরে.   সরোগেসি বিষয়টি কি? চিকিৎসা শাস্ত্রের অগ্রগতি এমন মায়েদের সামনে এনেছে যারা গর্ভ ভাড়া দিয়ে নিজে বাঁচেন অন্যদের মাতৃ সুখ দেন । একজন নারীর গর্ভে অন্য দম্পতির সন্তান ধারণের পদ্ধতিকে সারোগেসি বলা হয়.সারোগেসির এই  পদ্ধতি বেশ দীর্ঘকালীন. আইভিএফ পদ্ধতিতে স্ত্রী ও পুরুষের ডিম্বাণু শুক্রাণু দেহের বাইরে নিষিক্ত করে তা নারীর গর্ভাশয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়. কিন্তু এখানেও জটিলতা. কেন? সে বিষয়ে পরে আসছি. বাংলাদেশ সহ বহু দেশই এই সারোগেসি একরকম ভাবে নিষিদ্ধ. সুতরাং বিষয় টি  সংবেদনশীল. এমনকি বেশিরভাগ ধর্মেও রয়েছে নিষেধাজ্ঞা. চলুন কথা বলি সারোগেসি মাদার সম্পর্কে। আইভিএফ বা টেস্ট টি...

পেগাসাস স্পাইওয়ার কি ?

গত কিছুদিন ধরেই বিশ্ব রাজনীতি এবং প্রযুক্তি জগৎ এই দুই জায়গাতেই আলোচনার বিষয়বস্তু একটাই। সেটা হচ্ছে পেগাসাস স্পাইওয়ার. বিশ্বজুড়ে নানান দেশের মানবাধিকার কর্মী সাংবাদিক আইনজীবী ও রাজনীতিকদের ফোনের নজরদারি চালানোর ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর ইজরায়েলের বেসরকারি কোম্পানি nso গ্রুপের তৈরি করা এই সফটওয়্যার নিয়ে এখন তুমুল তরজা চলছে দুনিয়া জুড়ে । চলুন কথা বলি দুনিয়া ওলট পালট করে দেওয়া স্পাইওয়ার সম্পর্কে । পেগাসাস মূলত একটি নজরদারি বিষয়ক সফটওয়্যার । ইজরাইলের সংস্থা এনএসও ই সফটওয়্যার তৈরি করেছে। যা দিয়ে যে কারো মোবাইলে আড়ি পাতা যায়. এটা কিন্তু সাধারণ কোন নজরদারি নয়. আগে ফোনে আড়ি পেতে শুধু দুই প্রান্তের কথাবার্তা শোনা যেত. আর সফটওয়্যারের মাধ্যমে গোটা ফোনটারই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় হ্যাকাররা. ফোনের কথাবার্তা WhatsApp এর চ্যাট, ছবি, ফোনে কি কি তথ্য আছে সবই জানা যায়. আরো ভয়ানক ব্যবহার হচ্ছে মোবাইল যিনি ব্যবহার করছেন তিনি জানতেই পারেন না যে তার ফোন হ্যাক করা হয়েছে. সমস্ত তথ্য পাচার হয়ে যাচ্ছে নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীর কাছে. কিন্তু কারো ফোনে পেগাসাস software install করতে হলে তো সেই ফোনটাকে...

রেট রেস কি ?

      আপনি ঠিক কখন ইঁদুর দৌড়ে যোগ দিয়েছেন এটা হিসাব করা কঠিন. কিন্তু নিশ্চিত থাকুন আপনি এই দৌড়ে আছেন. ক্লাস eight এ পড়ার সময়ের কথা মনে আছে? সামনে বৃত্তি পরীক্ষা পাটিগণিত বীজগণিতের অংক প্যাঁচ লাগাচ্ছে বিজ্ঞানের জটিল সব সূত্র ভোরে ওঠে প্রাইভেট টিউটরের বাসায় ছোটা রাত জেগে পড়াশোনা. বয়সের তুলনায় অনেক বেশি কর্ম ব্যস্ত একটা সময় নিশ্চয়ই কাটিয়েছেন তখন? আমরা সবাই কাটিয়েছি. সেই সময় নিশ্চয়ই অভিভাবক বলেছে এই তো আর কটা দিন. বৃত্তি পরীক্ষা শেষ হলেই জীবন শান্তি আর শান্তি. জীবনের নানা এপিসোডে আপনি এই কথাগুলো শুনেছেন অনেকবার অনেকের মুখে. এসএসসি পরীক্ষাটা দাও, কলেজে উঠলেই তো স্বাধীনতা. একবার ভার্সেটিতে উঠতে পারলেই জীবন হবে আনন্দে ভরপুর. একবার জব লাইফে ঢোকো. নিজের টাকায় আয়েশ করার মজাই অন্যরকম. শুনেছেন না এসব?  বয়স ঘড়ির ত্রিশের প্রান্তে দাঁড়িয়ে হিসেবগুলো মেলাতে পারেন কি? কি মনে হয়? এই এপিসোডগুলোর কোনোটা পার হবার সময় জীবন খানিকটা হলেও সহজ হয়েছে? সুন্দর হয়েছে? হয়নি, হবেও না, মিথ্যা একটা মরীচিকার আশায় আমরা ছুটেছি ঠিকই আমাদের ছোটানো হয়েছে, কিন্তু হিসাব মেলেনি ছুটত...

ম্যান্ডেলা ইফেক্ট কেনো হয়?

   আচ্ছা নিজের স্মৃতি শক্তির উপর কতটা বিশ্বাস আছে আপনার? আচ্ছা বাদ দিয়ে আপনার কথা. গণমানুষের স্মৃতিশক্তির উপর নিশ্চয়ই বিশ্বাস আছে অনেকটা. না না. ধর্মীয় কোন বিশ্বাস না. এই গ্রহে ঘটে যাওয়া এমন সব ঘটনা. যা সবাই জানে. তা কি রকম মিথ্যা? এক দশক আগেও পৃথিবীর প্রায় এক তৃতীয়াংশ মানুষ জানতো যে অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর নাম সিডনি. আসলে কি তাই? গত এক দশকে এই ধারণা মোটামুটি পরিবর্তন হয়ে মানুষ জেনেছে অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর নাম ক্যানভেরা. এখনো এই ভুল হরমামেশাই করে যাচ্ছে মানুষ. বিশ্বাস না হলে আশেপাশের কিছু মানুষকে জিজ্ঞেস করে দেখতে পারে. প্রশ্ন করতে পারেন ম্যান্ডেলার নাম কেন? এই ফ্ললস মেমোরি সিন্ড্রোমকে ম্যান্ডেল এফেক্ট নামকরণ করেছেন প্যারানরমাল কনসালটেন্ট ফীয়না ব্রুম তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে । দু হাজার দশ সালের এক আলোচনা সভায় উঠে আসে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতা উনিশশো আশি সালে কারা জানে মারা যাওয়ার প্রসঙ্গ । অনেকেই সেদিন বলেছিল, টিভিতে এই নেতার শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা দেখার অভিজ্ঞতার কথা. ম্যান্ডেলার স্ত্রীর হৃদয় নিন্দারও ভাষণের কথা উল্লেখ করেছিলেন কেউ কেউ. এমনক...

কিভাবে লিমিটলেস হওয়া যায় ? লিমিটলেস আসলে কিভাবে কাজ করে ?

এনজিটিপিল,  এটা এমন এক পিল যা আপনাকে করবে আল্ট্রা ফোকাসড. দেবে দুর্দান্ত মোটিভেশন. বের করে আনবে আপনার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা. আপনি হয়ে উঠবেন আনস্টপল. বাস্তবতা পাবে প্রতিটি স্বপ্ন. কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এমন কোন পিলের অস্তিত্ব নেই. ফলাফল আপনি আটকে আছেন একটি খাদে. সারাক্ষণ ক্লান্তি নিয়ে হয়ে উঠছেন আনপ্রোডাক্টিভ. নষ্ট হচ্ছে ক্রিয়েটিভিটি. সময় গড়িয়ে যায়. ঋতুর পরিবর্তন ঘটে. কিন্তু আপনি ডুবে থাকেন এক হতাশায় যাতে আপনি দিন দিন পিছিয়ে পরছেন. আপনি যা যা এতদিন অর্জন করবেন ভেবেছিলেন তা কিছুই আপনি অর্জন করতে পারেননি । নিজেকে সান্তনা দিচ্ছেন আগামীকাল হবে ভিন্ন। কিন্তু তা কখনোই হয়ে ওঠে না এখন যদি আপনাকে বলি কোনো জাদুকরী পিলের সাহায্যে নয় বাস্তবিক লিমিটলেস হয়ে ওঠা সম্ভব।  একদম প্রমাণিত পদ্ধতিতে যা একেবারে ফ্রিতে ব্যবহার করা সম্ভব.  তো আছেন তো শেষ পর্যন্ত ?  Limit less হওয়ার যাত্রায় ।  স্টেপ ওয়ান : এনার্জি--  মাত্র কয়েক মাস আগে আমি নিজেও আপনার মতো কর্মশক্তিহীন অনুভব করতাম. সামান্য কাজেই আসতো অবসন্নতা, গেয়ে ধরতো ক্লান্তি একদিন হঠাৎ টের পেলাম আমি নিজেই নিজের energy নি...

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি ? আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কতটা ভযঙ্কর হতে পারে আগামী দিনের জন্য ?

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বহুল চর্চিত এবং ব্যবহৃত একটি শব্দ. মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তা শক্তিকে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে স্থাপন করা টেকনোলজিটাই হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স । এর মাধ্যমে কোন যন্ত্র নির্দিষ্ট প্রোগ্রামের আওতাধীন কিছু কাজ নিজে থেকেই করতে পারে নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।  টার্মিনেচার টাইপের কোনো সাইফাই সিনেমার গুরু বন্ধুর সংলাপ নয়।  A.I নিয়ে ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন পৃথিবীর সেরা বিজ্ঞানীদের একজন স্টিফেন হকিং আমার ভয় হয় তারা সত্যিই হয়তো একদিন মানুষকে হটিয়ে নিয়ন্ত্রকের আসনে বসে যাবে। বেঁচে থাকতেই BBC কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স তথা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে এভাবেই সবাইকে সতর্ক করেছিলেন তিনি। হকিংসের এই ভয় এখনো ভবিষ্যতের বিষয় হলেও অমূলক নয় মোটেও যন্ত্রকে বুদ্ধিমান করে তার আশীর্বাদ অনেক আছে। কিন্তু দীর্ঘ মেয়াদে সেই যন্ত্রই পৃথিবীর দখল নিতে চলেছে কিনা স্বয়ং সম্পূর্ণ হয়ে মানুষকেই বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একদিন অপদার্থ তে পরিণত করবে কিনা সেই প্রশ্নটা উঠছে বারবার।  যুক্তরাষ্ট্রে...

মিনিমালিজম কি ? কিভাবে মিনিমালিস্ট হওয়া যায় ?

মিনিমামলিজম এই ধারণাটি বিগত কয়েক বছরে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এবং এর যথেষ্ট কারণও আছে. এই পুরো ব্যাপারটা কি? সেটাকে সঙ্গায়িত করা যায় এভাবে যে,  মিনিমালিজম হচ্ছে যা আমাদের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সেগুলোকে ধারণ করা এবং বাকি সব কিছু যা আমাদের দৃষ্টিকে অন্যদিকে সরিয়ে নেয় সেগুলোকে ইচ্ছাকৃতভাবে ত্যাগ করা।   অর্থাৎ কোন কোন বিষয়ে জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং কোন জিনিসগুলোকে আমাদের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান সেই সম্পর্কে একটা পরিষ্কার ধারণা থাকা এবং বাকি সব ত্যাগ  করে দেয়. সেগুলো নিয়েই জীবন ধারণ করা. কিন্তু এমন সংজ্ঞায়ন সত্ত্বেও minimalism কোন ধরাবাধা জীবন ব্যবস্থা নয় বা মিনিমালিস্ট হতে হলে কোন নির্দিষ্ট মানদণ্ড মেনে চলতে হবে এরকমটিও কিন্তু নয়. মিনিমালিস্ট লাইফ স্টাইল এমন একটি বিষয় যা প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য স্বতন্ত্র। এক্ষেত্রে মূল বিষয়টি হচ্ছে সত্যিকার অর্থে কোন কোন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় সেই সম্পর্কে একটা পরিষ্কার ধারণা নিয়ে সেই অনুযায়ী জীবন ধারণ করা. প্রিয় দর্শক চলুন দেখি মিনিমালিজম কিভাবে আপনার জীবনধারা বদলে দিতে পারে।  মিনিমালিস্ট জীবন অবশ...