সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

আমরা কি তাহলে ক্যাশলেস সমাজে ডুকে পড়তেছি?

    লক্ষ্য করেছেন যে cash টাকার ব্যবহার কমতে শুরু করেছে. বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানেই সরাসরি ব্যাঙ্ক থেকে আপনার একাউন্টে টাকা ঢুকছে বেতন হিসেবে. মুদিখানা বা চায়ের টন দোকান বাদে।  সম্প্রতি  যা কিছু কেনাকাটা করেছেন একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন তার বেশিরভাগ লেনদেনই আপনাকে ডিজিটাল পেমেন্টে করতে হয়েছে. আর সেটা অনলাইন কেনাকাটা হলে তো কথাই নেই. বিশ্বের অনেক দেশের মতো আমাদের দেশেও এখন মোবাইল পেমেন্ট ই ওয়ালে, ট্যাপ টু পে, ডেবিট এবং ক্রেডিট কার্ড বহুল ব্যবহৃত payment পদ্ধতি।  তার মানেটা কি দাঁড়াচ্ছে? আমরাও কি ধীরে ধীরে ক্যাশলেস সোসাইটির ধারণার সাথে অভ্যস্ত হতে শুরু করেছি? ক্যাশলেস সোসাইটি হলো এমন একটা সুব্যবস্থা যে সমাজে ক্যাশ টাকা বা মুদ্রার ব্যবহার একেবারেই থাকবে না. এখন অনেকের কাছে এটা কল্প কাহিনীর মত শোনাবে কিন্তু আসল সত্য হচ্ছে আমরা একটু একটু করে সেদিকেই এগোচ্ছি । বর্তমান সময়ে অনেক আর্থিক কর্মকান্ড এবং লেনদেন ক্যাশ টাকা ছাড়াই সম্পন্ন হচ্ছে এবং সেক্ষেত্রে অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান পরিষেবা সংস্থা এমনকি সরকারও এই পরিবর্তনকে প্রমোট করছে. যদিও ক্যাশলেস সোসাইটির ধারণাটি এখনো বেশির...

পৃথিবীর দুর্দ্র্ষ গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ ।

  অক্টোবর দু হাজার উনিশ স্থানীয় এক পত্রিকায় সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় ইরানের ইসলামিক রেভোলুয়েশনারি গার্ডের প্রধান কাসেম সোলেমানী বলেন মোসাদের পক্ষে তাকে হত্যা করা অসম্ভব । তার এমন কথার জবাবে অক্টোবরের এগারো তারিখে the times of ইসরায়েলকে দিয়ে এক সাক্ষাৎকারে মোসাদ প্রধান কোহেন তাচ্ছিল্য করে বলেছিলেন, কাশেম সোলায়মনের প্রতি সম্মান রেখে বলছি সে এখনো এমন কিছু করে বসেনি যার জন্য মসাদ তাকে গুপ্ত হত্যার চিন্তা করবে । বিষয়টা এমন ছিল যে মূসাদের নজরে আসতে হলে কাসিম সোলার মানে কে আরো তাৎপর্যপূর্ণ কিছু একটা করতে হবে.  এ ঠিক দুই মাস পরেই যুক্তরাষ্ট্রের এক ড্রোন হামলায় বাগদাদের কাশেম সোলায়মানে নিহত হন. তার এক সপ্তাহ পর এমবিসি নিউজ তাদের অনুসন্ধান মূলক এক প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রকাশ করে কাসেম সোলাইমানির দামেস্ক থেকে বাগদাদ ফ্লাইটের বিস্তারিত তথ্য মোসাদের মাধ্যমে CI এর কাছে পাঠানো হয়েছিল. কিছুদিন পর কাশেম সোলামনির ব্যক্তিগত ফোনে মোসাদ আরি পেতেছিল. এমনটাই দাবি করে ইয়াহু নিউজ। এই প্রতিবেদন চাইলে যে কেউ গুজব বলে উড়িয়ে দিতে পারতেন, যদি না ইজরাইলের একজন অবসরপ্রাপ্ত আর্মি জেনারেল বোমাটা না ...

দুনিয়ার সবচেয়ে ভয়ানক হ্যাকিং গ্রুপের পরিচিতি।

    দুহাজার চোদ্দ দুহাজার ষোলো সালের দুই বছরের দুটি hacking এর ঘটনা সারা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিল. এর একটি ছিল হলিউডের সনি পিকচারে এবং অন্যটি খোদ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আপাত দৃষ্টিতে এই ঘটনা দুটিকে বিচ্ছিন্ন দুটি ঘটনা বলে মনে হলেও এই দুটি ঘটনায় কিন্তু একটা জায়গায় মিল ছিল । ঘটনা দুটোর পেছনের হোতা একই । লাজরাস নামের উত্তর কোরিয়ার একটি সাইবার ক্রাইম স্ল্যাশ হ্যাকিং গ্রুপ. আগে দেখে আসি চলুন বাংলাদেশ ব্যাংকে সেদিন কি ঘটেছিল.  দু হাজার ষোলো সালের পাঁচ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল একটা দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক লুট করতে কনকনে ঠান্ডা সেই শীতের সকালকেই বেছে নিয়েছিল সাইবার অপরাধের একটি চক্র. দিনটি ছিল সাপ্তাহিক ছুটির দিন. বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের রিজার্ভ থেকে গায়েব হয়ে যায় আট কোটি দশ লাখ ডলার. কি ভাবছেন? দা ডার্ক নাইট সিনেমার মতো টাকা চুরির জন্য বন্দুক নিয়ে ব্যাঙ্কে প্রবেশ করেছিল তারা? বা হিট সিনেমার মতো রবারডি নিরস সাঙ্গোপাঙ্গ নিয়ে ব্যাংকে ঢুকে যাওয়া ব্যাপারটা মোটেও একদম এরকম ছিল না।  সর্বকালের অন্যতম এই সাইবার চুরি কিভাবে হয়েছিল তা জানলে আপন...

পেগাসাস স্পাইওয়ার কি ?

গত কিছুদিন ধরেই বিশ্ব রাজনীতি এবং প্রযুক্তি জগৎ এই দুই জায়গাতেই আলোচনার বিষয়বস্তু একটাই। সেটা হচ্ছে পেগাসাস স্পাইওয়ার. বিশ্বজুড়ে নানান দেশের মানবাধিকার কর্মী সাংবাদিক আইনজীবী ও রাজনীতিকদের ফোনের নজরদারি চালানোর ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর ইজরায়েলের বেসরকারি কোম্পানি nso গ্রুপের তৈরি করা এই সফটওয়্যার নিয়ে এখন তুমুল তরজা চলছে দুনিয়া জুড়ে । চলুন কথা বলি দুনিয়া ওলট পালট করে দেওয়া স্পাইওয়ার সম্পর্কে । পেগাসাস মূলত একটি নজরদারি বিষয়ক সফটওয়্যার । ইজরাইলের সংস্থা এনএসও ই সফটওয়্যার তৈরি করেছে। যা দিয়ে যে কারো মোবাইলে আড়ি পাতা যায়. এটা কিন্তু সাধারণ কোন নজরদারি নয়. আগে ফোনে আড়ি পেতে শুধু দুই প্রান্তের কথাবার্তা শোনা যেত. আর সফটওয়্যারের মাধ্যমে গোটা ফোনটারই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় হ্যাকাররা. ফোনের কথাবার্তা WhatsApp এর চ্যাট, ছবি, ফোনে কি কি তথ্য আছে সবই জানা যায়. আরো ভয়ানক ব্যবহার হচ্ছে মোবাইল যিনি ব্যবহার করছেন তিনি জানতেই পারেন না যে তার ফোন হ্যাক করা হয়েছে. সমস্ত তথ্য পাচার হয়ে যাচ্ছে নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীর কাছে. কিন্তু কারো ফোনে পেগাসাস software install করতে হলে তো সেই ফোনটাকে...

কিভাবে লিমিটলেস হওয়া যায় ? লিমিটলেস আসলে কিভাবে কাজ করে ?

এনজিটিপিল,  এটা এমন এক পিল যা আপনাকে করবে আল্ট্রা ফোকাসড. দেবে দুর্দান্ত মোটিভেশন. বের করে আনবে আপনার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা. আপনি হয়ে উঠবেন আনস্টপল. বাস্তবতা পাবে প্রতিটি স্বপ্ন. কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এমন কোন পিলের অস্তিত্ব নেই. ফলাফল আপনি আটকে আছেন একটি খাদে. সারাক্ষণ ক্লান্তি নিয়ে হয়ে উঠছেন আনপ্রোডাক্টিভ. নষ্ট হচ্ছে ক্রিয়েটিভিটি. সময় গড়িয়ে যায়. ঋতুর পরিবর্তন ঘটে. কিন্তু আপনি ডুবে থাকেন এক হতাশায় যাতে আপনি দিন দিন পিছিয়ে পরছেন. আপনি যা যা এতদিন অর্জন করবেন ভেবেছিলেন তা কিছুই আপনি অর্জন করতে পারেননি । নিজেকে সান্তনা দিচ্ছেন আগামীকাল হবে ভিন্ন। কিন্তু তা কখনোই হয়ে ওঠে না এখন যদি আপনাকে বলি কোনো জাদুকরী পিলের সাহায্যে নয় বাস্তবিক লিমিটলেস হয়ে ওঠা সম্ভব।  একদম প্রমাণিত পদ্ধতিতে যা একেবারে ফ্রিতে ব্যবহার করা সম্ভব.  তো আছেন তো শেষ পর্যন্ত ?  Limit less হওয়ার যাত্রায় ।  স্টেপ ওয়ান : এনার্জি--  মাত্র কয়েক মাস আগে আমি নিজেও আপনার মতো কর্মশক্তিহীন অনুভব করতাম. সামান্য কাজেই আসতো অবসন্নতা, গেয়ে ধরতো ক্লান্তি একদিন হঠাৎ টের পেলাম আমি নিজেই নিজের energy নি...

শ্রীলংকা কিভাবে অর্থনৈতিক ভাবে দেউলিয়া হল ?

   দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপ রাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা চরম এক অর্থনৈতিক সংকটের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে. উনিশশো আটচল্লিশ সালে স্বাধীনতা লাভের পর থেকে শ্রীলঙ্কা কখনো এত দূরবস্থায় পড়েনি. এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো দেশটি বৈদেশিক ঋণের ভারে জর্জরিত.  পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করার মতো বৈদেশিক মুদ্রাও নেই শ্রীলঙ্কার কাছে. সেকারণে দেশটিতে জিনিসপত্রের দাম আকাশ ছোঁয়া.  জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের কারণে হাজার হাজার মানুষ তেল সংগ্রহের জন্য লাইনে ভিড় করছে. পরিস্থিতি সামাল দিতে শ্রীলংকার পেট্রোল পাম্প গুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে. কাগজ আমদানি করার মতো টাকাও নেই. তাই স্কুলের পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে.   শ্রীলংকা গত পনেরো বছরে বেশ কিছু মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে. এর মধ্যে সমুদ্র বন্দর, বিমানবন্দর, রাস্তা নির্মাণ এবং আরও নানা ধরনের প্রকল্প রয়েছে. দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা বলছেন এইসব প্রকল্পের বেশিরভাগই অপ্রয়োজনীয়. এইসব প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন উৎস থেকে শ্রীলংকা বিপুল অর্থ ঋণ নিয়েছে. ঋণ নিয়ে দেদারসে অর্থ খরচ করা হলেও অনেক প্রকল্প অর্থনৈতি...

কিভাবে মার্কিন ডলার বিশ্ব জুড়ে আধিপত্য কায়েম করল??

   বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর মুদ্রা হলো মার্কিন ডলার. সারা বিশ্বের প্রধান রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে মার্কিন ডলার ব্যবহার করা হয়. বিশ্বের মোট অর্থনৈতিক লেনদেনের প্রায় নব্বই শতাংশ হয়ে থাকে মার্কিন ডলারের মাধ্যমে. আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য মার্কিন ডলার প্রায় অপরিহার্য. আমেরিকান ডলারের বিকল্প বা সমকক্ষ আর কোনো মুদ্রা নেই বললেই চলে. বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় মার্কিন ডলারের এতো দাপট কিভাবে তৈরি হলো সে সম্পর্কে আলোচনা করা হবে ?    কারেন্সি বা মুদ্রাকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়. কমোডিটি কারেন্সি , রিপ্রেজেন্টেটিভ কারেন্সি এবং ফিয়াট কারেন্সি. কমোডিটি কারেন্সি হল সেই ধরনের অর্থ যার কোন অন্তর্নিহিত মূল্য আছে. যেমন স্বর্ণ বা রৌপ্যের নিজস্ব মূল্য আছে. প্রাচীনকাল থেকে স্বর্ণ ও রৌপ্যকে সরাসরি বিনিময়ের মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করা হতো. স্বর্ণমুদ্রা বা রৌপ্যমুদ্রাকে গলিয়ে ফেললেও এর মূল্য হ্রাস পায় না. এজন্য স্বর্ণমুদ্রা বা রৌপ্যমুদ্রা এগুলো হলো কমোডিটি মানি. মানব ইতিহাসের বড় একটি সময় জুড়ে অর্থনৈতিক লেনদেনের জন্য সোনা রুপা, তামা বা তামাক পাতা, কমোডিটি কারে...

মুদ্রাস্ফীতি কি ?

   মানুষের আয় না বাড়লেও জিনিসপত্রের দাম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে. দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সাথে মানিয়ে নিতে না পারার অন্যতম কারণ হলো মুদ্রাস্ফীতি। মুদ্রাস্ফীতিএবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সাথে অর্থনীতির যে কয়েকটি বিষয়ে ওতপ্রোতভাবে জড়িত. তার মধ্যে অন্যতম হলো খেলাপিঋণ. কোনো নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে পণ্য বা সেবার দাম টাকার অংকে বেড়ে গেলে অর্থনীতির ভাষায় তাকে  মুদ্রাস্ফীতি বলা হয়. সাধারণত মুদ্রাস্ফীতির ফলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়. ফলে কোনো একটি পণ্যের দাম আগে যদি হতো একশো টাকা. তাহলে মুদ্রাস্ফীতির পর তার দাম হবে একশো দশ টাকা. অথবা একশো টাকায় সেই পণ্য আগের চেয়ে অনেক কম পরিমাণে পাওয়া যাবে. এর ফলে অর্থনীতিতে পণ্যের আসল বিনিময় মূল্যও কমে যায়। আরো সহজ করে বলতে গেলে দেশের সর্বমোট যত সম্পদ আছে তার মূল্য ওই দেশের বর্তমান মোট মুদ্রামান বা মোট টাকার সমান.  মনে করুন বাংলাদেশে সর্বমোট একশো টাকা আছে. এবং দেশের মোট সম্পদ হলো দশটি আম. যেহেতু দেশের মোট সম্পদের মূল্য মোট মূল্যবানের সমান. সেহেতু এই দশটি আমের মূল্য একশো টাকা. তার মানে প্রতিটি আমের মূল্য দশ টাকা. এখন য...

শেয়ার মার্কেট কি ?

   শেয়রবাজার হলো এমন একটি বাজার ব্যবস্থা যেখানে বিভিন্ন পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি তাদের প্রতিষ্ঠানের মালিকানা বিক্রি করে বিনিয়োগ বা পুঁজি সংগ্রহ করে. তাই একে পুঁজি বাজারও বলা হয়. কোনো দেশের শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেট যখন চাঙ্গা থাকে তখন মনে করা হয় সেই দেশের অর্থনীতিও খুব ভালো অবস্থানে আছে. বর্তমান বিশ্বের বহু বিখ্যাত কোম্পানি তাদের শেয়ার জনসম্মুখে বেচাকেনা করে. কিন্তু অতীতে বিষয়গুলো এমন ছিল না. আগে সাধারণত একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান একজন ব্যক্তির মালিকানায় থাকতো. কিন্তু এককভাবে কোনো ব্যবসা দাঁড় করাতে প্রচুর সময় ও শ্রমের প্রয়োজন হয়. সে কারণে বিংশ শতাব্দীর শুরুতে পুরোনো ধারা পাল্টাতে থাকে. কোম্পানির মালিকেরা লক্ষ্য করেন যে তারা যদি জনসাধারণকে তাদের ব্যবসায় অংশীদার করতে পারেন. তাহলে বেশ অল্প সময়ে ব্যবসায় উন্নতি করা যাবে.  আর সেখান থেকেই শেয়রবাজার ধারণা জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে. শেয়ার বাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানি বিনিয়োগ সংগ্রহের জন্য তাদের প্রাথমিক মূলধনকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে. এবং এসব এক একটি ভাগ জনগণের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়. এই প্রত্যেকটি অংশকে বলা হয় এ...

শিক্ষা শ্রম কি ? কিভাবে বের হতে পারা যায় এই অসুস্থ জগৎ থেকে ?

     এইতো কয়েকদিন আগের কথা. বিশ্বসেরা all rounder সাকিব আল হাসান সাংবাদিক উৎপল সুটের কাছে একটা ইন্টারভিউ দিয়েছিলেন. পঞ্চপাণ্ডব  সহ আরো কিছু বিষয় সোজাসাপ্টা মন্তব্যের কারণে সেই সাক্ষাৎকার নিয়ে বেশ বিতর্ক হলো কিন্তু ক্রিকেট ও আলোচনা বা বিতর্কিত আলাপের বাইরেও সাকিব সেই সাক্ষাৎকারে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা কথা বলেছিলেন যেটা নিয়ে বিন্দুমাত্র আলোচনা হয়নি । পরিবার আমেরিকাতেই স্থায়ী হবে এমন আভাস দিয়ে সাকিব বলেছিলেন বাংলাদেশে থাকার সময় স্কুলে যাওয়ার আগে আমার বড় মেয়ে অ্যালাইনা ঘুম থেকে উঠে প্রতিদিন কাঁদতো. অথচ আমেরিকায় এক ডাক দেওয়ার আগেই নিজে উঠে চোখ বন্ধ করে নিজে ব্রাশ করে স্কুলের জন্য রেডি হয়ে যায়. এর থেকে ভালো আমার জন্য আর কি হতে পারে?  সাকিব কেন নিজেকে একমাত্র পাণ্ডব বলে দাবি করেছেন সাকিবের বক্তব্যে অন্যান্য সিনিয়র প্লেয়ারদের অসম্মান করা হয়েছে কিনা এসবের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু কিন্তু এই কয়েকটা লাইনে লুকিয়ে আছে । স্কুল জায়গাটা কেন পাঁচ থেকে ছয় বছর বয়সের একটা বাচ্চা মেয়ের কাছে বিভীষিকার নাম হয়ে উঠবে.  এই গল্পটা শুধু এলাইনার নয়. এ...

মানসিকতার কয় টা দিক ? Personalities theory কী ?

     আপনি মানুষের সামনে খুব হাসিখুশি থাকেন বলেই মানুষ আপনাকে ভেবে নিল. আহ মানুষটা কি ভিল দরিয়া? মানুষটা খুব মিশুক. এক্সট্রোভার্ট।   কিন্তু আপনি আসলে ভেতরে ভেতরে উপলব্ধি করেন মানুষ আপনাকে যা ভাবে তা আপনি নন মানুষের সামনে হয়তো কোনোরকমে মানিয়ে নেন।  কিন্তু এত হাঙ্গামা আসলে আপনার পছন্দ নয় । আপনি আসলে নিজের ভুবনে থাকতেই বেশি পছন্দ করেন নিজস্ব সার্কেলে । কিন্তু এমন কিন্তু এমনটা কেন? কিছু মানুষের ভেতরে দৈত সত্তা খুব বেশি কাজ করে. মনের ভেতর আর বাইরের উপস্থাপনার একটা দ্বন্দ্ব চলতেই থাকে. মানুষ আপনাকে যতটা introvert ভাবে মনে করে. কি ভাব? আপনি তেমন নাও হতে পারেন । আপনিও জোৎস্ই জায়গা পেলে নিজেকে উজাড় করে দিয়ে এক্সপ্রেস করতে পারেন । এই যে দইতো একটা বৈচিত্র নিয়ে মানুষ বেঁচে আছে এটাকে তাহলে কি বলা যাবে? এই ধরণের মানুষগুলো আসলে এক্সট্রোভার্ট  আবার পুরোপুরি ইন্ট্রোভার্ট ও না ।  তারা মাঝামাঝি একটা অবস্থানে থাকে. এই মানুষগুলোকে বলা হয় হ্যান্ডবিভার. মজার ব্যাপার হল প্রচলিত একটা ধারণা আছে যে এক্সট্রোভার্টরা সেলস কমিউনিকেশানে খুব ভালো হয়. কিন্তু গবেষণায়...

বিটকয়েন কি ? বিটকয়েন কিভাবে কাজ করে ?

   বেশ কিছুদিন হলো বাংলাদেশ সরকার থেকে ধরপাকড় চলছে বিটকয়েন মাইনারদের ওপর । আসলে সেখানে কি চলছে?  যত গভীরে পড়ালেখা করলাম বিটকয়েন নিয়ে তত বেশি আগ্রহ জন্মাতে থাকলো. যেমন ধরুন বিটকয়েনের সৃষ্টি এক ছদ্মবেশী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীদ্বারা যাদের মূল পরিচয় এখনো অজ্ঞাতই রয়ে গেছে. নিজেদের পরিচয় দেয় তাঁরা সাতোশি ন্যাকামোতো নামে. সাতোশি ন্যাকামোতো কে আড়ালে রেখেই পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে বিটকয়ন. কিন্তু সাতোশি ন্যাকামোতো মাত্র একটা অংশ এই অবিশ্বাস্য খেলার মাঠে. সত্যি বলতে এটা একটা হোয়াইট ওয়ার্ল্ড. কি চলছে সেখানে? তা আমাদের মাথায় ঢোকানো বেশ কষ্ট. আর এই জন্যই মনে হলো এটাই সঠিক সময়ে  দর্শকদের কাছে কিছুটা সহজ ভাষায় ক্রিপ্টোকারেন্সি ও বিটকয়েন কি কিভাবে কাজ করে বা ভবিষ্যতে কি হবে তা তুলে ধরার।    বিটকয়েন একটা গল্প. আমাদের প্রভাবিত করার গল্প. ইতিহাস ঘাতলে দেখা যায় আমরা মুদ্রা এবং অর্থ ব্যবস্থার যে রূপ আজকে দেখি. তা কিন্তু এমনটা ছিল না. একটা সময় ছিল. যখন মুদ্রার বদলে চালু ছিল বিনিময় প্রথা। অর্থাৎ কোন বস্তুর বদলে অন্য বস্তু বিনিময...